Wed, 20 Sep, 2017
 
logo
 
 

 
 
2017-09-20-10-00-27লাইভ নারায়ণগঞ্জ : একে একে চার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত শুরু হচ্ছে না নারায়ণগঞ্জের মেধাবী কিশোর তানভীর মাহমুদ ত্বকী হত্যার। এমনকী এই হত্যার নেপথ্যে কারা ছিলো সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো সুরাহ হচ্ছে না। প্রশাসনও ঢিমেতাল নীতি অনুরসরণ করে চলছে। অপরদিকে ত্বকী হত্যায় যখন গোটা দেশসহ উত্তাল নারায়ণগঞ্জ তখনই  নিখোঁজ হয় যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম...
 
সর্বশেষ শিরোনাম
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 
 
 
 
 

 
শহরজুড়ে

 

রাজনীতি
 
জেলাজুড়ে

 

অর্থনীতি

বিশেষ প্রতিবেদন
 
 
 
 
 
 
 
 

শিক্ষা
 
স্বাস্থ্য
 
ক্রিড়া
 
ধর্ম
 
জনপ্রতিনিধি
 
সাক্ষাতকার
 

ক্যারিয়ার
 
বিনোদন
 
সাহিত্য
 
মন্তব্য কলাম
 
আইন-আদালত
 
লাইফ স্টাইল
 
শুভ কামনা
 
দুর্ভোগ
 
জরুরি প্রয়োজনে
 
এ্যালবাম
Previous ◁ | ▷ Next
 
মিডিয়ায় না’গঞ্জ
কোথায় কি
 
 

ক্রয়-বিক্রয়
 
ভাড়া
 
ভ্রমন
 
ইতিহাস-ঐতিহ্য
 
 
 
 
 

শহর ও বন্দরের ‘ভোট’ ব্যবধানে হেরেছেন সাখাওয়াত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেলিনা হায়াৎ আইভী প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খানকে।

তবে ভোটের ফলাফল বিশ্লেষন করে দেখা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ আর বন্দরে দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও মূলত বন্দর আর শহরের ভোটাররাই এই বিশাল পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ সদর ও বন্দর এই তিনটি থানার ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠিত। বৃহস্পতিবার এই তিন ওয়ার্ডের ১৭৪টি কেন্দ্রে নির্বাচন হয়। ওয়ার্ড ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষন করে দেখা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়া বাকি ২৫টিতেই হেরেছেন সাখাওয়াত হোসেন। এমনকি ১২টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হলেও ২ নম্বর ওয়ার্ড বাদে বাকি ১১টিতেই সাখাওয়াত হোসেন হেরেছেন।

১৭৪টি কেন্দ্রে সেলিনা হায়াৎ আইভী পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬১১ ভোট। আর সাখাওয়াত হোসেন খান পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৪ ভোট। ভোটের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের ১০টি ওয়ার্ডে নৌকা পেয়েছে ৫৬ হাজার ৫৫৫ ভোট। এখানে ধানের শীষ পেয়েছে ৪১ হাজার ৪৯৮ ভোট। ১০টি ওয়ার্ডে ভোটের পার্থক্য ১৫ হাজার ৫৭।

সিদ্ধিরগঞ্জের ১০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২ নম্বর ওয়ার্ডে ৮ ভোটে এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আইভীকে ৭৫৭ ভোটে হারিয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন। বাকি ৮ ওয়ার্ডেই তিনি হেরেছেন। অবশ্য এখানকার বেশির ভাগ কেন্দ্রেই দুই প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে।

২০০৩ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র থাকাকালেই শহরে ব্যাপক উন্নয়নকাজ করেছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী। ২০১১ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচিত হয়ে সেই ধারা অব্যাহত রাখেন। শহরের ভোটাররাও তাই মেয়র হিসেবে তাঁকে বেছে নিয়েছেন।

শহরের ৮টি ওয়ার্ডে সেলিনা হায়াৎ আইভী ৬৪ হাজার ১৬২ ভোট পেয়েছেন। সেখানে সাখাওয়াত হোসেন পেয়েছেন ৩২ হাজার ৫৯০ ভোট। অর্থাৎ এই ৮টি ওয়ার্ডে ভোটের পার্থক্য ৩১ হাজার ৫৭২। এর মধ্যে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটের পার্থক্য সবচেয়ে বেশি। এখানে নৌকা যেখানে ১০ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়েছে, ধানের শীষ সেখানে পেয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৭০৭ ভোট।

ভোটের পার্থক্য সবচেয়ে বেশি ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। এখানে তিনি ১০ হাজার ২২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন এখানে মাত্র ৫ হাজার ৭১৯ ভোট পেয়েছেন। এর মানে কাউন্সিলর প্রার্থী বিএনপির নেতাকে ভোটাররা ভোট দিলেও মেয়র পদে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ভোট দিয়েছেন। এই ওয়ার্ডে আইভী পেয়েছেন ১০ হাজার ২৫৭ ভোট।

বন্দরের ৯টি ওয়ার্ডে বিএনপি প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন ২২ হাজার ৬১২ ভোট পেয়েছেন, সেখানে সেলিনা হায়াৎ আইভী পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৮৫ ভোট। অর্থাৎ ৩১ হাজার ২৭৩ ভোট বেশি পেয়েছেন আইভী। বন্দর এলাকার ২১, ২২, ২৫, ২৬ ও ২৭নং এই পাঁচটি ওয়ার্ডেই বিএনপির নেতারা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু এই পাঁচটি ওয়ার্ডেও সাখাওয়াত হোসেন জিততে পারেননি।