Wed, 21 Nov, 2018
 
logo
 

তিনশতাধীক ভবনের নকশা প্রণেতা জসিম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : যানজট এবং কল-কারখানার বর্জ্য, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাসহ নানা কারণে অপরিকল্পীতভাবে গড়ে উঠা নারায়ণগঞ্জের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে নগরায়ন।

অধিক জনসংখ্যার চাপে ন্যুব্জ এই অপরিকল্পীত নগরকে যারা বসবাস উপযোগী করে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাদেরই একজন ‘ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন’। যিনি নানা প্রতিকুলতার মধ্যে দিয়েও দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় যাবত এই নগরকে স্বাচ্ছন্দ্য, পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও উন্নয়নমুখি করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

আজ (৬ এপ্রিল) সেই ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের ৪১ তম জন্মদিন। ১৯৭৬ সালে ৬ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাঠানতলীর হাজি মজলুমিয়া ও জায়েদা খাতুন দম্পতির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ৩ ভাই ও ৩ বোনের মধ্যে তিনি ২য়। তার ৪১ তম জন্মদিনে লাইভ নারায়ণগঞ্জ পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।

জসিম উদ্দিন জানান, পড়া-লেখা শেষ করে চাকরির অপেক্ষায় ছিলেন না। ১৯৯৮ সালে রায়াত বিল্ডার্স এন্ড ডেভলাপার কম্পানি তৈরি করেন তিনি। এরপর একে একে নগরীর সবচাইতে উচু ২৪ তলা ভবন টকিও প্লাজাসহ ৫৩টি আকাশচুম্বি ও ছোট বড় মিলিয়ে ৩ শতাধীক ভবন নকশা প্রনয়ণ করেছেন।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতাশ্যার প্রেক্ষিতে নিজ উদ্যোগে সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্পটে নির্মাণ করেছেন দৃষ্টি নন্দনপার্ক। তাছাড়া আর কে গ্রিন ল্যান্ড পার্কেরও তিনি নক্শা প্রনয়ন করেছেন।

জানা গেছে, ১৯৯১ সালে লক্ষ্মী নারায়ণ কটন মেইল স্কুল থেকে এসএসসি ও ১৯৯৩ সালে সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেছেন। পরবর্তীতে ঢাকা পলিটেকনিকাল থেকে ১৯৯৬ সালে ডিপ্লোমা ও ডেভলাপার এন্ড ন্যাশনাল অফ বাংলাদেশ থেকে ডিগ্র অর্জন করেন।

২০০৯ সালে ৫ মে ফাতেহা বিনতে ঐশির সাথে পারিবারিকভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বর্তমানে তিনি ২ সন্তানের জনক। জসিম উদ্দিন অবসর সময়ে পরিবার পরিজন নিয়ে কাটাতেই বেশি পচ্ছন্দ করেন।

তার প্রিয় ফুল রজনীগন্ধা, প্রিয় রঙ সাদা ও প্রিয় খাবার আম ও ফাস্টফুড। তার জন্মদিনকে ঘিরে পারিবারিকভাবে বিশেষ কোনো আয়োজন থাকে না। দিনটি অন্য আট দশদিনের মতোই কাটাতে পারে জমিস উদ্দিন।

 

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম