Fri, 20 Jan, 2017
 
logo
 

“স্বীকারোক্তি” আইনের অপব্যবহার সংস্কৃতি - এ্যাডঃ তৈমূর আলম

বিচার ব্যবস্থাকে সঠিক পন্থায় প্রয়োগের জন্য ১৯৯৮ ইং সনের ২২শে মার্চ বৃটিশ শাসিত পাক-ভারত-উপমহাদেশের জন্য “ফৌজদারী কার্যবিধি-১৯৯৮ই” নামে একটি আইন পাস হয় যা ঐ বৎসর ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।

Read more...

পুরানো পেশা বদলে পেটের দায়ে রিকশা চালাচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

দেশে হরতাল-অবরোধের ষাট দিন অতিবাহিত হলেও আমাদের দেশে রাজনীতিবীদদের বিশেষ করে দুই নেত্রীর এ নিয়ে কেন তেমন কোন মাথা ব্যথঅ নেই। একজন চাচ্ছে ক্ষমতায় টিকে থাকতে, অন্যজন চাচ্ছে ক্ষমতায় আসতে।

Read more...

জাগো হে নারী: করুণা নয়, নিজের অধিকার চাই

নারী জাগরনের পথিকৃৎ হিসেবে বেগম রোকেয়ার কথা কার না জানা ?।

Read more...

সাংবাদিকদের ঋন শোধ করতে পারলো না নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব - হাবিবুর রহমান বাদল

মন্তব্য প্রতিবেদন :
জাতির বিবেক বলে দাবিদার সেই সাংবাদিকরা নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করা উচিৎ বলে আমি মনে করি। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিকতার সাথে আমরা যারা জড়িত আমরা সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে যেন বিবেকহীন হয়ে পরছি। দেশের রাজনীতি এক সময় মিছিল, মিটিং আর স্লোগানের মধ্যে সিমাবদ্ধ ছিলো।

Read more...

দুই নেত্রীর অনড় অবস্থানে মাশুল গুনছে সাধারন মানুষ- হাবিবুর রহমান বাদল

মন্তব্য প্রতিবেদন :দেশের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের পরিস্থিতিরও প্রতিদিন অবনতি হচ্ছে। নারায়ণগরঞ্জের মানুষ সারা দেশের মানুষের মতই এক অজানা আতংকের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। অবরোধের ৩৭ দিন হতে চলল দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না।

Read more...

আমাদের জবানবন্দী বনাম ক্রশফায়ার আশংকা

আমি বা আমরা রাজনীতি করি মানবসেবা করা ও সম্মান প্রাপ্তির আশায়। আওয়ামী মিথ্যাচার-অত্যাচারে অতিষ্ঠ ও শহীদ জিয়ার সততা,দেশপ্রেম ও উন্নয়ন চিন্তায় আকৃষ্ট হয়ে বিএনপির রাজনীতিতে আমরা

Read more...

“খুব ভয় হয়”

খুব ভয় হয়, কবে না ক্ষেপে গিয়ে অগ্নি-সংযোগকারীদের বাড়ী ঘর জালিয়ে দেয় বাংলার সাধারন মানুষ। আজকে বেশ কিছুদিন যাবৎ বাংলার মানুষদের নিয়ে খেলা করছে কিছু রাজনীতির নামে অরাজনৈতিক চিন্তা চেতনার দল।

Read more...

অরাজকতা রোধে বাঁধা কে, বিএনপি-জামায়াত নাকি হলুদ সাংবাদিকতা?

প্রায় ১৬ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশ, ১৬ কোটি মানুষের জন্য প্রশাসনিক জনবল অপ্রতুল। নিরাপত্তার দিক থেকে জন্মলগ্ন থেকেই আমরা অবহেলিত। অথচ আমরা বার বার আঙ্গুল তুলি প্রশাসনের দিকে।

Read more...

