বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০২৪
Led02জেলাজুড়েরাজনীতিসদর

ফুটপাতের দোকানী যদি না.গঞ্জের হয়, সুবন্দোবস্ত করে দিবো: সেলিম ওসমান

লাইভ নারায়ণগঞ্জ : আমরা শুধু সমালোচনা করি। ভোট আসলে ভোট দেই, পাশ করিয়ে সমালোচনা করি। কি করলে ঠিক হবে, এজন্য আমরা আলোচনা করি না, বসি না। এইজন্য মানুষ রাস্তায় চলাচল করতে পারি না, ফুটপাথে দোকান ভরা। এই পয়সা খায় কে? আপনারা যদি আমাকে দেখাতে পারেন, তারা নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা, আমি তাদের সুবন্দোবস্ত ব্যবস্থা করে দিবো। কোনো নেতার মার্কেট যেন না হয়। পার্টি অফিসের সামনে একটা দোকান থেকে যদি প্রেসিডেন্ট সাহেব ২০০ টাকা নিজের পকেটে ভরেন, কি করবেন? আমার নারায়ণগঞ্জ আমাকে ভালবাসতে হবে। আপনি যে এই দেশের নাগরিক, সেই অধিকার আপনার নিতে হবে।

৩১ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম ওসমান তার নির্বাচনী প্রচারণার কেন্দ্রীয় ক্যাম্পে ব্যবসায়ী ও আইনজীবীদের আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এই বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, ওয়ান ইলেভেনের সময় আমার কাছে দুই কোটি টাকা চাঁদা চাওয়া হলো, না পেলে আমাকে ধরে দিয়ে যাবে। দুই কোটি টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা শর্ট ছিলো, কোথাও পেলাম না। পরে বউয়ের অলঙ্কার বিক্রি করে দুই ভাগে ২ কোটি টাকা দিয়েছি। আমি এত দিন ধরে ব্যবসায়ীদের নেতৃত্ব দিয়ে আসছি, আমার এখানে কোনও বিচার ব্যাবসা নেই। ভালবাসা আছে। কিন্তু এই ভালবাসা থাকে না। যখন পেটে টান পড়ে, এই ভালবাসা জানালা দিয়ে পালায়। আর এক ধরণের লোক আছে, হাতি যতো বড়ই হোক না কেন, ফান্দে পড়লে চামচিকা রেডি। আগামী কাল আমার একটা সভা হওয়ার কথা ছিলো। আমি জানি না, বাংলাদেশের কেউ এই সভার লোকদের সাহায্য করেছে কী না! আমাকে কন্ডিশন দেওয়া হলো, বিরিয়ানি না হলে না কি আসা যাবে না। কীভাবে বলেন আমি বিরিয়ানি খাওয়াবো, যেখানে ইলেকশন কমিশন আমার নামে মামলা করে দিবে, আমার ক্যাম্পেইন বন্ধ করে দিবে। বিরিয়ানি না খেলে হবে না? ঠিক আছে, তাহলে আসতে হবে না। সবাই এসেছে, ক্ষমা করেছি। শেখ মুজিবও ক্ষমা করেছেন, জেলে ভরেছেন অপরাধীদের ফাঁসি দেননি। সেটাই ভুল করেছিলেন। ‘৭৫ সনে তাকে হত্যার সব প্ল্যান ওখান থেকেই হয়। আমি দলের লোক না, আমি সবার কাছে ভালবাসার মানুষ। কিন্তু আজ খুব কষ্ট পেয়েছি। যারা আমার সাথে চললেন, আনন্দ করলেন, ফুর্তি করলেন, তারা বিরিয়ানি ছাড়া আসলেন না। আপনাদের বিরিয়ানি খাওয়াবো, প্রাণ ভরেই খাওয়াবো।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক কমান্ডার ও সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী, বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড আবু হাসনাত মো শহীদ বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড খোকন সাহা, বাংলাদেশ ক্লথমার্চেন্ড এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা, বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্ড এসোসিয়েশনের সভাপতি লিটন সাহা, বাংলাদেশ হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল হাসান সজল, নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক এড. মহসিন মিয়া, সহ-সভাপতি রবিউল আলম রনি, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড মাহমুদা মালা, আইন বিষয়য়ক সম্পাদক এড ওয়াজেদ আলী খোকন, দপ্তর সম্পাদক এড বিদ্যুৎ কুমার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাফায়েত আলম সানিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও আইনজীবীবৃন্দ।

RSS
Follow by Email