Fri, 14 Dec, 2018
 
logo
 

না.গঞ্জ প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নেওয়ার স্থান লক্ষ্যা পাড়ের ওয়াকওয়ে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: জেলা শহরের হাজারো মানুষের প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নেওয়ার একমাত্র স্থান হয়ে উঠেছে শীতলক্ষ্যার পাশে ওয়াকওয়ে।

ফলে প্রতি সন্ধ্যাতেই জমজমাট হয়ে ওঠে নারায়ণগঞ্জ শহরের অবস্থিতি ৫নং ঘাট ও এর আশপাশের এলাকায়। এ সময় লাল-নীল বাতি আর হালকা অন্ধকারের মিশেলে এক অপরূপ সৌন্দর্যের চিত্র ফুটে উঠে এ শীতলক্ষ্যার পাড়ে।

শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খোলা আকাশের নিচে শীতলক্ষ্যার পাড়ে দুপুরের পর থেকে নিয়ে আসে হাজারো মানুষের কোলাহল। জমে সব বয়সী ও শ্রেণি-পেশার মানুষের আড্ডা। চলে গভীর রাত পর্যন্ত। এ আড্ডাতে দেখা মেলে দূর-দূরান্ত থেকে বেড়াতে আসা মানুষেরও। নগরীতে খেটে খাওয়া মানুষগুলোও ক্লান্তি দূর করতে আসেন এ নদীর পাড়ে। সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি এখানে আড্ডার সঙ্গে চলে নানা মৌসুমী ফল, চা, বিস্কুট, ছোলা, পেয়াজু খাওয়ার ধুম।

জানা গেছে, ২০০৯ সালের জুন মাসে হাইকোর্ট শীতলক্ষ্যা নদীসহ রাজধানী ঢাকার পার্শ্ববর্তী ৪টি নদী রক্ষায় জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএকে নির্দেশ দেয়। আর এ নির্দেশেনার পরেই ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে শীতলক্ষ্যা। এরপর জেলা ও বিআযডব্লিউটিএ যৌথ উদ্যোগে আরএস জরিপ অনুযায়ী শীতলক্ষ্যা নদীর ৩২০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। যার মদ্রে ছিল বেম কিছু বহুতল ভবনের বর্ধিতাংশ।

কাঁচপুর সেতুর দুই পাশে নদীর পশ্চিম তীওর ৫ কিলোমিটার এলাকায় নদীর তীর রক্ষায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ, ওয়াকওয়ে নিমাণের জন্য ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ শুরু করে। তারপর থেকে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর সংলগ্ন এলাকায় ওয়াকওয়ের পাশে সৌন্দর্য বর্ধনে ফুলের বাগান করে বিআইডব্লিউটিএ।

মাকসুদ নামে এক যুবক শহরতলীর ফতুল্লা থেকে এসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা জমান প্রতিদিন। তিনি বলেন, এমন সুন্দর মনোরম পরিবেশ, এখানে আসা আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের জন্য কখনো শহর থেকে দূরে গেলেও মনটা পড়ে থাকে শীতলক্ষ্যার পাড়েই।

আক্কাস আলী নামে এক দিনমজুর বলেন, সারাদিন কাজ শেষে একটু মুক্ত বাতাস আর দিঘীর পাড়ের সুন্দর পরিবেশ উপভোগ করতে এখানে প্রতিদিন আসি।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম