Tue, 16 Oct, 2018
 
logo
 

‘খুব কষ্ট অইছে ওই গর্তটুকু পাড়ি দিতে’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ট্রাক বোঝাই করে পণ্য নিয়ে যাচ্ছিলেন চালক ফারুক মিয়া (৫০)। নারায়ণগঞ্জ সড়র উপজেলা এলাকায় স্টেডিয়াম-পাগলা সড়কে সৃষ্টি হওয়া বিশাল গর্ত পার হওয়ার পর ফারুক মিয়া বললেন, ‘মনে অয় পরানডা ফিরা পাইলাম। খুব কষ্ট অইছে ওই গর্তটুকু পাড়ি দিতে।’

গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণের কারণে স্টেডিয়াম-পাগলা সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই স্থান দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলছে। গর্তের কারণে গত শনিবার সকালে যাত্র্রীবাহি দুটি অটো উল্টে আহত হয়েছে স্কুল ছাত্রসহ বেশ কয়েকজন। রাতে হিমাচল পরিবহনের একটি বাস আটকে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার সকাল আটটার দিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির পুর অংশ জুরেই বেহাল অবস্থা। স্টেডিয়াম পার হলেই পশ্চিম পাশে তিনটি গর্ত। এর মধ্যে মাঝখানের গর্তটি অপেক্ষাকৃত বড়। প্রায় দেড় ফুট এই গর্ত পাঁচ ফুট লম্বা হয়েছে। অন্য দুটি গর্ত দিয়ে যানবাহন স্বাভাবিকভাবে পার হতে পারলেও মাঝখানের গর্তের কাছে গিয়ে থেমে যাচ্ছে। এতে সৃষ্টি হচ্ছে লম্বা সারি। এ ছাড়া পাশের গুদাম গুলোতে মাল লোড আনলোড করায় সারি আরও দীর্ঘ হচ্ছে। ফলে পাগলাসহ আশপাশের শিল্পকারখানার যানবাহনকে সড়কের এই অংশে গড়ে ৮ থেকে ১০ মিনিট করে থেমে থাকতে হচ্ছে।

সড়কটির পাশের দোকানী সাইদুল ইসলাম বলেন, আগে একটু ওই (পূর্ব) পাশেই আরো একটি গর্ত ছিল। অনেক ইট, সুরকি দিয়ে ঠিক হয়েছে। এখন আবার এই গর্তটি হয়েছে। এখানে যেকোন সময় পূন্যবাহী ট্রাক কিংবা লড়ি উল্টে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

শিয়াচর এলাকার বাসিন্দা মোক্তার হোসেন বলেন, এমনিতেই কারখানাগুলোতে মাল লোড আনলোডের সময় এই স্থানে যানবাহন থেমে থাকে, এরপর রাস্তায় গর্ত। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মানুষকে। গত কয়ক দিনের বৃষ্টির কারণে গর্তের আকার বড় হয়ে গেছে।

হিমাচল পরিবহনের এক পরিচালক বলেন, রাস্তায় যে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, তাতে তাঁরা বাস নিয়ে কোনো রকমে চলতে পারলেও ভারী ট্রাক চলা খুবই কষ্টকর।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম