সোমবার, জুন ১৭, ২০২৪
Led05জেলাজুড়েরাজনীতিশিক্ষাসদর

নানা আয়োজনে উদ্বোধন হলো না.গঞ্জ কলেজ প্রাঙ্গনে নির্মিত শহীদ মিনার

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: জেলা পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত নারায়ণগঞ্জ কলেজের প্রাঙ্গনে শহীদ মিনার উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শেখ কামাল ভবনের অষ্টম তলার নির্মাণ কাজ, কলেজ শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ণে স্থাপিত ই-লাইব্রেরি কার্যক্রম শুরু ও জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কালচারাল ক্লাব ও স্পোর্টস ক্লাবকে সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ কলেজ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুরুতে র্ধমীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ এবং জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠানের আরম্ভ করা হয়। এরপর এ কলেজের কালচার ক্লাবের সদস্যরা জারি গানসহ দলীয় ও একক সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে মন্ত্রমুগ্ধ করে উপস্থিত সকলের। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কালচার ক্লাবকে একটি ইলেক্ট্রনিক গিটার, একটি কিবোর্ড এবং স্পোর্টস ক্লাবকে খেলার সরঞ্জাম উপহার দেওয়া হয়।

এসময় নারায়ণগঞ্জ কলেজের গর্ভনিং বডির সভাপতি ও বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের সভাপতিত্বে ও নারায়ণগঞ্জ কলেজের শিক্ষক আরিফ মিহির’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা একেএম সেলিম ওসমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চন্দনশীল।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেন, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ কলেজে একটি শহীদ মিনার করা হয়েছে, এটা করার পরিকল্পনা ছিল ও চন্দন শীল সেটা করে দেখেছেন। এখানে হাতেম সাহেবের যতটুকু সময় দেয়ার কথা ছিল কিন্তু সে ততটুকু সময় দিতে পারেনি কারণ করোনার পর থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য খারাপ চলছে আর সেখানে হাতেম সাহেব সময় দেন। এখানে একজন সাংবাদিক ডক্টরেট ডিগ্রী পেলেন এবং পরবর্তীতে একটি কলেজের অধ্যক্ষ হলেন। উনি কথা দিয়েছিলেন প্রিন্সিপাল হলে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রাখবেন। আজ নারায়ণগঞ্জ কলেজ খেলাধুলায়, পরা লেখায় ভালো করেছে। এমন কিছু নেই যেখানে আমার নাতি-নাতনিরা ভালো করে নাই, তাদের জন্য উপহারের ব্যবস্থা করতে হবে। ওরা এখনো বাচ্চা, ওরা যেন আনন্দ করে পারে। আর ওদের এই আনন্দের জন্য নিয়ে কলেজে কালচার ক্লাব স্থাপন করা হয়েছে। এই কলেজের মূল ভবনটা ৮ তালা করা হবে। যদিও আমি সেই সিদ্ধান্ত দেওয়ার কেউ না, যদি বোর্ড বলে এবং আমার শিক্ষার্থীরা বলে তাহলে আট তালা করা হবে। সরকারি বা বোর্ডের এমন কোন আদেশ আমরা মানবো না যেটাই ছাত্র ছাত্রীর কষ্ট হবে। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আমরা সিদ্ধান্ত ছাড়াও কাজ করেছি। সিদ্ধান্ত ছাড়াই এই কলেজে একটি সাত তালা ভবন করা হয়েছে সেটার জন্য কোন ফান্ড আনা হয়নি। শিক্ষার্থীরা আমাদেরকে যে বেতন দিয়েছেন সেখান থেকেই জমিয়ে এই ভবনটা করা হয়েছে। শুনেছি এখনো ১১ কোটি টাকা হাতে আছে। তবে এই সুন্দর বিল্ডিং করার উদ্দেশ্য আমরা যেন একটি সুন্দর মানুষ তৈরি করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার স্বীকার রাহাত বক্তব্য দিয়ে গেছে। রাহাতের বিষয়ে আগেও আমি রুমনের কাছে অনুরোধ করে গিয়েছিলাম, ওর কাছ থেকে কলেজের বিষয় যেন কোন টাকা দেওয়া না হয়। রাহাতের পরিবার চলতেও কষ্ট হয় তাই আমি আজ ঘোষণা দিয়ে গেলাম, যদি রাহাত আমার সাথে দেখা করে তাহলে আগামীকাল থেকেই ও চাকরিতে জয়েন করতে পারবে। আমার একটি পা ভেঙেছে এতেই আমার এত কষ্ট, কিন্তু আল্লাহ রাহাতকে কত কষ্ট দিয়েছেন তারপরও সে লেখাপড়া চালিয়ে গেছে। রাহাত শারীরিক প্রতিবন্ধকতার স্বীকার হয়েও একটা কথা বলেছে, আমি চাকরি করতে চাই কিন্তু কারো কাছে হাত পাতবো না। রাহাতের জন্য এমন ব্যবস্থা করা হবে যাতে সে তার পরবিারের খরচ নিজে অর্জন করতে পারে এতে ওর কারো কাছে হাত পাততে না হয়। আমার এই কলেজে একটি চাহিদা ছিল ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সের। এই কলেজে চায়না, আরবি, ইংলিশ ভাষার ওপর ল্যাংগুয়েজ কোর্স চালু করা উচিত। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের কম্পিউটারে সম্পূর্ণ দক্ষ করতে হবে। বিল্ডিং বানিয়ে কি হবে যদি মানুষ না বানাতে পড়ি। আমি অনুরোধ করবো যে ফান্ড আছে সেটা দিয়েই কোর্সগুলো চালু করার জন্য। এরপর যদি আমাদের কাছে অর্থ থাকে তাহলে আমরা বিল্ডিং বানানোর কাজে চলে যাবো। প্রতিটা বাচ্চাকে একটা মুরগি, একটা গরু, একটা ছাগল এক জোড়া কবুতর পালনা কিভাবে করে সেটা জানতে হবে। আল্লাহতালা আমাকে কেন সংসদ সদস্য বানিয়েছেন, কেন আমার মা সেদিন আমাকে জোর করে ছিল আমি এখন বুঝতে পেরেছি। আমি সংসদ সদস্য হওয়ার পর স্কুলগুলোর মধ্যে কিছুটা গ্যাপ দেখতে পেয়েছি। আমি নিজেও স্কুল পড়ার সময় কষ্ট করেছি বাথরুম ও খাবার পানির জন্য। সংসদ সদস্য হওয়ার পর আমি সাতটা ইউনিয়নের ৭টা স্কুলের কাজ একবারে সম্পন্ন করেছি।

সংসদ সদস্য বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে গর্ববোধ করি কারণ আমি একটি ভবন বানাতে পেরেছি যেটার নাম হয়েছে বঙ্গবন্ধু ভবন। এরপর মর্গান স্কুলে কি ভবন করতে পেয়েছি যেটা নাম হয়েছে ফজিলাতুন্নেছা ভবন। এই নারায়ণগঞ্জ কলেজে একুটি ভবন করতে পেরেছি যেটার নাম শেখ কামাল ভবন। আমি শেখ জামালের নামে জায়গা কিনে সম্পূর্ণ তার নামে একটি ভবন করতে পেরেছি। এরপর আমার বাবা, ভাই এবং আমার স্ত্রীর নামে ভবন তৈরি করা হয়েছে। আমি যুদ্ধের মাধ্যমে দেশকে জয় করাতে পেরেছি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন হুশিয়ারি সামগ্রী রপ্তানি করতে হবে। তার নির্দেশনায় সেই ৯৬ সন থেকে এখন পর্যন্ত নিটওয়্যার রপ্তানির কাজ করছি। এই নেটওয়ার্ক এখন নারায়ণগঞ্জের বাহিরে ও চলে গেছে। এই রপ্তানি শিল্প এখন বাংলাদেশের সব থেকে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এখনো ভালো মানুষ আছে, আমরা সবাই চেষ্টা করছি দেশের উন্নয়নের জন্য। আমি জানিনা কোন দিন পাটের মত গার্মেন্ট সেক্টরটাও হয়তো শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিটা সেক্টরে বিষয় জেনে সুশিক্ষিত হতে হবে। আমি কিছুদিন আগে হাইস্কুল এবং মর্গান স্কুলেও একটি ফান্ড দিয়েছি এখানেও হয়তো দিব, আপনারা একটি কমিটি মিটিং ডাকেন। এখানে আপনারা আমাকে উপস্থাপন করবেন যে আমরা এতে আয় করতে পারি, আমাদের কাছে এতোটুকু আছে এবং আমরা এই সম্পদ গুলো নিয়ে আসলে এইটা করতে চাচ্ছে। শুধু দেখানোর জন্য নয় আসলেই কিছু করার জন্য এই ফ্যান্ড।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, আজ নারায়ণগঞ্জ কলেজ প্রতিটা বিষয়ের উপরে এগিয়ে আছে। হয়তো শতভাগ এগোতে পারেনি কিন্তু ৯৫ শতাংশই তার এগিয়ে আছে বলে আমি মনে করি। চোখকে পরিষ্কারভাবে ব্যবহার করতে হবে ও কান দিয়ে ভালোভাবে শুনতে হবে। এরপর মগজ দিয়ে আমরা কিছু বের করব আর সেটাই হবে আসল শিক্ষা। আর এছাড়া আমি প্রিন্সিপালের কাছে অনুরোধ রাখতে চাই এখানে যেন বিজ্ঞান মেলা করা হয়। আপনারা বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করেন। বিজ্ঞানমেলায় এসেও অনেক কিছুই জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য চেয়ারম্যান চন্দনশীল বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জ কলেজটাকে তীলে তীলে সাজিয়েছেন। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার পর আমি চেয়েছিলাম এখানে কি কি করা যায়। সেখানে সভাপতি ও অধক্ষ্যর সাথে কথা বলে এখানে একটা শহীদ মিনার স্থাপন করেছি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে। নিজের কাছে ভালো লাগছে, সার্থক মনে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ কলেজে আরেকটা জিনিস নাই, সেটা হলো বঙ্গবন্ধুর মূরাল। আমরা চিন্তা করছি এখানে একটা বঙ্গবন্ধুর মূরাল তৈরী করবো। আমি সব সময় গান করি, আমার ভালো লাগে। সেলিম ভাই নারায়ণগঞ্জ কলেজে একটা কালচারাল ক্লাব করে দিয়েছে, এটা একটা উজ্জল দৃষ্টান্ত। নারায়ণগঞ্জ কলেজের শিক্ষার্থীরা এখানে কালচারাল প্র্যাক্টিস করছে, উপজেলা-জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে তারা পুরুস্কার অর্জন করে নিয়ে আসছে। এটা নারায়ণগঞ্জ কলেজের জন্য শুধু গৌরব না, এটা নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য গৌরবের বিষয়।

সভাপতির বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ কলেজের গর্ভনিং বডির সভাপতি ও বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আজকে নারায়ণগঞ্জ কলেজ যে উন্নয়ণের পথ ধরে আসছে, এবং এই উন্নয়নে বিশাল অবদান রেখেছে যিনি। তিনি হলেন আমাদের নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান। এমপি সাহেবকে বলবো আমাদের কলেচে ভারপ্রাপ্ত নিয়োজিত ছিলো যে ১৮ বছর, আপনার দিক নির্দেশনা ও সহযোগীতায় সেটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। এখন আমাদের কলেজে অধক্ষ্য হিসেবে ড. রুমন রেজাকে এই বছর নিয়োগ দিতে পেরেছি। তিনি ভারপ্রাপ্ত থেকে পূণাঙ্গ অধক্ষ্য হয়েছেন এতে আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই।

মোহাম্মদ হাতেম আরও বলেন, আমি একটা বিষয় স্বরণ করতে চাই, এই কলেজে যিনি এক সময় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন প্রয়াত সংসদ সদস্য একেএম নাসিম ওসমান, তিনিই প্রথম ২০১০ সালে আমাকে নারায়ণগঞ্জ কলেজের গর্ভনিং বডিতে নিয়ে আসেন। সেই থেকে আমার বন্ধু ভিপি বাদলের নেতৃত্বে কাজ করেছে, সেলিম ভাই ছিলেন ৪-৫ বছর কাজ করেছে, তার উত্তরসূরি হিসেবে আমিও এখন সেই দায়িত্ব পালন করছি, আমি চেষ্টা করবো এই দায়িত্ব যথাযথ পালন করার জন্য। আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আছি এই দায়িত্বে। আপনার (এমপি সেলিম ওসমান) দিক-নির্দেশনায় নারায়ণগঞ্জ কলেজের যে ১০ তলার ফাউন্ডেশনের কাজ শুরু করে দিয়ে গেছিলেন। ৭ তলা করেছিলেন আমরা সেই ভবনটির আপনার নির্দেশে ৮ম তলার কাজ শুরু করতে চাই। আমরা খুশি যে আপনি সেই কাজটা শুরু করবেন। আমরা আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা বন্ধু চন্দন শীলকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি জেলা পরিষদের দায়িত্ব নেয়ার পর এখানে এসে নিজেই দেখেছেন কি কি প্রয়োজ, এবং নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন শহীদ মিনারটা তিনি করে দিবেন ও সেটা সম্পন্ন হয়েছে। আমরা কলেজের পক্ষ থেকে আপনাকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা আপনার কাছে অনুরোধ করবো, আমাদের নারায়ণগঞ্জ কলেজে যে সৌন্দর্য ধারণ করেছে। সেই সৌন্দর্যের ধারক হিসেবে সামনের গেইটটা আরও সুন্দর হওয়া দরকার। জেলা পরিষদ থেকে যদি কোন সুযোগ থাকে তাহলে একটা গেইট করে দেয়ার অনুরোধ করবো।

এমপি সেলিম ওসমানকে উদ্দেশ্য করে হাতেম বলেন, নারায়ণগঞ্জ ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল, নারায়ণগঞ্জ নিটওয়্যার শিল্পাঞ্চল, বাংলাদেশ যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে তার ৪০% নারায়ণগঞ্জ থেকে অর্জিত হয়। সেই হিসেবে আমাদের দেশে এসে অনেক বিদেশীরা টাকা কামিয়ে নিয়ে যায়, আমরা চাই এমপি সাহেবের সহযোগীতায় নারায়ণগঞ্জ কলেজে তিনটা কোর্স চালু করতে চাই ‘মার্চেন্ডাইজিং, কমার্শিয়াল ও এপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং। এই ব্যাপারে আপনার দিকনির্দেশনা ও সহযোগীতা কামনা করছি। শিক্ষা ক্ষেত্রে বাংলাদেশে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সেলিম ওসামন। সারা দেশে একেবারে নেই বললেই চলে। এভাবে নিজের টাকা খরচ করে এতো গুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী করেছেন এটা আসলেই বাংলাদেশে বিরল।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ কলেজের অধক্ষ্য ড. রুমন রেজা, নারায়ণগঞ্জ কলেজের সাবেক অধক্ষ্য (ভারপ্রাপ্ত) হরমুজ আলী, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আরিফ আলম দিপু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোদাচ্ছেরুল হক দুলাল, নারায়ণগঞ্জ কলেজ গভনিং বডির প্রাক্তন সদস্য ফারুক বিন ইউসুফ পাপ্পু,সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না প্রমুখ।

RSS
Follow by Email