Sat, 23 Jun, 2018
 
logo
 

এমপি’র অনুরোধেও প্রতিবন্ধকতা কাটেনি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের শিল্পকারখানা অধ্যুষিত ফতুল্লার প্রধান সড়কগুলো দখল মুক্ত থাকলেও শাখা সড়ক গুলো অবৈধ পাকিং এর দখলে। সড়কের অধিকাংশ স্থানে বড় বড় ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় ব্যক্তিরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

লুৎফর রহমান লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, এখানে প্রতিদিনই অসংখ্য ট্রাক দিনে দাঁড়িয়ে থাকে। কোন কোন দিন স্টেডিয়ামের মোড় পর্যন্ততেই সীমাবদ্ধ হয়, কখনো এই লাইন গিয়ে শেষ হয় তক্কারমাঠ হিমাচলের ডিপু পর্যন্ত।

এমপি’র অনুরোধেও প্রতিবন্ধকতা কাটেনি

স্থানিয় তরুন সামসুল আরফিন শান্ত লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, আমরা বহুবার এই ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান গুলো এখানে পাকিং করতে নিষেধ করেছি। ফ্যাক্টরী গুলোর বেশ কয়েক কর্তকর্তার সাথেও কথা বলেছি। কিন্তু তারা কথা গুলোকে কোন ভাবেই কানে নিচ্ছে না।

মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, ট্রাক গুলো ওই সড়কে অবস্থিত তুলার গুডাউনের। এছাড়া সিয়াম রি-রোলিং মিল, মেট্টো গার্মেন্টস ও বেশি কয়েকটি জুট গোডাউনে মাল নিয়ে আসে। এসময় লোড-আনলোডে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হওয়ায় সড়কের দুই পাশ দখল করে দাঁড়িয়ে থাকে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান গুলো। ফলে অফিস সময় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তীর শিকার হয় সাধারণ মানুষ।

এসময় নাম না প্রকাশ করার শর্তে অটোরিক্সা চালকরা বলেন, যে দিন এই সড়কে কাভার্ডভ্যান ও ট্রাকগুলো রাখা হয়। সেদিন অটোর জমাও উঠাতে পারি না। দীর্ঘ যানজট লেগেই থাকে।

এমপি’র অনুরোধেও প্রতিবন্ধকতা কাটেনি

জানা গেছে, সাংসদ সেলিম ওসমান এসপি অফিসের একটি মিটিং এ ওই সড়কের অবৈধ পার্কিং করার বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন। তখন নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ফতুল্লা থানার ওসি’কে বলে ছিলেন সড়কটি দখল মুক্ত করতে। কিন্তু বাস্তবে কোন দিনই সড়ক দখল মুক্ত করার জন্য পুলিশকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।

তক্কারমাঠ এলাকার বাসীন্দা আল-আমিন বলেন, অনেক সময় ট্রাক গুলোর কারণে যানজট লেগে থাকায় অর্ধেক রাস্তায় এসে হেটে স্টেডিয়াম আসতে হয়। আবার কখনো হাটা চলারও যায়গা থাকে না।

এবিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুর মোবাইল ফোনে একাধীক বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেনি।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম