শনিবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৪
Led05রাজনীতি

নিজের পরিবার ও মেয়রের পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করলেন শামীম ওসমান

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বাবা-মা ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের কবর জিয়ারত করে প্রচার শুরু করার কথা উল্লেখ করেছিলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান। কথা অনুযায়ী কাজ করলেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বাবা এ কে এম সামসুজ্জেহা, মা ভাষা সৈনিক নাগিনা জ্জোহা ও বড় ভাই নাসিম ওসমানের কবর জিয়ারত করেন শামীম ওসমান। এ সময় সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এবং মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর পিতা আলী আহাম্মদ চুনকা ও মাতা মমতাজ বেগমের করব জিয়ারত করেন তিনি।

এর আগে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে শামীম ওসমান বলেছেন, আব্বা- আম্মা ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের কবর জিয়ারত করে প্রচার শুরু করবো। রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে, এর নামই গণতন্ত্র। আমরাও রাজনীতি করে এ পর্যন্ত এসেছি।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে সব টেলিভিশনে রাত তিনটার সময় আমাকে জয়ী ঘোষণা করা হলো। উপজেলা পরিষদে আমার লোকেরা যাওয়ার পরে তাদেরকে চলে যেতে বলা হলো। সেই রাতে নারায়ণগঞ্জে কর্ণেল কামরুল ইসলাম দায়িত্বে ছিলেন। আমার সব চেয়ারম্যানকে এরেস্ট করা হলো, মারতে মারতে একজনকে মেরে ফেলা হলো। ওই অফিসার কামরুল আমাকে জানালেন, ভাই, আপনি চলে যান। আপনাকে মেরে ফেলা হবে। ওই সময়ে আমি সাহস বলেছিলাম এই নির্বাচনে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ করেছে। ২০০১ এর পরে আমাদের দলের নেতাকর্মীদের ওপরে অমানবিক অত্যাচার চালানো হয়েছে। ঐতিহাসিক বায়তুল আমান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো। হীরা মহলে হামলা হলো। আমার ভাই সেলিম ওসমানের ফ্যাক্টরিতে হামলা করে তিনশো গরুর দুধের বান কেটে দেওয়া হলো। সেলিম ভাইকে অস্ত্র দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হলো। ১৬ জুন ২০০১ সালে আমাদের ২০জন মানুষ মারা গেলেন।

RSS
Follow by Email