রবিবার, মে ১৯, ২০২৪
Led05জেলাজুড়েরাজনীতিসদর

সাবালক ছাত্রদের গা-ছাড়া না দিয়ে উপার্জন করতে হবে : সেলিম ওসমান

লাইভ নারায়ণগঞ্জ : আমি কাজ করেছি নতুন প্রজন্ম নিয়ে। আমি কাজ করেছি প্রাইমারি স্কুল নিয়ে, ওদের উন্নয়নের জন্য। আজকে নারায়ণগঞ্জে এই দলের এত লোক আছে, এই দলের এত লোক আছে। আর আমার একটা দল আছে, যারা শুধু জানে। সেই দলে আজ প্রায় ৫০ হাজার নতুন ভোটার, যাদের সাথে আমার সম্পর্ক দাদু আর নাতী-নাতনির। তাদেরই একটা অংশ এখানে এসেছে। একদিন এই ৫০ হাজার যখন আসবে একসাথে, তখন দেখা যাবে নারায়ণগঞ্জে আর কোনও অপরাজনীতি নেই। সমস্ত অপরাজনীতি চলে যাবে।

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি ) দুপুরে সদর থানার পাশে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী একেএম সেলিম ওসমান তার প্রধান নির্বাচনী ক্যাম্পে নতুন প্রজন্মের ভোটারদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

এক শিক্ষার্থী তাকে প্রশ্ন করেন, নারায়ণগঞ্জ কলেজ ও হাই স্কুলের রাস্তাগুলোর অবস্থা কবে উন্নতি হবে। যানজটের কারণে তাদের লেখাপড়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এর উত্তরে তিনি বলেন, ২০১১ থেকে আমাদের কয়টা রাস্তা হয়েছে, সেগুলো কেন ভাল হচ্ছে না? কী করলে ভাল হবে, সেটাই শুনতে চাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে। ইয়াং ছেলেদের কাছে কি আমি এবার রমজানে হেল্প নিতে পারি না, যে এই বছর রমজানে আমরা ট্রাফিকের দায়িত্ব নিবো! একটা ইয়াং ছেলেকে যদি আমি পাই রাস্তায়, তাহলে কি ট্রাফিক কনট্রোল করা যাবে না? রাস্তা পরিষ্কার করা যাবে না? ১৮ রমজানে যেন আমাকে এক্সট্রা টাকা খরচ করতে না হয়। স্টুডেন্টরা রমজানে মানুষকে শান্তিতে থাকার ব্যবস্থা করে দিবে। স্টুডেন্টরাই যেন ফুটপাতে কলা বেচতে বসে না যায়। ওরা যে এখানে বসে, ওরা কিন্তু কাউকে পয়সা দেয়। কিন্তু আমরা কয়েকশ মানুষের জন্য কয়েক লক্ষ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে দিবো না। এটা নিয়ে আমি আর মেয়র তোমাদের সাথে বসবো, তোমাদের কাছে থেকে উপদেশ নিবো, সেটা অনুযায়ী আমরা প্রবলেম সলভ করবো।

শিক্ষার্থীদের তিনি স্বাবলম্বী হওয়ার পরামর্শ দেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, একটা উন্নত দেশে গেলে তরুন একটা ছেলে বাপের কাছে থেকে পয়সা নেয় না। সে রেস্টুরেন্টে কাজ করে। নিজের উপার্জন নিজেই করে, সে এখন সাবালক হয়ে গেছে। উন্নত দেশে ১৮ বছর বয়সের পর বাবা-মায়ের সাথে থাকে না। তাকে কিছু না কিছু করতে হবে, নিজের উপার্জন করতে হবে। স্টুডেন্ট বলে গা-ছাড়া দেওয়া যাবে না। বাবা-মা অনেক কষ্ট করে সাবালক করেছে তোমাদের। উপার্জন করতে হলে সবচেয়ে বড় কথা, কোনও কাজকে ছোট করা যাবে না। বাংলাদেশের মানুষ যখন দুবাই যায়, তখন সে সুইপারের কাজ করে। এরপর দেশে এসে একটা সানগ্লাস লাগায়, দুবাই ফেরত বাসিন্দা বিরাট ব্যাপার স্যাপার।

মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল প্রধানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- এমপি সেলিম ওসমানের সহধর্মিনী নাসরিন ওসমান, সেলিম ওসমানের জামাতা আখতার হাসান অপূর্ব (সিআইপি), মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোদাচ্ছেরুল হক দুলাল, কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত কবির ফাহিমসহ বিভিন্ন কলেজের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।

RSS
Follow by Email