Fri, 25 May, 2018
 
logo
 
No result.
 
 
 
2018-05-25-12-25-11স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: অনেকেই ফকিরকে যাকাতের টাকা দেন। কিন্তু বর্তমানে অনেক ফকিরেরই লাখ টাকারও বেশি সম্পদ রয়েছে। তাই ফকিরকেও যদি যাকাত দিতে হয়, তাহলে আগে যাচাই করা উচিৎ। রমজানের দ্বিতীয় জুম্মার বয়ানে নগরীর ডিআইটি মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল আউয়াল একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, এখনকার সময়ে যার ৪৯ হাজার টাকা পরিমান সম্পদ এক বছর যাবত রয়েছে।...
 
সর্বশেষ শিরোনাম
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 
 
 
 
 

 
শহরজুড়ে

 

রাজনীতি
 
জেলাজুড়ে

 

অর্থনীতি

বিশেষ প্রতিবেদন
 
 
 
 
 
 
 

 

 

 

 

শিক্ষা
 
স্বাস্থ্য
 
ক্রিড়া
 
ধর্ম
 
জনপ্রতিনিধি
 
সাক্ষাতকার
 

ক্যারিয়ার
 
বিনোদন
 
সাহিত্য
 
মন্তব্য কলাম
 
আইন-আদালত
 
লাইফ স্টাইল
 
শুভ কামনা
 
দুর্ভোগ
 
জরুরি প্রয়োজনে
 
এ্যালবাম
Previous ◁ | ▷ Next
 
মিডিয়ায় না’গঞ্জ
কোথায় কি
 
 

ক্রয়-বিক্রয়
 
ভাড়া
 
ভ্রমন
 
ইতিহাস-ঐতিহ্য
 
 
 
 
 

বোয়ালীয়া খাল এলাকাবাসীর অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে

লাইভ নারায়ণগঞ্জ রিপোর্ট: নারায়ণগঞ্জ শহরের মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের জন্য সুপরিচিত এবং প্রশাসনের আয়ের পথ বোয়ালীয়া খালটি পুনরায় দখলে যাচ্ছে অবৈধ দখলদারদো হাতে। এছাড়াও এ খালের আশে পাশে বসবাস কারী এলাকাবাসী ভোগ করছে চরম ভোগান্তি।

