বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০২৪
Led04জেলাজুড়েরূপগঞ্জ

রূপগঞ্জে গাজীর চেষ্টায় ৩১টি স্কুল সরকারি

টি.আই.আরিফ: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে রূপগঞ্জে শিক্ষার আলো ছাড়াচ্ছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক এমপি। সরকার প্রধানের সহযোগিতায় টিনের ঘরকে তিনি বিল্ডিংয়ে রূপান্তর করেছেন। বাঁশের তৈরী দেওয়ালকে তিনি নিজের অর্থে ইটের তৈরী সীমানা প্রাচীর করেছেন। যে বিদ্যালয়ে টয়লেট ও নলকুপ ছিলো না সেখানে তিনি নলকুপ ও টয়লেটের ব্যবস্থা করেছেন। রূপগঞ্জের যেসব এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিলো না সে সব এলাকায় নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করেছেন রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক।

তথ্যমতে জানা গেছে, গোলাম দস্তগীর গাজী রূপগঞ্জের এমপি হওয়ার পর নতুন ৩১ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ হয়েছে। তার মধ্যে ১০ টি রেজিস্টার,১৫ টি কমিউনিটি। এমপি গাজীর প্রচেষ্টায় রূপগঞ্জে সরকারি করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে কুশাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,কান্দাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,ফুলকুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাক্তার খালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ডিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুশুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আওখাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাবই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পলখান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,বেলদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হারিন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোলাব আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নোয়াগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধুখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রূপসী কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিল্কভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০১৩ সালে ও এর পর এসব বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়।

পাবই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শরীফ ভূঁইয়া বলেন, দীর্ঘদিন আমরা বেতন পাই নাই গাজী স্যার ২০১৩ সালে আমাদের বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করে দিয়েছে। তিনি রূপগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষাকে অনেক এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আমরা কোনদিন কল্পনা করি নাই আমাদের স্কুল সরকারি হবে। তিনি রূপগঞ্জে ৩১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করে দিয়েছেন। আমরা গোলাম দস্তগীর গাজী স্যারের কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি জমি দিয়ে অর্থ দিয়ে অনেক স্কুলে সহযোগিতা করেছেন।

রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও মঙ্গলখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল রহিম বলেন, আগে আমাদের স্কুলে টিনের ঘর ছিলো। ভাঙ্গা টিনদিয়ে পানি পড়েছে, ছেলে মেয়েরা পড়তে পারে নাই। গাজী স্যার টিনের ঘরকে বিল্ডিংয়ে রূপান্ত করেছে। নিজের টাকা দিয়ে স্কুলের দেওয়াল , শহীদ মিনার ও বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল নির্মাণ করেছেন মাননীয় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী মহোদয়। তার নেতৃত্বে রূপগঞ্জে শিক্ষাখাতে বিপ্লব ঘটেছে।

-টি.আই.আরিফ, প্রতি‌বেদক, দৈনিক সংবাদচর্চা

RSS
Follow by Email