বিএনপি’র ভুল আওয়ামীলীগের উশুল

হাসান মেহেদী শ্যামলঃ বিএনপির ভুলের মাশুল আওয়ামী লীগ উশুল করছে কড়ায় গন্ডায়। তারা একদিকে সরকারের বাঁধায় কোন কর্মসূচী করছে না, আর অন্যদিকে বিএনপির নেতৃত্ব কোন নির্দেশ দিচ্ছেন না। বর্তমান বিএনপি চলে কার ঈশারায় সেটাই বুঝতে পারছি না। কেউ আছে ভাই গ্রুপের কেউ দলীয় প্রধানের গ্রুপের, তাহলে বিএনপির গ্রুপের কে? কোন কর্মসূচীতে বা অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় থানার নেতারা জেলার নেতাদের কথা শুনতে চান না কেন্দ্রের নেতাদের হস্তক্ষেপ করার কারণে। তাহলে জেলা কমিটির দরকার কি? গত কয়েকদিন পূর্বে জেলা ও মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে এক বিক্ষাভ সমাবেশ ও মিছিল করেছিলো। কিন্তু সেখানে দেখাগেছে মিছিল নিয়ে ২নং রেল গেইট পর্যন্ত গেলে সদর মডেল থানা পুলিশ তাদের বাঁধা দিলে অঙ্গসংগঠনের কর্মীরা তাদের সাথে লড়াই করতে থাকে। কিন্তু জেলা কমিটির সভাপতি তার মিছিলটি নিয়ে অন্যত্রে ঘুরে যান। যার ফলে দেখাযায় বিভিন্ন কর্মীরা তাদের দলীয় কার্যালয়ে এসে জেলা কমিটির সভাপতিকে নিয়ে সমালোচনা করে। কর্মীদের সেখানে বলতে শোনা যায়, জেলার মূল নেতাই যদি পুলিশ দেখে ভয় পায় তবে আমরা করবো কি। মিছিল শেষে নিজেদের সাহস দেখানের জন্য একটি গাড়িও ভাংচুর করে বিএনপি। ঐ দিন মিছিল কর্মসূচী শেষে কার্যালয়ের ভিতরে দুঃস্থ সমাপনি পরিক্ষার্থীদের মাঝে অর্থ বিতরন করা হয়েছিলো। তারা যে অর্থ দান করেছিলো তা তাদের লোক দেখানো কর্মকান্ড। একজন পরিক্ষার্থীকে ১৫০ টাকা ও ২টি কলম দান করায় কতটুকু উপকার হবে তা শুধুমাত্র বুঝে ঐ পরিক্ষার্থীদের বাবা-মা। কিন্তু যারা অর্থ দান করেছিলেন তারা বলে বড়োচ্ছেন যে অনেক টাকা দান করেছেন। আবার দেখাগেছে উক্ত অর্থ বিতরন অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন খাঁন বক্তব্য রাখেন। যেখানে তিনি শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, অথচ তার বলার প্রয়োজন ছিলো শিক্ষামূলক বক্তব্য। সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ও পরিক্ষার্থীরা তার রাজনৈতিক বক্তব্যে একটু বিরোক্তি বোধ করছিলেন। তার এ বক্তব্যের মাঝে এক পাশ থেকে জেলা মহিলা দলের জয়েন্ট সেক্রেটারি জিসান সুরাইয়া এ বক্তব্য দিতে বারন করায় আনোয়ার হোসেন খাঁন তাকে জোরে সোরে এক ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে বললেন জানো তুমি কিছু, তুমি কি জানবা ইতিহাস সম্পর্কে। কিন্তু আনোয়ার হোসেন নিজেইতো জানেন না যে তার এ বক্তব্যে সকলের মাঝে কি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছিলো।
বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করে তাদের এসব কুকর্ম কারো নজরে পড়ে না। তাদের নেতাদের মাঝেই যদি ঐক্য না থাকে তবে তারা রাজনীতিই কিভাবে করবে আর দেশের উন্নয়নই কিভাবে করবে। তাদের কোথাও দলের কার্যালয়ে বাতি জালানোর কেউ থাকে না কিন্তু দেখা যায় গুলশানের কার্যালয়ে সারা রাত মশা মারে চেহারা দেখানোর জন্য। আর সারাদিন ঘুমায়। এগুলো কি কেউ দেখে না?
আমরা যারা সাধারণ সমর্থক তারা কি এসব নাটকের দর্শক হয়েই থাকবো? বর্তমান বিএনপির রাজনিতির জন্য শুধু নারায়ণগঞ্জেই না সারাদেশে শুদ্ধী অভিযান দরকার তাদের নাটক মুক্ত আন্দোলনের জন্য। তাদের রাতের আঁধারে দলীয় প্রধানের অফিসে চেহারা দেখানোর রাজনীতি নয় দলীয় কার্যালয় ভিত্তিক রাজনীতি সুচনা করা উচিত। আর নারায়ণগঞ্জের মতো ওই সব নেতাদের সাবধান করেন যারা কথার রাজনীতি করছে। তারা যেন কথার রাজনিতি বন্ধ করে, যাতে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়। নতুবা একদিন দেখা যাবে এ সকল ঘরকর্মী রাজনীতিবিদরা দলকে টিকিয়ে রাখতে না পেরে এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে। এতে আর কারোরই দূর্নাম হবে না হবে শুধু বিএনপির।

(লেখকঃ হাসান মেহেদী শ্যামল, বিএনপি’র সাধারণ সমর্থক )

দৃষ্টি নন্দনে অর্থাভাব, হাতিরঝিল‘র সৌন্দর্য রক্ষা কর্তৃপক্ষের “দায়”

তোফাজ্জল হোসেন কামালঃ রাজধানী ঢাকার নান্দনিক সৌন্দর্যের প্রতীক “হাতিরঝিল ”এর সৌন্দর্য রক্ষা এখন সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের “দায় ” হয়ে ঠেকেছে। প্রকল্পটির কাজ কবে শেষ হবে তার কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই,তার সাথে নেই ব্যয়ের সীমাও ।

Read more...

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম ২৪