রবিবার, জুন ১৬, ২০২৪
Led02রাজনীতি

হরতাল: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, বিএনপি দাবি ‘আ.লীগ আগুন দিয়েছে’

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: চাষাঢ়ায় হরতালের সমর্থনে বের হওয়া বিএনপির মিছিল থেকে বাস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৯ অক্টোবর) পৌনে ১১টায় শহরের মিশনপাড়া এলাকার সামনে ওই ঘটনা ঘটে। এ সময় বাসে আগুন ধরিয়ে দিলে বাসের ছয়টি সিট পুড়ে যায়। তবে বিএনপির নেতাদের দাবি ‘বাসে আগুন ধরিয়েছে আওয়ামী লীগের লোকেরা’।

জানা যায়, রামকৃষ্ণ মিশনের পাশের গলি থেকে হরতালের সমর্থনে মহানগর বিএনপির একটি মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে উৎসব পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ব ১০-৬৬০৭) থামিয়ে যাত্রী নামিয়ে ভাঙচুর করা হয় এবং চলতে নিষেধ করা হয়। এ সময় বাসের চালক তর্ক করলে বাসে অগ্নিসংযোগ করে বিএনপি কর্মীরা। এতে বাসের ছয়টি সিট আগুনে ভস্মীভূত হয়।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, গতকাল পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ মিলে বিএনপির সমাবেশকে পন্ড করে। যার প্রতিবাদের আজ সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমাদের হরতাল। আমরা সকাল ৭টার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হচ্ছিলাম, এমন সময় পুলিশ আমাদের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। এর প্রতিবাদে আমরা শহরের বিভিন্ন স্থানে হরতালের সমর্থনে মিছিল করি।

টিপু বলেন, আমরা জনগনকে আহ্বান করবো, বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই হরতাল না। এই হরতাল দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি ও বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ প্রেরণ, ও এক দফা দাবি আদায়ে। আমরা জনগনকে বলবো আপনারা এই হরতাল সমর্থন করুন এবং এতে সম্পৃক্ত হন।

মিশনপাড়া মোড়ে উৎসব পরিবহনের একটি বাসে আগুন লাগার বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের লোকজন মিশনপাড়ার মোড়ে একটি বাসে আগুন দেয়। বিএনপির বদনাম করার জন্য ও আমাদের বেকায়দায় ফালানোর জন্য আওয়ামী লীগের লোকেরা বাসে আগুন দিয়েছে। এখানে বিএনপির কোন নেতাকর্মী জড়িত না।

বাসের চালক নিয়াজুল জানান, আমি বাস চালিয়ে আসার সময়ে যাত্রীরা হরতালের মিছিল দেখে নেমে যেতে যেতেই আমার বাসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে হরতালকারীরা। এ সময় বাসে আগুন ধরিয়ে দিলে ছয়টি সিট পুড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা আগুন নেভায়।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ইন্সপেক্ট (অফিসার ইনচার্জ) আনিচুর রহমান মোল্লা লাইভ নারায়ণগঞ্জকে জানান, সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীরা নাশকতার চেষ্টা করছে। এখন বাসে আগুন দিয়েছে। আমরা দ্রুত সেখানে যেতে যেতে আমাদের দেখে দৌড়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা বাসের আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আমরা একজনকে সন্দেহ ভাজন আটক করেছি। যাচাই বাচাই করা হচ্ছে সে ঘটনার সাথে জরিত কিনা।

RSS
Follow by Email