Wed, 19 Dec, 2018
 
logo
 

নগরীতে তীব্র যানজট: নেপথ্যে ‘ড্রেন তৈরি ও রাস্তার বেহাল দশা’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারয়ণগঞ্জবাসীর ভাগ্যদশা যেন ‘অভাগা যে দিকে চায়, দরিয়া শুকিয়ে যায়’ স্বরুপ। কোনভাবেই যেন যানজটের অভিশাপ থেকে মুুক্তি পাচ্ছেনা। যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগ কঠোর হলো। কঠোরতার সাথে আইনও প্রয়োগ হলো। ফলস্রুতিতে গত ৩ দিনে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের গুণতে হলো শতাধিক মামলাসহ র‌্যাকারিং, আটক, জেল-জরিমানা।

তারপরেও দেখা মিলেনি যানজট ম্ক্তু নগরীর স্বপ্ন। এতো কিছু পরও যেই লাউ সেই কধু, যানজট রয়েই গেল। যার জন্য মূল দায়ী হিসেবে এবার জনসাধারনের ক্ষোভের তীর ছুড়ছে সিটি কর্পোরেশন ও সড়ক ও জনপদের দিকে ।
প্রথম রোজায় যানজট অনেকটা নিয়ন্ত্রিত থাকলেও, দ্বিতীয় রোজায় (১৯ মে) শহরে যানজট ফের মারাত্মক রূপ ধারণ করে। নাভিশ্বাস উঠা সেই যানজটে রোজদারদের হাসফাস উঠার উপক্রম হয়ে দাড়ায়। এসময় চাষাড়ায় জনসাধরনের সাথে আলোচনা করে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।

নগরীতে তীব্র যানজট: নেপথ্যে ‘ড্রেন তৈরি ও রাস্তার বেহাল দশা’
এ প্রসঙ্গে উত্তর চাষাঢ়ার আব্দুর মতিন মিয়া লাইভ নারায়ণগঞ্জকে জানায়, ‘এবার রমজানে যানজটের জন্য শতভাগ দায়ী হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগ। তাদের এই ড্রেন নির্মাণ ও রাস্তার বেহাল দশাতে আমাদের এই যানজটের অমানবিক দুর্ভোগ। ড্রেনের কাজটি ঈদের পর ধরলে সিটি কর্পোরেশনের কি এমনি ক্ষতি হতো। আরো সড়ক ও জনপদ বিভাগ কি মানবিকতার সব গুণ খেয়ে বসে আছে কিনা বুঝতে পারছি না।’
অন্যদিকে সহকারী পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) আব্দুর রশিদ (পিপিএম) লাইভ নারায়ণগঞ্জকে জানায়, ‘জনগণের দুর্ভোগ মুক্তিতে যানজট নিরসনে আমরা আমাদের বেস্ট প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। তারপরেও ড্রেন তৈরি ও রাস্তার বেহাল দশার জন্য যানজট নিয়ন্ত্রনে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আমি কাউকে দোষারপ করতে চাচ্ছি না। পানি নিষ্কাশনে ড্রেনেরও দরকার আছে, আবার রাস্তা মেরামতের প্রয়োজন আছে। সিটি কর্পোরেশন ড্রেন নির্মানে কাজ ধরা আগে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাথে পরামর্শ করে নিলে ভালো হতে।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম