Fri, 27 Apr, 2018
 
logo
 

না.গঞ্জে নিরাপদ খাদ্য আইনে চলছে কার্যক্রম, টনক নড়েনি উৎপাদকদের


লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নিম্নমানের, নকল ও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনের আওতায় নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সরকার। তবে তাতে উৎপাদক বা বিক্রেতাদের খুব বেশি টনক নড়েছে, তেমনটি নয়। এর পরও ভেজাল বা নিম্নমানের খাদ্য উৎপাদক বা বিক্রেতার তত্পরতা কমেনি। নিম্নমানের ভেজাল খাদ্য উৎপাদন বা বিক্রি ক্রমাগত স্বাস্থ্য খাতে উদ্বেগ বাড়িয়ে চলেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দৃশ্যমান উদ্যোগের পাশাপাশি ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্য উৎপাদকরা যাতে আবার তাদের উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রম শুরু করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের অপতত্পরতা বন্ধ করতে হবে। এজন্য সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর কথাও বলছেন তারা।
সূত্রমতে, মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর আওতায় জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর অপরাধ আমলে নিয়ে নিয়মিতভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও সফলতা দেখা যাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মানুষের জীবন ও সুরক্ষায় বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতির যথাযথ অনুশীলনের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে এবং একটি দক্ষ ও কার্যকর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করার জন্য ২০১৩ সালে সরকার নিরাপদ খাদ্য আইন প্রণয়ন করে, যা ২০১৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। এ আইনের অধীনে সরকার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করে। নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত তথা খাদ্যে ভেজাল রোধ কার্যক্রমে এ কর্তৃপক্ষ গঠন একটি আন্তঃসংস্থা সমন্বিত উদ্যোগ।
জানা গেছে, নিরাপদ খাদ্য আইনের আওতায় নারায়ণগঞ্জ জেলায় ১টি আদালত করা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলা পরিচালনার জন্য আদালতটিতে একজন করে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয়া হয়েছে ও খাদ্যে ভেজাল নিরূপণ ও পরীক্ষার জন্য নয়টি ল্যাবরেটরি ও এর টেস্ট প্যারামিটারকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে।
জানতে চাইলে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য মাহবুব কবীর বলেন, সবার জন্য নিরাপদ খাদ্যের অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। আমাদের লোকবলের স্বল্পতা রয়েছে, জেলায় নিজস্ব ল্যাবও নেই। তবে আমাদের চেষ্টায় কোনো ঘাটতি নেই। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদক-ভোক্তা উভয়পক্ষেরই সচেতনতা বাড়াতে হবে। অজ্ঞতা-অসচেতনতার জন্য খাদ্য উৎপাদন থেকে সরবরাহ পর্যায়ের যেকোনো সময় খাদ্য দূষিত হয়ে পড়তে পারে। এসব ক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়াতে সামাজিক উদ্যোগ নিতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম