শনিবার, জুন ১৫, ২০২৪
Led03জেলাজুড়েফতুল্লা

পূণ্যের আশায় কবিরাজ হত্যা

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লায় কবিরাজকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ফতুল্লার নয়ামাটি এলাকার নিজ বাড়ি থেকে প্রধান আসামি হাফিজুর রহমান ওরফে হাফিজ মাস্টারকে আটক করা হয়।

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান ওরফে হাফিজ মাস্টার ঝালকাঠি সদর উপজেলার পরমহল এলাকার মো. আব্দুল মালেক তালুকদারের ছেলে।

পিবিআেই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, মামলাটি প্রথমে ক্লুলেছ হলেও পরবর্তীতে আমাদের লোকাল সোর্স এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার প্রধান আসামী হাফিজুর রহমান ওরফে হাফিজ মাস্টার (৩৮) কে ফতুল্লার নয়ামাটি এলাকার নিজ ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও মোবাইল ফোন উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান হাফিজুর রহমান ও নিহত কবিরাজ আলামিন শেখ পূর্ব পরিচিত। দুজনে একসাথে লাইটার জাহাজে কাজ করতেন। আসামী হাফিজুর ধারনা করে আলামিনের কবিরাজি ঝাড় ফুকের দ্বারা সমাজের অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, মানুষ প্রতারনার শিকার হচ্ছে। আসামী হাফিজুর কিছুতেই তাকে এই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে না পেরে আদর্শগত দিক হতে তার পূণ্য হবে এই ধারনায় কবিরাজ আলামিন শেখকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে।

তিনি আরও জানান, হত্যার দিন আসামী হাফিজ ভিকটিমের সাথে মোবাইলে কথা বলে রাতে কবিরাজি রুমে আসে। রাতে ঘুমিয়ে পড়লে ভোর রাতে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক আসামী হাফিজ তার বন্ধু আলামিন শেখকে ঘুমন্ত অবস্থায় গলায় কেটে জবাই করে হত্যা করে। হত্যাকান্ড শেষে আসামী হাফিজুর ফতুল্লা পাগলা মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করে। আসামি হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসা শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য ৮ আগস্ট ফতুল্লা থানাধীন ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ এলাকার বাসিন্দা কবিরাজ আলামিন শেখ (৪৮) হত্যা করে। উক্ত হত্যাকান্ডে ফতুল্লা থানায় মামলা নং-২৫, ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড।

RSS
Follow by Email