Wed, 13 Dec, 2017
 
logo
 

ডিএনডি’র গলিতে গলিতে জলাবদ্ধতা, ২০১৯ সালের পূর্বেই পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা চায় ডিএনডিবাসী

গোলাম রাব্বি, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ডিএনডি’র উন্নয়নে স্থায়ী প্রকল্প হাতে নিলেও সাময়িক দূর্ভোগ কমাতে নেয়া হয়নি কোন উদ্যোগ।

চলতি বছরে দূর্ভোগ ছাড়িয়েছে অকল্পনিয়। তাই ২০২০ সালের পূর্বে আরো বেশ কয়েকটি বছর এমনই জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত থাকবে হবে ডিএনডিবাসীকে। এমনটাই মনে করছেন ডিএনডির জলবন্দি মানুষগুলো।

ডিএনডি’র গলিতে গলিতে জলাবদ্ধতা, ২০১৯ সালের পূর্বেই পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা চায় ডিএনডিবাসী

এদিকে, গত ৫ মাসের বেশি সময় যাবত ডিএনডির নিম্নাঞ্চলের মানুষগুলো পানিতেই মানবেতর জীবন যাপন করছে। আরো কত কাল থাকতে হবে এমন অবস্থার তার চাপা ক্ষোভ এখন ডিএনডি’র ঘরে ঘরে। যদিও সরকারের এ প্রজেক্টকে ভাহাবা জানিয়েছে তারা।

শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) ডিএনডি কুতুবপুরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে গিয়ে দেখা গেছে, গত সাপ্তাহের বৃষ্টির পানি প্রধান সড়ক থেকে নামলেও প্রতিটি গলিতে এখনো রয়েছে হাটু জল। নিত্যদিনের জীবিকার তাগিদে এ জলবন্দী মানুষগুলো পানি মারিয়েই আসা যাওয়া করছে। তাদের মাঝে এখনো আশঙ্কা চলতি বছর এই পানি কমবে তো! এদিকে, শীতের আগাম বার্তা এখন গ্রামগঞ্জে।

ডিএনডি’র গলিতে গলিতে জলাবদ্ধতা, ২০১৯ সালের পূর্বেই পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা চায় ডিএনডিবাসী

কুতুবপুরের কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, আপনেরা তো ভাই পানি বাড়লে শুধু ছবি তুলে নিয়ে যান, কি হয় ছবি তুলে? কতদিন পানিতে থাকতে হবে বলেন তো? আর ভালো লাগে না।

এসময় সামছুল আরফিন শান্ত নামের অপর এক ব্যাক্তি বলেন, ডিএনডির যে প্রকল্প পাশ হয়েছে। সেটা নাকি ২০১৯ সালের শেষে দিকে বাস্তবায়ন হবে। তাহলে কি আমরা ২০২০ সাল পর্যন্ত এই জলাবদ্ধতার মাঝেই থাকবো। তাই দ্রুত স্থায়ী প্রকল্পের পাশাপাশি অস্থায় ভাবে পানি নিষ্কাশন করা প্রয়োজন।

ডিএনডি’র গলিতে গলিতে জলাবদ্ধতা, ২০১৯ সালের পূর্বেই পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা চায় ডিএনডিবাসী

জানা গেছে, ২০১৬ সালে একনে’কে পাশ হওয়া ডিএনডি উন্নয়ন প্রকল্পের ৫৫৮ কোটি ২০ লাখ টাকার কাজ বাস্তবায়নের মেয়াদ কাল ২০১৯ সাল পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে ডিএনডি’র দখল হওয়া খাল পুন: উদ্ধারসহ বিভিন্ন কর্মকা- পরিচালনা করা হবে। এর মাঝে থাকবে শীমরাইলে ১৯৪ কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন ৭টি ও আদমজীনগরে ৬টি পাম্প। ফতুল্লা পাম্পিং প্লানে থাকবে ৯.৮৮ কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন ১২টি পাম্প, পাগলায় ৯.৮৮ কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন ১০টি ও শ্যামপুরে ৪.৯৮ কিউসেক ক্ষমতাসম্পন্ন ২টি পাম্প থাকবে। যার সুফল ২০২০ সালে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে পাম্প হাউজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৯৬২ সালের শিমরাইল পাম্প হাউজের পাম্পগুলো ৫১২ কিউসেক নিষ্কাশন ক্ষমতা। প্রায় ৫৬ বছর আগে নির্মিত নিস্কাশন পাম্প সমূহের কার্যকারিতা বর্তমানে হৃাস পেয়েছে। ফলে পানি নিষ্কাশনে ব্যবহারিত ১২৮ কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ও পাঁচ কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন ছোট ১২টি পাম্প বহু দিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে।

ডিএনডি পাম্প হাউজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল জাব্বার লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, এখন বর্তমানে ১২৮ কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন ৩টি ও পাঁচ কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন ছোট ১০টি পাম্প সচল রয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে দেয়া ২টি পাম্প চলছে।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম