বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৪
Led01জেলাজুড়েরাজনীতি

অবশেষে হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুবলীগের কমিটি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: অনেক টানাপোড়েনের পর অবশেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামী যুবলীগের কমিটি দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের সরিয়ে দলের তরুণ ও ত্যাগী নেতাদের নতুন কমিটিতে স্থান দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সরকারবিরোধীদের আন্দোলন শুরুর আগেই ক্ষমতাশীন দল আওয়ামী যুবদলীগের এই কমিটি দু’টি ঘোষণা করা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।

ইতোমধ্যেই নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষে ২৩ আগস্ট সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের জীবন-বৃত্তান্ত আহ্বান করেছে কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। আগামী ২৬ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্টের মধ্যে যুবলীগের প্রধান কার্যালয় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে জীবন বৃত্তান্ত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিভিন্ন পর্যায় থেকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে ও ২০২৩ সালের শেষ কিংবা ২০২৪ সালের শুরুতে বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলা নারায়ণগঞ্জের এই দুইটি কমিটি গঠন করতে চাইছে দলটি।

২০০৫ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের কমিটি গঠন করা হয়। সম্মেলনে আবদুল কাদির সভাপতি ও অ্যাডভোকেট আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সেইসঙ্গে জাকিরুল আলম হেলালকে করা হয়েছিল সিনিয়র সহ-সভাপতি, আসিফ হোসেন মানুকে সহ-সভাপতি ও শাহ নিজামকে করা হয়েছিল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এরপর দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো কমিটির দেখা মিলছে না জেলা যুবলীগের।

ওই সময় জেলা যুবলীগের কমিটিতে পদ পাওয়া নেতারা অনেকেই মূল দলে ভিড়েছেন। তাদের মধ্যে শাহ নিজাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাকিরুল আলম হেলালকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। একইভাবে সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদলকে দ্বিতীয় মেয়াদে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা যুবলীগ সভাপতি আবদুল কাদির জেলা আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে দীর্ঘদিন যাবতই জেলা যুবলীগ অনেকটাই নেতৃত্ব শূন্য হয়ে পড়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল কাদির লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, কমিটি গুছাতে কেন্দ্র থেকে আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল আমার ডাকে সারা দেয়নি। ফলে নতুন করে কমিটি গুছানো হয়নি। আমরা বিষয়টি কেন্দ্রে জানালে তারা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে।

কমিটি গঠনের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর মুঠোফোনে অনলাইন নিউজ পোর্টাল লাইভ নারায়ণগঞ্জ থেকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা রিসিভ করেনি।

এদিকে, যুবলীগের কর্মীটি হওয়ার সংবাদে উচ্ছাসিত নেতাকর্মীরা।

ইতোমধ্যেই সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী যুবলীগে আলোচনায় রয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানি, নারায়ণগঞ্জ শহর যুব লীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া সাজনু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদের নাম।

RSS
Follow by Email