Fri, 21 Sep, 2018
 
logo
 

এক যুগ পেরিয়ে ‘কাউন্সিলর’ শওকত হাশেম শকু

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: তীব্র দুর্গন্ধময় পানিই ‘ফুটিয়ে’ পান করতেন ১২ নং ওয়ার্ডবাসী। ময়লা-আবর্জনা আর কাদামাটিতে ভরা ওয়াসার পানি দিয়েই এক সময় গৃহস্থলের কাজে ব্যবহার করতো। কিন্তু বর্তমানে ‘ফুটানো’ তো দূরের কথা ফিল্টারিং করতে হয়না মানুষগুলোকে।

কারণ পুরো এলাকাবাসীর মাঝে প্রতিদিন গভির নল কুপের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করছে কাউন্সিলর।


শুধু বিশুদ্ধ পানিই নয়, ১.৭৪ বর্গ কিলোমিটারের ১২ নং ওয়ার্ডের যেন পুরোটাই করে দিয়েছে ওয়াইফাই জোন। জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি সড়কেই স্থাপন করা হয়েছে অসংখ্য সিসি টিভি ক্যামেরা। এছাড়া এলইডি বাতি স্থাপন করেছে মহল্লার অলিগলীর রাস্তাতেও।


সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এলাকার প্রতিটি সড়কের দু’পাশে সারি সারি বসতবাড়ি। কোনটি একতলা-দু’তলা, আবার কোনটি বহুতল ভবন। ২৭ হাজার ভোটার বসবাস করে ওয়ার্ডটিতে। রয়েছে নারায়ণগঞ্জের ভিআইপি ও সিআইপি’দের বসবাসও। তাই স্থানিয় সাংসদের সহযোগীতায় এ সকল কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু।


তিনি বলেন, আমার এলাকায় যেহেতু বিশেষ শ্রেণির মানুষের বসবাস বেশি। তাই গত বছরের নির্বাচনে আমি ওয়াডবার্সীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম ‘ডিজিটাল ওয়ার্ড’ গড়ে তুলার। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় স্থানিয় সাংসদ সেলিম ওসমানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার উন্নয়ন করেছি।  


এছাড়া গত আমলে ৬৫ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছিলাম। এর আগে পৌরসভা থাকাকালীন সময়ে করা হয়েছে প্রায় ৪০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ। এবার তৃতীয় বারের মতো নির্বাচিত হয়ে গত এক বছরে সিটি করপোরেশনের পক্ষ ৮ কোটি টাকার রাস্তা ও ড্রেনের সংস্কারের জন্য টেন্ডার পাশ করিয়েছি। যার মাঝে ৬০ শতাংশ কাজ এরই বাস্তবায়ন হয়ে গেছে।


এই কাউন্সিলর বলেন, আমার এই ওয়ার্ডে উল্লেখ্য যোগ্য কোন সমস্যা নেই। তবে যে ছোট ছোট সমস্যা রয়েছে, সেই সমস্যা সমাধানের জন্য সকলের কাছে শুধু দোয়া চাই। আগামী নির্বাচনের আগে কারো কাছে এই ওয়ার্ডের সমস্যার কথা জানতে চাইলে অনেকেই হয়তো সমস্যা খুঁজেও পাবে না।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম