Mon, 22 Oct, 2018
 
logo
 

দুই দশকের সাংবাদিক জীবনের ভালোলাগা সবুজ প্রান্তর, বর্ষায় ভরাট নদী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ‘গ্রামের পরিবেশ ভালো লাগে। ভালো লাগে বর্ষায় ভরাট নদী, নীল আকাশ, সবুজ প্রান্তর, সবুজ গাছগাছালি। তাই একটুখানি সময় পেলে পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়াই কোলাহল মুক্ত কোন একটি গ্রাম, নদীর তীর কিংবা সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে।’ আমাদের কক্সবাজার আমাকে ভিষন টানে। প্রায়ই যাই সেখানে।

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর জন্মদিন উপলক্ষে নিজের ভালোলাগা-ভালোবাসাসহ নানা বিষয় নিয়ে লাইভ নারায়ণগঞ্জ’র সাথে আলাপকালে নিজের অনুভূতি ব্যাক্ত করছিলেন ইট পাথরের শহর শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম জীবন।

দুই দশকের সাংবাদিক জীবনের ভালোলাগা সবুজ প্রান্তর, বর্ষায় ভরাট নদী

১৯৬৯ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলার কাশিপুর ফরাজিকান্দা এলাকায় নানার বাড়িতে আব্দুর রশিদ এবং রহিমা বেগম দম্পতির ঘর আলো করে আসেন এ স্বনামধন্য সাংবাদিক। ৩ ভাই’র মধ্যে রফিকুল ইসলাম সবার বড় ।

শিক্ষা জীবন শুরু হয়েছে পাইকপাড়া বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। এরপর জয়গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৫ সালে এসএসসি ও ১৯৮৭ সালে নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।

দুই দশকের সাংবাদিক জীবনের ভালোলাগা সবুজ প্রান্তর, বর্ষায় ভরাট নদী

সংসারে দারিদ্রতার কারণে ডিগ্রিতে পড়াকালিন প্রবাসে পাড়ি জমাতে হয় এই সাংবাদিকের। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত জাপানে থাকতে হয়। প্রবাস থাকাকালিন সময়ই শফিক রেহমানের সাপ্তাহিক যায়যায় দিন পত্রিকায় লেখালেখি করতেন। বর্তমানে সেটা দৈনিক যায়যায় দিন পত্রিকা।

২০০১ সালে দেশে ফিরে এসে দৈনিক শীতলক্ষ্যায় ৮ বছর, ড্যান্ডিবার্তা পত্রিকায় ১ বছর ও যুগের চিন্তায় প্রায় ৮ বছর কাজ করেন। এছাড়া তিনি বহু বছর দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকায় কাজ করেছেন। বর্তমানে প্রভাবশালী ইংরেজী দৈনিক 'নিউএজ' এর জেলা প্রতিনিধি ও নারায়ণগঞ্জের জনপ্রিয় পত্রিকা 'জন্মভূমি'র সম্পাদক এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দুই দশকের সাংবাদিক জীবনের ভালোলাগা সবুজ প্রান্তর, বর্ষায় ভরাট নদী

জানতে চাইলে কথাবার্তার এক পর্যায়ে রফিকুল ইসলাম জীবন বলেন, জাপানে থাকা কালিন সময়ে যায়যায় দিনে লেখার সুবাদে অনেক মেয়েরা আমাকে চিঠি দিত। একবার তো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক মেয়ে প্রেমের প্রোপজ দিয়ে আমাকে চিঠি পাঠিয়েছিল। কারন যায়যায়দিন পত্রিকায় আমার লেখাগুলি আমার জাপানের ঠিকানা সহ ছাপা হতো। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেও প্রবাসী বাঙ্গালী ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে অনেক চিঠি পেতাম।

রফিকুল ইসলাম জীবন ১৯৯৯ সালে সুরাইয়া নাসরিন রিতার সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে তার ২ ছেলে। বড় ছেলে আবু বকর সিদ্দিক ইন্টার মিডিয়েটে ও ছোট ছেলে ওমর ফারুক ৫ম শ্রেনীতে পড়ছে।

অবসরে গান শুনতে পছন্দ করেন এই কলম সৈনিক এবং স্ত্রীর হাতে রান্না করা সরষে ইলিশ প্রিয় খাবারের তালিকায়।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম