Tue, 22 Aug, 2017
 
logo
 

নারায়ণগঞ্জে শিবিরের ক্যাডাররা ছদ্দবেশে অবস্থান করছে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাসিঁর দন্ডে দন্ডিত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহ্সান মুজাহিদের অনুসারীরা গোঁপন তৎপরতা চালানোর লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্নস্থানে একাধিক বৈঠক করেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

Read more...

দেশকে অস্থির করতে জঙ্গী তৎপর !

মন্তব্য প্রতিবেদন
হাবিবুর রহমান বাদল
একটি বিশেষ মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গী হামলা চালানোসহ বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

Read more...

কোন জায়গায় আইলাম রে মনু!

হোটেল কনরাড সিউলে'র রিসেপশনে এসে আয়োজকদের পাঠানো রুম-বুকিং-এর প্রমাণাদি দেয়ার পর, ওদের কাছে গেস্ট তালিকার সাথে মিলিয়ে শুভ সন্ধ্যার মেয়েটি মিষ্টি হাসল। তারপর বিনয়ের কোকিল হয়ে বলল — ‘ক্রেডিট কার্ড প্লিজ’। আমি বললাম— ‘কিসের কার্ড, আমি তো দাওয়াতি মেহমান। আমি কোন ক্রেডিট কার্ড ইউজ করি না।

Read more...

হাতির ঝিলে হাতিঃ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিরপেক্ষতা!

বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
বাংলাদেশের মানুষ ভাগ্যমান বটে। কারণ তারা মহান মুক্তিযুদ্ধ দেখেছে। মুক্তি যুদ্দের গৌরব অর্জন করা সৌভাগ্য সব জাতির ভাগ্য জুটে না। পাশাপাশি সামরিক সরকার, রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার, পার্লামেন্টারী সরকার, কোয়ালিশন সরকার, বেসামরিক সরকারের ব্যানারে সামরিক সরকার (যা ১/১১ সরকার নামে পরিচিত) সবই দেশের জনগণ দেখেছে।

Read more...

সা. কা. চৌ: ন্যায় বিচার সংবিধান - এ্যাডঃ তৈমূর আলম

মন্তব্য কলাম:  
“বিচার” অর্থই “ন্যায় বিচার”; যদি ব্যাপতায় ঘটে তবে তা প্রহশন। “ন্যায় ভিত্তিক আইন” বনাম “আইন ভিত্তিক ন্যায়” - এ নিয়ে সুক্ষ বিতর্ক থাকলেও বিচার প্রার্থীকে বিচার পাওয়ার সকল সূযোগ করে দেয়াটাই “ন্যায় বিচারের” পূর্বশর্ত।

Read more...

তৃণমূল কি কেন্দ্রের কর্মচারী?- তৈমূর

এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার:  
(ক) পৃথিবীময় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের লুটপাট ও রাহাজানীর নির্বাচনের বিগত সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে ৫ই জানুয়ারী/২০১৪ ইং মোট ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টি আসনে ভোটার ও প্রার্থী বিহীন অর্থাৎ বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় নির্বাচিত ও বাকী আসনে আত্নস্বীকৃতী প্রহশনমূলক নির্বাচনে মহাজোট নামে এক অদ্ভুদ সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যার মধ্যে তথাকথিত বিরোধীদল জাতীয় সংসদ, মন্ত্রী পরিষদ, উপদেষ্টাসহ রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতার অংশীদার। সরকারটি অদ্ভুদ এ জন্য যে- বৃটিশ, পাকিস্থান ও স্বাধীনতা পরবর্তী এমন পাঁচমিশালী সরকারের অভিজ্ঞতা দেশবাসী আর দেখে নাই। ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। আন্তর্জাতিকভাবে বিদ্যুতের মূল্য হ্রাস হলেও বাংলাদেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে; ফলশ্রুতিতে বাস ভাড়াসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সকল দব্য মূল্যের বৃদ্ধি উর্দ্ধগতি। সরকার যে হারে পরিবহণ ভাড়া বৃদ্ধি করেছে তার চেয়ে অধিকতর হারে ভাড়া আদায় হচ্ছে যা সরকারের নিয়ন্ত্রনে নাই। ফলে যাত্রী ভোগান্তি অতি মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। মামলা ও নির্যাতনের ভাড়ে রাজপথের জনগণের বিরোধী দল বিপদাপন্ন হলেও সংসদের বিরোধী দলের নিরব সমর্থনের ফলে বিরোধী দল কর্তৃক সংসদ বর্জন, জ্বালাময়ী বক্তব্য প্রভৃতির কথা জনগণ ভুলেই গেছে। “ঘরে থাকলে খুন বাহিরে গেলে গুম” এবং “সরকার দেশী বিদেশী কাহারো নিরাপত্তা দিতে পারছে না” মর্মে জাতীয় পার্টী প্রেসিডেন্ট এরশাদ বললেও কার্যতঃ সংসদে মিসেস এরশাদ নেতৃত্বধীন বিরোধী দলের কোন ভূমিকা নাই; একমাত্র এরশাদের “আমরা সরকার থেকে পদত্যাগ করবো” এ ধরনের লোক হাসানো বক্তব্য ছাড়া!
 
বর্তমান প্রজন্ম ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ এবং ১৯৭৫ পূর্ববর্তী বাকশাল দেখে নাই, উপলব্দি করতে পারছে কি না জানি না। তবে বাকশাল যে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা এবং মনে প্রাণে দেশবাসী তা গ্রহণ করে নাই তা অবশ্য সকলেই বুঝতে সক্ষম হয়েছে। দেশে এখন কি চলছে? কোন অন্যায় অবিচারের কি প্রতিবাদ আছে? ২২ হাজার মামলা মাথায় নিয়ে বিএনপি জেলখানায় আটক বা দিনের পর দিন কোর্টে হাজিরা দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। পুলিশ নির্যাতনে মানুষ বাড়ীতে না থাকতে পারায় দলে দলে কোর্টে আতœসমর্পন করে স্বেচ্ছায় কারাগারে চলে যাচ্ছে। আদালত চোর, ডাকাত, খুনীদের অকাতরে জামিন দেয় কিন্তু রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জামিনের সময়ই হিসাব নিকাশ শুরু হয়ে যায়। বিএনপি মহাসচিবের জামিনের প্রশ্নে মহামান্য প্রধান বিচারপতি মন্তব্য এ মর্মে প্রভাববিস্তার করেছে মর্মে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন। কেহ মূখ খুললেই হয় দুদক বা পুলিশ বা র‌্যাব বা মানহানীর মামলায় নোটিশ এসে হাজির। এমতাবস্থায়, নিবীড়ে নিভৃতে চুপ থাকাটাই জাতি নিরাপদ মনে করছে যার ফলে জাতির বিবেকও মূখ থুবড়ে পড়ে আছে। অন্যদিকে “উন্নয়ন আগে গণতন্ত্র পরে” সরকারের এ উদ্দেশ্য প্রনোদীত শ্লোগানটি হজম করানোর জন্য সরকারী দালাল বুদ্দিজীবিরা উঠে পড়ে লেগেছে।  
 
এ উপর শুরু হয়েছে মরার উপর খাড়ার ঘা। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই এবং অংশ গ্রহণ কিছুটা হলেও জনগনের হাতের   নাগালে ছিল। কিন্তু আইন করে এখন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের হাতে নেয়া হচ্ছে। আইনটি পাশ হলে এখন দলীয় ব্যানারেই নির্বাচন হবে। ফলে প্রার্থী নির্ধারনের সকল ক্ষমতা তৃণমূল থেকে কেন্দ্রে চলে গেল। নমিনেশন এখন কেন্দ্র থেকে আনতে হবে অর্থাৎ ক্ষমতা এখন কেন্দ্রের নিকট কুক্ষিগত হলো। জনাব বিচারপতি এনায়েতুর রহিম ১৩/১০/২০১৫ ইং তারিখে প্রকাশ্যে আদালতে বলেছেন যে- “আমাদের এ্যাপিলেট ডিভিশন এতোই শক্তিশালী যে তারা একজন নারীকে পুরুষ এবং পুরুষকে নারী বানানো ছাড়া সবই করতে পারে” এবং এমন ক্ষমতা পার্লামেন্টেও আছে। নমিনেশন দেয়া এবং যে কোন সময় প্রত্যাহার ও বাতিল করার ক্ষমতা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের রয়েছে। তারাও সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তৃণমূলকে কর্মচারীর মত মনে করে পুরুষকে নারী ও নারীকে পুরুষ বানানো ছাড়া যে কোন সিদ্ধান্ত যে কোন সময় (আর্মীর কমান্ডের মত) চাপিয়ে দিতে পারে। এতে লাভবান হবে তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের পরিবর্তে পারমিট শিকারীর মত নমিনেশন শিকারীরা। এ শিকারীরা তৃণমূলের রাজনীতিকে টটস্থ করে ফেলেছে। এ শিকারীদের একমাত্র কাজ দালালী এবং তোষামোদী। কারণ তারা জানে যে- যে ভাবেই হউক নমিনেশন শিকাড় করতে পারলেই তৃণমূলের নেতাকর্মীরা কর্মচারীর মত কাজ করবে এবং হচ্ছেও তাই।
 
সম্প্রতি কালের একটি উদাহারণ টেনে বলতে চাই যে- নারায়নগঞ্জ জেলাধীন বন্দর উপজেলা নির্বাচনে জেলা বিএনপি ও জেলা ২০ দল কর্তৃক চেয়ারম্যান পদে উপজেলা বিএনপি নির্বাচিত সভাপতি হাজী নুরউদ্দিন আহাম্মদ, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে সাইফুল ইসলাম ও ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পদে এ্যাডঃ মাহমুদাকে নমিনেশন দিয়েছিল।নমিনেশন পরিবর্তনের প্রশ্নে কেন্দ্র কি ভাবে তৃণমূলকে অবমুল্যায়ন করে উক্ত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের মনোনয়ন এবং নাটকীয় পরিবর্তনের ইতিহাসকে টেষ্ট কেইস হিসাবে তুলে ধরা হলো। নির্বাচনের দুই দিন পূর্বে অর্থাৎ নির্বাচনী প্রচারনা শেষ দিনে জেলা বিএনপি’র সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উর্দ্ধগত দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দসহ ২০ দলীয় ঐক্যজোট জেলার নেতৃবৃন্দ নুরউদ্দিন হাজীর নির্বাচনী প্রচারনায় বক্তব্য রাখছিলেন তখন সভা চলাকালিন সময়েই ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে কেন্দ্রীয় বিএনপি বিবৃতি প্রদান করে নুরউদ্দিন হাজীকে দল থেকে বহিষ্কার সহ স্বঘোষিত বিএনপি সভাপতিকে বিএনপি’র প্রার্থী ঘোষণা করে। ফলে জেলা বি.এন.পি মনোনীত দুইজন ভাইস-চেয়ারম্যান পাশ করলেও জেলা বিএনপি ঘোষিত চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী পাস করে নাই। কেন্দ্্েরর বুঝা উচিৎ ছিল যে- আমাদের দেশে একটি নির্বাচন তুলতে লক্ষ/কোটি টাকা খরচ হয় এবং শত হাজার নেতাকর্মীর মাথায় ঘাম পায়ে ঝড়ে। কিন্তু তৃণমুলকে কর্মচারীর মত মনে করে বিধায়ই যে কোন বিবেচনা ছাড়াই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নির্বাচনের পূর্বমুহর্তে তৃণমুলের উপর চাপিয়ে দেয়। অথচ কেন্দ্র যাকে নমিনেশন দিল স্থানীয় সরকার দলীয় এম.পি’র বক্তব্য মতে সে (নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান) তাদের (এম.পি) নিকট “নাকে খত” দিয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছে যা প্রকাশ্যে জনসভায় এম.পি মহোদয় প্রকাশ করেছেন। তাছাড়া    বিএনপি ভোটে পাশ করা এ চেয়ারম্যান জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে দেয়া অশালীন বক্তব্যের মিটিং এ বসে নিবীরে হাস্যজ্জল মূখে অংশ গ্রহণ করে আসছে। অন্যদিকে বহিষ্কারের পূর্বে শো-কজের বিধান থাকলেও তৃণমূলকে বহিষ্কার করতে কেন্দ্রের তা লাগে না। ফলে যারা বিএনপি’র নিবেদিত প্রাণ তাদের সাথে যদি কেন্দ্র তামাশা করে তবে কর্মীরা মনোবল হারাবে না কেন?
 
স্থানীয় সরকার নির্বাচন যদি দলীয় ব্যানারে হয় তবে চরম ভাবে লাভবান হবে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ যাদের সর্বোচ্চ হাই কমান্ডের চারপাশে ঘুর ঘুর করার সূযোগে রয়েছে। পার্লামেন্টের ৬০% আসন এখন ব্যবসায়ীদের দখলে। প্রশাসন ব্যবসায়ীদের দখলে। নির্বাচন আসলে প্রার্থী সিলেকসনের প্রশ্নে কর্তারাও বলে উমুক প্রার্থীর টাকা আছে, উমুক প্রার্থীর টাকা নাই। তবে কর্মী আর কর্মচারীর মধ্যে তফাৎ রইল কোথায়? আজকে একদিকে সরকার কর্তৃক রাজপথের কর্মীরা নিগৃতিত, অন্যদিক দলের কেন্দ্র থেকেও তারা বঞ্চিত। এমতাবস্থায়, ত্রীব থেকে ত্রীব্রতর আন্দোলন করার মানশিক রসদ তারা (তৃণমূল) পাবে কোথায়? ফলে রাজনীতির গুটি এখন সুবিধাবাদীদের কোর্টে দিনে দিনে চলে যাচ্ছে।  
         
দলীয় নমিনেশনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে হওয়ার কারণে এখন তৃণমূল নেতারাও তৃণমূল মূখী না হয়ে কেন্দ্র মূখী হবে। লাভবান হবে কেন্দ্র; বঞ্চিত হবে তৃণমূল ও ক্ষমতায় মসনদ পাকা পোক্ত হবে বর্তমান অনির্বাচিত সরকারের। এ সরকার অনির্বাচিত বিধায়ই ক্ষমতা তাদের হতের মূঠোয় বন্দী রাখার জন্য সরকার একের পর এক কূটকৌশল চালিয়ে যাচ্ছে যার পরিনতি জনস্বার্থের অনুকূলে হতে পারে না। তৃণমূলের উপর এটা মরার উপর খাড়ার ঘা ছাড়া আর কিছুই না।    
 
(খ) বিএনপি’কে নিয়ে সরকারের যতভাবনা। জাতীয়/স্থানীয় পত্রিকা, টক-শো, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা, রাজনীতিকদের মতামত সব মিলিয়ে সকলের নানা রকম চটকদার বক্তব্য তো আছেই; অধিকন্তু রয়েছে নেতাকর্মীদের হতাশা। লন্ডন থেকে ম্যাডাম কবে আসছেন? কি আসবেন না? বা তাকে আসতে দেয়া হবে কি? বা তিনি আসছেন না কেন? বা আসতে দেরী কেন? ইত্যাদি ইত্যাদি কোথাও হতাশা কোথাও টিপন্নী সব মিলিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে ধ্রমজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমার প্রশ্ন ম্যাডাম (দেশনেত্রী খালেদা জিয়া) দেশে থাকতেই তাকে যখন অবরুদ্ধ রাখা হয়েছে তখন সুশীল সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন, বিচার বিভাগ, তথা দেশবাসী কি ভূমিকা রেখেছেন? তৃণমূল ছাড়া কোন জাতীয় নেতা রাস্তায় দাড়িয়ে পুলিশের পিটুনী খেয়ে গণতন্ত্রের জন্য ম্যাডামের পক্ষে দাড়িয়েছেন? সুশীল সমাজ, টক-শোর গণতন্ত্রকর্মী বুদ্ধিজীবিরা তখন কেথায় ছিল যখন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ম্যাডামের গাড়ীতে হামলা করা হয়?   
         
একজন মুক্তিযুদ্ধ সেকটর কমান্ডার, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী’র পুত্র তারেক রহমানকে রিমান্ডের নামে যখন পঙ্গু করে দেয়া হয় তখন এ দেশবাসীর জাগ্রত বিবেক কোথায় ছিল?
 
১/১১ সরকারের সময় তারেক রহমান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান নাই। মানি লন্ডারিং মামলায় যে বিচারক তারেক রহমানকে খালাস দিল সে বিচারক এখন নির্যাতনের ভয়ে মালোয়শিয়া পালিয়ে গেছেন। এর পরেও ন্যায় বিচারের প্রাপ্তির আশা নিয়ে তিনি দেশে ফিরতে পারেন? তাই তারেকের দেশে ফিরা নিয়ে মন্ত্রীদের বক্তব্যের প্রতি “চুন কালি” মেরে দেয়া উচিৎ নয় কি?
 
কথায় চ্ছলে কথা অনেক বলা যায়। সমালোচনাও করা যায় অনেক। কিন্তু বাস্তবতায় নিরিখে যাচাই বাছাই করলে সমালোচকদের মূখে ফিরে আসা উচিৎ। কারণ- দেশের আইন দ্বিমূখী। প্রধানমন্ত্রীর জন্য আইন চলে এক গতিতে আর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য চলে উল্টো গতিতে এমতাবস্থায়, যারা আমাদের শেষ আশ্রয় তারা অর্থাৎ বিচার বিভাগ তারাই আমাদের কতটুকু নিরাপত্তা দিতে পেরেছেন?     
 
যিনি নেতা তিনি সব জায়গাতেই আমাদের নেতা। দেশের ভিতরে বাইরে এ নিয়ে হতাশা জন্ম দেয়া পক্ষান্তরে নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থার বহি প্রকাশ। অনেক নেতা বিদেশের মাটী বসেই দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন- কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে- দেশনেন্ত্রী খালেদা জিয়া অনির্দিষ্ট কালের জন্য দেশ ছেড়েছেন। ১/১১ এর সময় সরকারের চাপে যখন তিনি দেশ ছাড়েন নাই তাই বিদেশে তার দীর্ঘবাসের আলোচনা একটি সমালোচনা ও অপপ্রচার মাত্র।
 
দৃষ্টিভঙ্গির উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। “দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টান সব কিছু বদলে যাবে” এটা একটা শ্লোগানে পরিণত হয়েছে। দুর্বলের চেয়ে সবলের প্রতি সকলের সমর্থন থাকে এ দৃষ্টিভঙ্গি পূর্বেও পাল্টায় নাই ভবিষ্যতেও পাল্টাবে না; তবে কথার ফুলঝুড়িতে কেহ কারো চেয়ে কম যাচ্ছে না।

নারায়ণগঞ্জে গঠনমূলক রাজনৈতিক চর্চা হচ্ছে না

হাবিবুর রহমান বাদল:
নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদল উভয় পক্ষের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণ চাঞ্চল্য নেই বলা চলে।

Read more...

জঙ্গী আছে, জঙ্গী নাইঃ রাষ্ট্র আছে কোথায়?- তৈমূর

এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার:
(ক)  আর কেহ না জানুক, তবে সরকার প্রধান নিশ্চয় জানেন যে, সংবিধানের ৬৫(২) ধারা মোতাবেক - প্রতক্ষ্য ভোটের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ ৩০০ আসনে নির্বাচনের কথা (সংঙ্গা) বলা হয় সে মোতাবেক এ সরকার একটি নির্বাচিত সরকার নহে। সরকার নির্বাচিত নহে যার বিপরীতে সরকারের দাবী তারা নির্বাচিত।

Read more...

জাতির গৌরবের আরেকটি দ্বার উম্মোচিত হউক- তৈমূর

এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার:
জট: যানজট, শেসন জট, জল জট, মামলার জট প্রভৃতির একটিই কারণ যা ইংরেজীভাষায় SYSTEM LOSS বা MISS MANAGEMENT অর্থাৎ অব্যবস্থাপনা, যে জন্য আজ জাতির নাভীশ্বাস। এটা দীর্ঘ দিনের পুঞ্জভূত সমস্যার বহিঃপ্রকাশও বটে।

Read more...

কারাগারের স্মৃতিতে তারেক রহমান- তৈমূর

এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার: তারেক রহমান গ্রেফতার হওয়ার দু’দিন পূর্বেই হাওয়া ভবনে তার সাথে সর্বশেষ কথা হয়।

Read more...

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম ২৪