Sat, 18 Nov, 2017
 
logo
 
 

 
 
2017-11-18-12-36-30লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লা পুলিশের বিশেষ অভিযান চললেও এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে অনেক সন্ত্রাসী ও মাদক বিক্রেতা। কেউ কেউ রাজনৈতিক দলের ব্যাণারে বুক ফুলিয়ে হাঁটছে। আবার কেউ বিশেষ মহল ম্যানেজ করে করছে অপকর্ম। হাতে গোণা কয়েকজন সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার হলেও তালিকাভুক্ত সব সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগও আছে। একইভাবে অনেক মাদক বিক্রেতা এখনো...
 
সর্বশেষ শিরোনাম
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 
 
 
 
 

 
শহরজুড়ে

 

রাজনীতি
 
জেলাজুড়ে

 

অর্থনীতি

বিশেষ প্রতিবেদন
 
 
 
 
 
 
 

 

 

 

শিক্ষা
 
স্বাস্থ্য
 
ক্রিড়া
 
ধর্ম
 
জনপ্রতিনিধি
 
সাক্ষাতকার
 

ক্যারিয়ার
 
বিনোদন
 
সাহিত্য
 
মন্তব্য কলাম
 
আইন-আদালত
 
লাইফ স্টাইল
 
শুভ কামনা
 
দুর্ভোগ
 
জরুরি প্রয়োজনে
 
এ্যালবাম
Previous ◁ | ▷ Next
 
মিডিয়ায় না’গঞ্জ
কোথায় কি
 
 

ক্রয়-বিক্রয়
 
ভাড়া
 
ভ্রমন
 
ইতিহাস-ঐতিহ্য
 
 
 
 
 

শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হয়েছে নারায়ণগঞ্জে

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (এনসিসি) নির্বাচন সামগ্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে বলে দাবি করেছে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি)।

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়নে এনসিসি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ বিষয়ে অনুষ্ঠিত প্রাথিমক এক বিবৃতি প্রদান অনুষ্ঠানে সংস্থাটি এ দাবি করা হয়।

লিখিত বক্তব্যের সারসংক্ষেপে সংস্থাটি জানায়, ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এনসিসি নির্বাচনে সহিংসতা ও জাল ভোটের কোনো ঘটনা পরিলক্ষিত হয়নি। কয়েক স্থরের কঠোর নিরাপত্তায় অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল উল্লেখ করার মতো।

সংস্থাটির দাবি, সাধারণভাবে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা গেছে। ভোটাররাও সুশৃঙ্খলভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন।

এ নির্বাচনে কোনো অপকর্ম এবং অনিয়মের ঘটনা না ঘটায় ইডব্লিউজি মনে করছে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সর্বাপেক্ষা ভালো নির্বাচন; এবং সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনসমূহে সহিংসতা, ভোট জালিয়াতি এবং অন্যান্য নির্বাচনী অনিয়মের চিত্র দেখা গেছে- এ নির্বাচনের মাধ্যমে তার একটি রূপান্তর ঘটেছে বলে মনে করা যায়।

নির্বাচন পদ্ধতির বিষয়টি উল্লেখ করে সংস্থাটি জানায়, সর্বমোট ১৭৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ইডব্লিউজি ৩১টি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করছে। ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১টি ওয়ার্ড বাছাই করার পর ওইসব ওয়ার্ড থেকে ৩১টি কেন্দ্র বাছাই করা হয়। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত ভোটকেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ তালিকা থেকে দৈবচয়ন পদ্ধতির মাধ্যমে এসব কেন্দ্র বাছাই করা হয়। নির্বাচনের আগের দিন ৩১ জন পর্যবেক্ষককে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেয়া হয় এবং এসব পর্যবেক্ষকদের অনেকেরই নির্বাচন পর্যবেক্ষণের পূর্বঅভিজ্ঞতা ছিল।

ইডব্লিউজির নিয়োগকৃত পর্যবেক্ষকদের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ভোটকেন্দ্র গুলোতে কোনো সহিংসতা বা নিয়মের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। ভোটারদের বাধা দেয়া বা ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্যালট পেপার জোর করে নিযে সেগুলো সিল মারা, দুস্কৃতিকারী কর্তৃক হামলা, জাল ভোট প্রদান/কারচুপি ইত্যাদি অনিয়মের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংস্থাটির সদস্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, রেজাউল করিম চৌধুরী, নোমন আহমেদ খান ও মো. আব্দুল আলীম প্রমুখ।