বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০২৪
Led05জেলাজুড়েফতুল্লা

নৈশপ্রহরীদের বেঁধে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনায় আরও ১জন গ্রেপ্তার

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নৈশপ্রহরীদের বেঁধে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় সন্দেহভাজন আরও এক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর মসজিদ রোগ এলাকা থেকে কথিত ওই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. শহীদ হোসেন প্রকাশ ওরফে ডাকাত শহীদ (৫০)। সে দাপা ইদ্রাকপুর দাপা মসজিদ রোড এলাকার মৃত আলী নুর বেপারীর ছেলে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) নুরে আযম মিয়া। তিনি লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় অভিযান করে সন্দেহভাজন এক ডাকাতকে গ্রেপ্তারে থানায় হস্তান্তর করেছে। বুধবার দুপুরে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আসামীকে আদালতে পাঠিয়েছে।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইমরান শেখের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি সংঘটনে জড়িত থাকার সন্দেহে গত ১৪ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) কবির হোসেন ওরফে ফেরা কবির নামে সন্দেহভাজন আরও এক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত এ মামলায় ডাকাতির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোট দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার সময়কার ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অপরাপর ডাকাতদের গ্রেপ্তারের তাদের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান তদন্ত কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য গত ১৮ নভেম্বর (শনিবার) ভোরে ফতুল্লার দাপা পিলকুনি পাঁচতলা এলাকায় নৈশপ্রহরীদের বেঁধে নিউ আলিফ জুয়েলার্স নামে একটি দশ-বারো জনের একটি ডাকাত দল দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটন করে। দোকান কর্মচারীদের ভাষ্যমতে ডাকাতরা দোকানটি থেকে চার ভরি স্বর্ণের অলংকার, ক্যাশ থেকে নগদ ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন লোকজনের বন্ধক রাখা বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের অলংকার নিয়ে যায়।

ঘটনার দিন নৈশপ্রহরী রানা জানান, তার সঙ্গে কবির নামে আরেকজন প্রহরী আছেন। তারা দুজন প্রহরায় থাকার সময় ভোর রাতে একটি পিকআপভ্যানে ৭ থেকে ৮ জন মুখোশধারী যুবক আসেন। তারা এসেই তাদের দুজনের হাত-পা, চোখ-মুখ বেঁধে গাড়িতে আটক করে রাখেন। এরপর ডাকাতি শেষে চলে যাওয়ার সময় তাদের দুজনকে সড়কে ফেলে যায়।

ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) নুরে আযম মিয়া সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, ঘটনার আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ডাকাতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

RSS
Follow by Email