Mon, 27 Feb, 2017
 
logo
 

এক দিনের ভালবাসা কোনো ভালবাসা নয় : জিএম ফারুক

লাইভ নারায়ণগঞ্জ : বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি (অর্থ) জিএম ফারুক বলেন, আসলে একদিনের ভালবাসা মূলত কোনো ভালবাসাই নয়।

Read more...

সোনারগাঁয়ে লোকজ উৎসব : মেলায় মানুষের ঢল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ছুটির দিনে মানুষের ভিড় বেড়েছে সোনারগাঁ জাদুঘরে মাসব্যাপী লোকজ উৎসব। শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ স্বপরিবারে মেলায় আসেন।

Read more...

শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে সোনারগাঁওয়ে লোকজ কারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে সোনারগাঁওয়ে লোকজ কারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব। আবহমান বাংলার বিলুপ্তপ্রায় লোকজ সংস্কৃতিকে উপজীব্য করে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরে ১৪ জানুয়ারি থেকে মাসব্যাপী এ মেলা শুরু হবে।

Read more...

বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: আজ ১০ জানুয়ারি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বিজয় অর্জনের পর ১৯৭২ সালের এই দিনে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে রক্তস্নাত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন।
 
 
 
জীবন-মৃত্যুর কঠিন চ্যালেঞ্জের ভয়ঙ্কর অধ্যায় পার হয়ে সারা জীবনের স্বপ্ন, সাধনা ও নেতৃত্বের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মহান এ নেতার প্রত্যাবর্তনে স্বাধীনতাযুদ্ধের বিজয় পূর্ণতা পায়। স্বয়ং বঙ্গবন্ধু তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘এ অভিযাত্রা অন্ধকার থেকে আলোয়, বন্দিদশা থেকে স্বাধীনতায়, নিরাশা থেকে আশায় অভিযাত্রা।’
 
 
 
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে তার ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। তাকে বন্দি করে রাখা হয় পাকিস্তানের কারাগারে। বাঙালি যখন স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করছে, বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। বাঙালিদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হওয়ার পর বিশ্বনেতারা বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। আন্তর্জাতিক চাপে পরাজিত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
 
 
 
১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দিয়েছিলেন দএবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।দ ঘোষণার পর ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামের এ অভিযানের শুরুতেই পাকিস্তানি হানাদাররা বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির বাসা থেকে বন্দি করে নিয়ে যায়। গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে যান বঙ্গবন্ধু।
 
গ্রেফতার করে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি করা হলেও তার অনুপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর নামেই চলে মুক্তিযুদ্ধ। বাঙালি যখন প্রতিরোধযুদ্ধ গড়ে তুলেছে, বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসাবে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। এমনকি কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সেলের পাশে তার জন্য কবর পর্যন্ত খোঁড়া হয়েছিল।
 
জাতির মহান এক বিজয়ের ফলেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ফিরে আসেন। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর লন্ডন-দিল্লি হয়ে তিনি ঢাকায় পৌঁছেন ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। বঙ্গবন্ধু হানাদারমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন বিজয়ের মালা পরে। সেদিন বাংলাদেশে ছিল এক উৎসবের আমেজ। গোটা বাঙালি জাতি রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল কখন তাদের প্রিয় নেতা, স্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি স্বাধীন দেশের মাটিতে আসবেন। পুরো দেশের মানুষই যেন জড়ো হয়েছিল ঢাকা বিমানবন্দর এলাকায়। বিমানবন্দর থেকে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পর্যন্ত রাস্তা ছিল জনারণ্য, রেসকোর্স ময়দান ছিল জনসমুদ্র। বন্দিত্বের নাগপাশ ছিন্ন করে জাতির পিতা বীরের বেশে, বিজয়ানন্দে নামলেন বিমান থেকে। থেকে থেকে ‘জয়বাংলা’ ‘জয়বঙ্গবন্ধু’ শ্লোগানে কেঁপে উঠেছিল বাংলার আকাশ-বাতাস, রেসকোর্সেও জনাসমুদ্রে উঠেছিল উত্তাল গর্জন।
 
সেদিন দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের গণহত্যার সংবাদ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দেন, ‘রক্ত দিয়ে হলেও আমি বাঙালি জাতির এই ভালোবাসার ঋণ শোধ করে যাব।’
 
হয়তো সেই কথা রেখেছেন জাতির পিতা। হিংগ্র পাকিস্তানি হানাদাররা, যার গায়ে আঁচড় দেয়ারও সাহস দেখাতে পারেনি, সেই স্বাধীন দেশে বাঙালির মহানায়ককে  জাতির এক শ্রেণির কুলাঙ্গার-বিশ্বাসঘাতকের হাতে জীবন দিতে হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিজের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে বঙ্গবন্ধু তার কথা রেখে গেছেন। যা পৃথিবীর ইতিহাসে রাজনৈতিক হত্যাকা-ের এক বর্বর, জঘন্য কালো ইতিহাস।
 
 
ইতিহাসের বাঁকে সেই পথে খুঁজে ফিরি বঙ্গবন্ধু’র সংগ্রাম:
স্বাধীনতার আন্দোলন-সংগ্রামে বহু চরম চড়াই-উৎরাই পেরিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। পলাশির প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার দীর্ঘ ১৯০ বছর পর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারত দুটি রাষ্ট্র নতুনভাবে পথচলা শুরু করে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের মধ্যে পূর্ব পকিস্তান নামে বাংলাদেশের পথচলা প্রথম থেকেই বাংলার জনগণ মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। যার ফলে ১৯৫২ সালের মায়ের ভাষা রক্ষা করার জন্য প্রাণ দিয়েছে বাঙালিরা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ নিদের্শনায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃত্বাধীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ মায়ের ভাষা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। সালাম, বরকত, রফিকের জীবনের বিনিময়ে আমরা ফিরে পাই রাষ্ট্রভাষা বাংলা। এর পরে ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮-এর আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬২-এর কুখ্যাত হামিদুর রহমানের শিক্ষানীতিবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সারা বাংলার জনগণকে পাকিস্তানিদের শোষণ-নির্যাতন-নিপীড়ন-এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য মনস্থির করতে সাহস যুগিয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই কারণে তিনি ঐতিহাসিক ছয় দফা বাংলার জনগণের কাছে পৌঁছে দেন। ছয় দফার প্রতিটি দফায় তিনি বাঙালিদের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য উদ্ধুদ্ধ করেন। সেই ছয় দফা গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল¬ায় এমনভাবে তিনি পৌঁছে দিয়েছিলেন যে, বাংলার জনগণ এটাকে মুক্তির সনদ হিসেবে হৃদয়ে ধারণ করেছিল। ’৬৯-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ রাজবন্দিদের মুক্ত করা, সর্বোপরি ’৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার ফলেই বাঙালিরা বাংলার স্বাধীনতার চূড়ান্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ দেখতে শুরু করেছিল। ’৭০-এর নির্বাচনের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে পাকিস্তানিরা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব প্রদান করতে যখনই গড়িমসি শুরু করল, তখনই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ মার্চে দিক-নির্দেশনামূলক, কর্মপরিকল্পনার সমন্বয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে পাকিস্তানিদের প্রতিহত করার লক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে লাখো জনতার সামনে যে বক্তব্য তিনি দিয়েছিলেন, বাংলার জনগণ স্বাধীনতা সংগ্রামের শ্রেষ্ঠ নির্দেশনা হিসেবে তা গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে’। বাংলার জনগণ ঠিকই তার নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিল। ৭১-এর ২৫ মার্চ কালো রাত্রিতে হঠাৎ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র, ঘুমন্ত বাঙালির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। চালানো হয় মুহুর্মুহু গুলি। হাজারো মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয় পবিত্র বাংলার মাটি। জাতির পিতাকে ওই রাতেই গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে। গ্রেফতারের পূর্বেই তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য বাংলার জনগণকে আহ্বান জানিয়ে একটি বার্তা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের কাছে পাঠান, যা চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হান্নান চট্টগ্রাম বেতারের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে পাঠ করে দেশবাসীকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
জাতির পিতার অবর্তমানে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনাসহ দেশের সার্বিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। জাতির পিতার অবর্তমানে জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, এ. এইচ. এম কামরুজ্জামানসহ আওয়ামী লীগের নেতবৃন্দ বাংলাদেশে বিভিন্ন এলাকাকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সামরিক-বেসামরিক ব্যক্তিবর্গকে দায়িত্ব প্রদান করেন।
অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়।
এ সময় বঙ্গবন্ধু ছিলেন পাকিস্তানের কারাগারে। বারবার তাকে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তিনি বলেছিলেন, ‘আমাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করলে আপত্তি নেই, কিন্তু তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ, আমার মরদেহটা আমার বাংলার মানুষের কাছে পাঠিয়ে দিও।’
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে বাংলার স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেওয়ার পর ১৯৭২ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশের মাটিতে পা রাখেন। সেই থেকে সারা বাংলার জনগণ দিবসটিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। সারা বাংলার জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করবে।

মুক্তিযোদ্ধারা লিখবেন যুদ্ধকালীন সময়ের ঘটনা, পুরস্কৃত করবেন সেলিম ওসমান

লাইভ নারায়ণগঞ্জ : যুদ্ধকালিন সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার উপর বাস্তবচিত্র তুলে রচনা লেখার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান।

শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে জেলা প্রশাসন আয়োজিত

Read more...

যেভাবে গঠিত হলো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সব থেকে কাছের সিটি করপোরেশন নারায়ণগঞ্জ। প্রাচ্যের ডান্ডিখ্যাত এই শহর বন্দর নগরী হিসেবে বিশ্বখ্যাতি রয়েছে। তবে, বর্তমানে এ শহর শিল্প নগরী হিসেবে খ্যাত। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ ‘নিট‘ শিল্পের জন্য পুরো পৃথিবীতে প্রসিদ্ধ।

Read more...

গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এ মাসেই অর্জিত হয় বহু আকাক্ষিত বিজয়।  ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় এ মাসেই।

Read more...

উত্তরসূরী হিসেবে মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি পরিদর্শণে এসে আবেগে আপ্লুত সঙ্গীতা বন্দোপাধ্যায়

রূপগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: রূপগঞ্জে ভারতের প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক এবং মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ির উত্তরসূরী সঙ্গীতা বন্দোপাধ্যায়কে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া মঠেরঘাট এলাকায় রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

Read more...

আজ ঘটনাবহুল ও রক্তাক্ত ৭ নভেম্বর

বিশেষ প্রতিনিধি : আজ ঘটনাবহুল ও রক্তাক্ত ৭ নভেম্বর। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে যে ক্যু এবং কাউন্টার ক্যু-এর রাজনীতির সূচনা হয়। তার ধারাবাহিকতায় আসে ৭ নভেম্বর। ১৯৭৫-এর আজকের এই দিনের

Read more...

ঐতিহাসিক জেল হত্যা দিবস আগামী কাল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : কাল ৩ নবেম্বর। ঐতিহাসিক জেল হত্যা দিবস। জাতীয় চার নেতাকে, মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে ১৯৭৫ সালের এদিনে ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ।

Read more...

ঘুরে আসুন নারায়ণগঞ্জ ঐতিহ্যবাহী লোক ও কারুশিল্প ও পানাম সিটি জাদুঘর

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ছুটির দিনে ঘরে বসে আছেন? ভাবছেন অলস সময়টা কিভাবে কাটাবেন? কিংবা আপনার বাসায় কেউ বেড়াতে এসেছে তাদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কোন পরিকল্পনা আকঁছেন? সকল পরিকল্পনা ছুরে ফেলুন।

Read more...

কালিরবাজাস্থ ঐতিহ্যবাহি পুরাতন কোট লাল ভবনটি সংরক্ষণে রাখা হোক: দাবি সচেতনমহলের

নারায়ণগঞ্জ শহরের কালিরবাজাস্থ ঐতিহ্যবাহি লাল ভবনটি আর থাকছে না। এই ভবনটি আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করে রাখার দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল। কালিরবাজার পুরাতন কোটস্থ ঐতিহ্যবাহি এই ভবনটিতে থাকা জেলা ট্রাফিক অফিস, ফায়ার সার্ভিস জেলা অফিস, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক),

Read more...

আজ ১৯ মিনিটের কালজয়ী ভাষণের দিন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জঃ বাঙালির ইতিহাসে ঐতিহাসিক আরেকটি দিন ৭ মার্চ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমর ভাষণের জন্য এই দিনটি ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে আছে।

Read more...

দেড়শ বছরের ঐতিহ্যের স্বাক্ষী রুপগঞ্জের মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি

স্টাফ করেসপনন্ডেন্টঃ
প্রায় দেড়শ বছরের কালের স্বাক্ষী হয়ে আছে রূপগঞ্জের জমিদার বাড়ি। প্রাচীন ঐতিহ্য আর স্মৃতি  এখনো আলোড়িত করে এখানে এলে। একসময়ের ঘোড়ার পায়ের ঠক ঠক শব্দ, হাতীর পিটে চড়ে জমিদারদের ভ্রমন, পাইক পেয়াদার পদচারনায় মূখরিত ছিল যে বাড়িটি

Read more...

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম ২৪