দুগন্ধযুক্ত ময়লা পানি, জলাবদ্ধতা, ডেঙ্গুমেলেরিয়া মশা, পানি বাহিত রোগ সহ নানা জটিলতার মধ্যে দিয়ে দিন যাপন করতে হছে তাদের। অন্যদিকে দিনের বেলায় জনসাধারন স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করতে পালেও সন্ধ্যার পর থেকে চলাচল করতে গিয়ে পরতে হচ্ছে ছিনতাই,পতিতাদের কবলে। এর পরও ভোগান্তির নেই কমতি রাতের বেলা চলাচল করতে গিয়ে নিরহ পথচারীরা পরছে পুলিশের কবলে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন মেয়র আইভীর আশীরবাদ আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দারিয়েছে।
নারায়গঞ্জ পৌরসভা থেকে সিটি কর্পোরেশন এ পরিনত হওয়ার পুর্বে চেয়ারম্যান আইভীর সহযোগীতায় বোয়ালীয়া খালটি অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা করেন এলাকাবাসী। এ খালটি উদ্ধার করার জন্য এলাকাবাসিকে অনেক স্বপ্নে দেখিয়েছেন চেয়ারম্যান মহাদ্বয়।
এব্যপারে একজন ভুক্তভোগী বলেন, আইভীর কথায় এ খালটি আমরা দখলদার হাত থেকে উদ্ধার করেছিলাম। তখন আমাদেরকে বলা হয়েছিলো এটা ভরাট করে রাস্তা করে দেয়া হবে। তখন আমাদের চলাচলের আর কোন সমস্যা থাকবেনা। ড্রেনেজ ব্যবস্থার আরো উন্নতি করা হবে। তখন আমরা চিন্তা করে ছিলাম রাস্তাটা হলে আমরাদের জন্য অনেক সুবিদা হবে এবং যাতায়াতের রাস্তা কমে আসবে। কে জানতো আইভী মেয়র হওয়ার পর আমাদের দেয়া কথা ভুলে যাবে। তিনি আরো বলেন, মেয়র আইভী এখন শহর বাসীকে ভুলে গিয়ে বন্দর বাসীর উন্নয়নের দিকে ঝুকে পরেছেন। আমাদের দুঃখ লাগে মেয়র আইভীর বাড়ীর সামনেও এখন জ্বলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এ খালটি ভরাট করার কারনে। কিন্তু সেই দিকে তার কোন খেয়াল নেই, তিনি মেয়র হওয়ার পর থেকে আমরা শহর বাসী তার কাছ থেকে তেমন কোন সুবিদা পাইনি। বোয়ালীয়া খালটি ভরাট করার পুর্বে আমাদের জ্বলাবদ্ধতার তেমন কোন সমস্যা ছিলোনা। কিন্তু বতর্মান এই খালটি ভরাট করার কারনে একটু বৃষ্টি হলেই জ্বলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। শুধু তাই নয় এই খালটি এখন পুরটাই মাদক ব্যবসায়ী ও  মাদক সেবীদের দখলে চলে গেছে। আমরা এখন এই খালটি দিয়ে নিরাপদে চলতে পারিনা কারন ছিনতাই, দেহব্যবসায়ী, মাদক ব্যসাই, সর্বপরি পুলিশের কবলে পরে হয়রানীর মুখে পরতে হছে। বর্তমান এই খালটি পুনরায় দখল দারদের হাতে চলে যাচ্ছে কিন্তু এনিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই।
এব্যপারে ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর খোরশেদ বলেন, জ্বরাবদ্ধাতর সমস্যা সমাধান করার জন্য আমরা কাজ করছি। অচিরেই আপনারা তা বাস্তবে দেখতে পাবেন। নারায়গঞ্জের মধ্যে ১৩নং ওর্য়াডটি হলো রাজধানী মত এখানে দ্রুত ভবন নির্মানের কারনে এই এলাকায় জ্বলাবদ্ধতার স্বীকার বেশী হতে হয়। এ জ্বলাবদ্ধতার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ৯ ফুট প্রসস্ত ড্রেনের কাজে অচিরেই হাত দেয়া হবে। তবে বোয়ালীয়া খালের বিষয়টি নিয়ে এখনো কিছু বলতে পারছিনা এটা সমাধান করতে একটু সময় লাগবে। তবে মেয়র মহাদ্বয় যে কথা দিয়েছেন তা বাস্তবায়িত হবে।
তিনি আরো বলেন, নারায়নগঞ্জের মধ্যে নুর হোসেনের পর যদি কোন মাদক স্পট থেকে থাকে তাহলো আমার ওয়ার্ডে মধ্যে। আমার বড় ভাই সাব্বির আলম মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার কারনে অকালে তাকে প্রান দিতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ হত্যা কান্ডের বিচার পেলাম না। এলাকার জনগনকে অনেক বুঝিয়েছি তারা কেউ ভয়ে এগিয়ে আসতে চায়না কারন মাদক ব্যবসায়ীদের এতোই ক্ষমতা যে তারা টাকার বিনিময়ে যে কোন কাজ করতে পারে। আমি এসব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কথা বলে আমার জীবনটাও হাড়াতে চাই না
এব্যপারে ১৪ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর মনিরুজ্জামন মনির বলেন, আমরা এই খালঠির জন্য মেয়রের সাথে কথা বলেছি ১৫ সালের মধ্যে এটার কাজ হয়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন, আমি এলাকাবাসীকে অনেক বার বলেছি আপনারা মাদক ব্যবসায়ীদের একটি লিষ্ট তৈরি করে দিন আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ্য গ্রহন করবো। কিন্তুু কেউ আমাদের সহযোগীতা করেনি পরে আমি নিজ উদ্যোগে বোয়ালীয়া খালে রাতের বেলায় কয়েক দিন অভিযান চালিয়েছি কিন্তু কোন মাদক ব্যবসায়ীর দেখা পাইনি। তাই আমি মনে করি যারা এ খালটিকে নিয়ে এধরনের কথা বলছে তারাই এ ব্যবসার সাথে জরিত।
এ ব্যপারে ১৪ নং ওর্য়াড এর সাবেক কাউন্সিলর সফিউদ্দিন প্রধান বলেন, আমি বর্তমান এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর না হয়েও ব্যক্তি উদ্যোগে অনেক কাজ করেছি যা এলাকাবাসীর কাছে জানতে পারবেন। এর চেয়ে বেশী কিছু করতে চাইলে বর্তমান যিনি দায়িত্বে আছেন তিনি আবার বাধা দিতে পারেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য আমার পক্ষ থেকে যা যা প্রয়োজন আমি চেষ্টা করেন যাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, আমি এই ওর্য়াডের দায়িত্বে থাকা কালীন সময় অনেক কাজ মেয়রকে না জানিয়ে করেছি নিজ খরচে কিন্তুু এখন অনেক কাজ করতে চাইলেও করতে পারি না। কারন এখন কাজ করার জন্য আরো একজন দায়িত্বে আছে। এখন কাজ যা করার তিনি করবেন আমরা তাকে সহযোগিতা করবো।