Wed, 13 Dec, 2017
 
logo
 

অন্ধকার ফতুল্লার ভয়ংকর অলিগলি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লার অলিগলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক জুড়েও নেই  বাতি। তার উপর সড়কের বেহাল দশা। রাতের অন্ধকারে নিজস্ব বাতির আলোতে সড়কে যান চলাচল করে। অসংখ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা চুরি, ডাকাতি কিংবা ছিনতাই আতঙ্ক নিয়ে পথ চলে।

জানা গেছে, শিল্পাঞ্চল ফতুল্লায় প্রায় ৫ লাখ মানুষের বসবাস এখান। আশপাশের প্লাবন ভূমি খাল বিল নদী নালা ভরাট করে গড়ে উঠেছে জনবসতি। তাতেও বাসস্থানের চাহিদা মিটছে না। সংকট মোচনে উঠছে আকাশচুম্বী অট্টালিকা। আগে যেখানে তিন, পাঁচ, দশ কাঠা বা এক বিঘায় বসত করতো দু থেকে আট পরিবার এখন সেখানে সত্তর আশিটা ফ্লাট বাড়ি। রয়েছে রপ্তাণীমূখী তৈরি পোষাক শিল্প প্রতিষ্ঠান। কিন্তু তেমন উন্নয়ন হচ্ছে না অলিগলি রাস্তা ঘাটের। রাতে কোন আলো না থাকায়  অন্ধকারাচ্ছন্ন এইসব রাস্তাঘাট ও অলিগলি সাধারণ মানুষের কাছে হয়ে উঠে ভয়ংকর।

অন্ধকার ফতুল্লার ভয়ংকর অলিগলি

রোববার (১৬ অক্টোবর) রাতে সরেজমিনে দেখা যায়, ফতুল্লার কাঠেরপুল, রেলষ্টেশন, ফতুল্লা স্টেডিয়াম থেকে পাগলা, নন্দলালপুর সড়কগুলোর কোথাও বাতি নেই। রাস্তাগুলো খানা খন্দনে ভরা, বন্ধ দোকানের জালানো বাতির আলো ও মোবাইলের বাতি বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের রাতে চলাচলের একমাত্র  ভরসা।

স্টেডিয়াম এলাকায় অবস্থিত ডিজাইন’ নামক এক গার্মেন্টের কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক জানান, সন্ধ্যা হলেই অন্ধকার নেমে আসে ফতুল্লার সড়কগুলোতে। রাত বৃদ্ধির সাথে সাথে অন্ধকার ও নিরবতা আরো বৃদ্ধি পায়। তাই চুরি ছিনতাই’র ভয়ে রাতে গার্মেন্ট ছুটি হলে দল বেধে চলাফেরা করি।

অন্ধকার ফতুল্লার ভয়ংকর অলিগলি

ওই এলাকার একরামুল নামের এক প্রহরী জানান, পূর্বে এই এলাকায় চুরি ও ছিনতাই বেশি হতো। তবে এখন কিছুটা কমেছে। তবে এখনো মাঝে মাঝে চুরি ও ছিনতাই এর ঘটনা ঘটে। কয়েক মাস পূর্বে এখানেও বেশ কয়েক দোকানে চুরি হয়ে ছিলো।

প্রসমঙ্গ,গত রোববার (১৯ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের নন্দলালপুর এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামালউদ্দিন বলেছিলেন, নন্দলালপুরে কাকলি ডাইংয়ের পাশের গলিটি অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিলো। ওই গলির প্রবেশমুখে অজ্ঞাত পরিচয় ওই যুবককে ছুরিকাঘাত করেন দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম