Sun, 30 Apr, 2017
 
logo
 

শিক্ষকরা কেন বৈষম্যের শিকার

সীমান্ত প্রধান, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : আমরা মানুষ। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত শিখছি। আমাদের শিক্ষানবিশি চলমান প্রক্রিয়া। চলতেই থাকে জীবনভর। আমরা প্রতিদিনই শিখি। জীবনযাপনের

Read more...

শামীম ওসমানের বিচার হলো না কেন?

গৌতম রায় : শামীম ওসমানের ফাঁসি হলো না কেন? তার বিচার হলো না কেন? কতিপয় মানুষের এমন আর্তনাদ দেখে হাসি পাচ্ছিল। কি দারুন বাংলাদেশ।

Read more...

খোলা চিঠি : প্রধানমন্ত্রী দয়া করে একটু নজর দিন

প্রিয় মমতাময়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি খোরশেদ আলম ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় নন-ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত তরুণ চাকুরী প্রত্যাশী আপনার সদয় সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি !জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মত আপনি

Read more...

‘শামীম ওসমানরা দলের ক্রান্তিকালীন ডিফেন্স প্লেয়ার’

সাইফুল বিপ্লব: সেলিনা আইভীরা হায়ার করা স্ট্রাইকার হলেও শামীম ওসমানরা দলের জন্য ক্রান্তিকালীন ডিফেন্স প্লেয়ার। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শামীম ওসমান, জয়নাল হাজারীরা ছিলেন বলেই প্রতিপক্ষের স্টিমরোলারের উপর দাড়িয়েও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কখনো অস্তিত্ব সংকটে পড়েনি।

Read more...

রাজনীতির মাঠ যখন গরুর হাট

এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার:

বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম।
দেশে এখন রাজনীতি নাই। যেখানে গণতন্ত্র থাকে না সেখানে “রাজনীতির” সংস্কৃতি উঠে গিয়ে তোষন নীতির প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আমাদের দেশে চলছে সেটাই। রাজনীতিবিদদের হাত থেকে রাজনীতি চলে যাওয়ার কারণেই “রাজনীতি” দিন দিন নির্বাসিত হতে চলছে। রাজনীতিতে রাজনীতিবিদদের স্থান দখল করেছে টাকা ওয়ালারা। “টাকা” রাজনীতির মাঠ দখল করার কারণে রাজনৈতিক দলেও টাকার কদর বাড়ছে। ফলে মাঠের রাজনীতিক অর্থাৎ ত্যাগী নির্যাতিতদের পরিবর্তে টাকা ওয়ালারাই দলের বিভিন্ন পদবী দখল করে নিচ্ছে, উৎছিষ্ট থাকে তাদের জন্য যারা রাজনীতির মাঠে চুঙ্গা ফুকে, রৌদ্রে পুড়ে এবং বৃ্িষ্টতে ভীজে পুলিশের দ্বারা নিগৃত হয়ে জীবন কাটায়। নমিনেশন বানিজ্যও ঠিক অনুরূপ। “দশচক্রে ভগমান ভূত”। সে কারণে দলের যিনি সর্বময় ক্ষমতার মালিক তার আশে পাশে যারা থাকেন তাদের লবিং গ্রুপিং এর কাছে দলের কর্তা অসহায় বনে যায়, যার ফলশ্রুতিতে বানিজ্য বানিজ্যই থেকে যায়, মাঠের কর্মীদের জন্য থাকে শুধু “সান্তনা।”

আমাদের দেশের বড় বড় দলগুলিও রাজনৈতিক দল হিসাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিতে পারে নাই, যার দৃষ্টান্ত (প্রাতিষ্ঠানিক রূপ) রয়েছে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে। যে সকল দল প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিতে পারে নাই তারা যে কোন সময় অস্তিতের সম্মূখীন হয়, যেমনটি হয়ে ছিল ১/১১ এর সময়। সে সময়ে অনেক দলই গর্তে পড়ে ছিল, কেহ কোমড় সোজা করে দাড়াতে পেরেছে, কেহ পারে নাই, এর কারণ কি?

“ভালোবাসার” ভাবাবেগে কথা বললে হবে না। বাস্তবতার নিরিখে চিন্তা করতে হবে। একটি রাজনৈতিক দল, একটি প্রতিষ্ঠান, যার অনেক দায়িত্ব। শুধু নতুন নতুন লোককে ধরে এনে লবিং গ্রুপিং এর ভিত্তিতে পদায়ন করাই রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব নহে। আস্থাশীল কর্মী এবং কর্মী থেকে নেতা সৃষ্টি করাও দলের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব, যাদের উপর ভিত্তি করে আপদকালিন সময়ে দল টিকে থাকবে।

বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান থাকা কালিন (২০০১-২০০৬) ঢাকা-আগরতলা আন্তর্জাতিক বাস সার্ভিস চালু করার জন্য আমি বেশ কয়েকবার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় গিয়েছি। সেখানকার পরিবহন মন্ত্রীই পদাধিকার বলে “ত্রিপুরা রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের” চেয়ারম্যান। ফলে মন্ত্রীদের সাথে বিভিন্ন ধরনের আলাপ চারিতার মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক দল, সরকার গঠনের পদ্ধতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হতো। মানিক সরকার ত্রিপুরা রাজ্যের চীফ মিনিষ্টার, বিদ্যুৎ মন্ত্রীর নামও মানিক চন্দ্র দাস। দু’জনের স্ত্রীই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। নিজ স্ত্রী সহই তাদের বাড়ীতে নাস্তা খেয়েছি। আমার পরিবারের সাথে একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক তাদের সাথে গড়ে উঠে ছিল। রাজনৈতিক দল গঠন ও পরিচালনা সম্পর্কে ভাবের আদান প্রদানের সূযোগে গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। বিদ্যুৎ মন্ত্রী মানিক বাবু বললেন যে, “আমি একজন সাধারণ কর্মী থেকে মন্ত্রী হয়েছি। দলে যোগদানের পর সাংগঠনিক কাজ করেছি। দল প্রথমে আমাকে পঞ্চায়েতে নমিনেশন দেয়, পরে দলের নমিনেশনে জেলা বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হই। জেলা বোর্ডের সময় (ঞঊঘটজঊ) শেষ হওয়ার পর দল আমাকে নমিনেশন না দিয়ে ৫ বৎসর দলের জন্য কাজ করতে বলে এবং আমাকে দলের জেলা শাখার সেক্রেটারী নিযুক্ত করা হয়েছে। ৫ বৎসর দলের কাজ করার পর রাজ্যসভায় সদস্য পদে আমাকে নমিনেশন দিলে আমি এম.পি নির্বাচিত হওয়ায় আমাকে মন্ত্রী সভায় সদস্য করে বিদ্যুৎ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।” মানিক বাবু আরো বলেন যে, “আমাদের দলে পদ পাওয়ার জন্য লবিং করার কোন সূযোগ নাই, দলের কাজ করলে দলই সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক মূল্যায়ন করে, আমাদের দলে যা হয় সবই আলোচনা ভিত্তিক।”  

-২-

বিদ্যুৎ মন্ত্রী মানিক বাবুর সাথে আলোচনার পর আমাদের দেশের রাজনৈতিক দল সম্পর্কে তুলনামূলক তারতম্য করার চেষ্টা করে দেখি যে, আমরা চলছি উল্টো পথে। আমাদের দেশে কর্মীর কোন মূল্যায়ন নাই। এ দেশের রাজনীতি চলে লবিং গ্রুপিং এর উপর। ফলে লবিং গ্রুপিং এর পাইপ দিয়ে খাটি সোনার পরিবর্তে আবর্জনা প্রবেশ করে। এ “আবর্জনা” যাদের সাথে জনগণের কোন সম্পর্ক না থাকলেও ঢাকার আর্শীবাদের সুবিদে তারাই হয়ে যায় দন্ডমূলের মূল কর্তা।

একটি দলের যিনি মূল কর্তা, তিনি যখন গণবিচ্ছিন্ন লোক দ্বারা (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) বেষ্টিত হয়ে যান (সে সব লোকেরাই ব্যাপক লবিং, গ্রুপিং ও দলবাজীর অভিযোগে অভিযুক্ত) তখনই দলে ঘুনে ধরা শুরু হয়। কোন দলের নেতা যখন ঢাকায় প্রতিষ্ঠা লাভ করেন তখন তিনি “ধরাকে সড়া” জ্ঞান ধারন করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রুপিং সৃষ্টি করেই দলের কর্তৃত্ব রক্ষা করেন। দল যখন বিরোধী প্লাটফর্মে থাকে ও ক্ষমতাসীনরা স্বৈরাচারী ভাবধারায় রাষ্ট্র পরিচালনা করে তখন দলকে শক্তিশালী করার জন্য তৃণমূলের সাথে সম্পর্ক দৃঢ়তর করতে হয়। কিন্তু দূরবৃত্তয়ায়নের রাজনীতিতে নেতাদের ব্যবহার হয়ে যায় উচ্চ পদস্থ আমলাদের মত, তৃণমূলের কর্মী দেখলে যাদের গাঁ জ্বালা উঠে এ ভেবে যে, তৃণমূল যদি কেন্দ্রীয় নেতাদের নিকট কিছু চেয়ে বসে! প্রকৃত পক্ষে দলের প্রশ্নে তৃণমূলে কোন বিরোধ নেই, এক গ্রুপ আন্দোলন করে, অন্য গ্রুপ ঢাকাকে লবিং করে। তবে লবিং কারীরা সংখ্যায় বেশী বলে আন্দোলনকারীরা কন্ঠ ভোটে হারিয়ে যায়। বিরোধ এখানেই।

দূরবৃত্তায়নের রাজনীতিতে লাভবান হয় চট্টগ্রামের মঞ্জুরের মত লোকেরা, নীতির প্রশ্নে যাদের লাজ¦ শরমের বালাই নাই। দলগুলিও ক্ষমতা যাওয়ার শিরি হিসাবে এ নিঃলজ্জ লোকদের ব্যবহার করে বটে, কিন্তু স্বার্থহানি ঘটলে যখন বৃদ্দাঙ্গুলি প্রদর্শন করে দল ত্যাগ করে তখন পড়ে দলের মাথায় হাত। আমাদের দেশে দলগুলি এতো পরষ্পর প্রতিহিংসা পরায়ন যে, লাজ্ব শরমের মাথা খেয়ে তারাও “সময়ের সন্ধিক্ষনে” ত্যাগী নেতাকর্মীদের চেয়ে দলছুটদের বেশী প্রাধান্য দেয়। ফলে মধু খেয়ে দলছুটেরা যখন দল ছেড়ে চলে যায় তখন দলের কি ক্ষতি করে গেলো, কার বা কোন প্ররোচনায় দল ছুটকে দলের নমিনেশন বা পদ পদবী দেয়া হলো তা নিয়ে বিচার বিশ্লেষন করার তখন সময় আর থাকে না। রাজনীতিতে দূরবৃত্তায়ন আছে বলেই আওয়ামী লীগ থেকে ছুটে আসা চট্টগ্রামের মেয়র মঞ্জুর পুনরায় আওয়ামী লীগে যাওয়ার সূযোগ পাচ্ছে, মাঝ পথে মধু যা খাওয়ার তা খেয়ে গেছে, এটাই দূরবৃত্তদের রাজনৈতিক খেলা।
 
একটি ঘটনা জানি। একই ব্যক্তি আওয়ামী লীগের দলের সমর্থনে ইউ.পি চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টীর সমর্থনে উপ-জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টী ক্ষমতাচ্যুৎ হলে পুনরায় আওয়ামী লীগে যোগদান, পরে ১৮ দিন (১৯৯৬) পূর্বে বিএনপি’তে যোগদান করে এম.পি নমিনেশন ও জয়লাভ। ঐ এলাকায় নিশ্চয় দলের নেতা কর্মী ছিল। দেশে যদি দূরবৃত্তয়ানের রাজনীতি চালু না থাকতো তবে একই লোক সময় ও সূযোগ মত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে এ ভাবে ব্যবহার করার সূযোগ পেতো না, যার ন্যায্য প্রাপ্য ছিল নিজ দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীদের। রাজনৈতিক অংগনে নিজ দলের নেতাকর্মীদের উপর যারা আস্থা রাখতে পারে না বা আস্থাশীল নেতা তৈরী করতে পারে না, সেখানে গরুর হাটের মত বেচা বিক্রি তো চলবেই। রাজনীতির মাঠ যখন গরুর হাটে পরিনত হয় তখন দূরবৃত্তায়নের শিকড় আরো গভীর থেকে গভীরে যেতে থাকে।

আরো একটি ঘটনা জানি। নিজ জেলার বন্দর থানাধীন কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সন্ধ্যা রাত্রে একজনকে দলীয় নমিনেশনের কাগজ দেয় হয়, একই নমিনেশন গভীর রাত্রে দেয়া হয় আরেক জনকে। অথচ যাকে সন্ধ্যা রাতে নমিনেশন দেয়া হয় তার নমিনেশন পরিবর্তন করার বিষয়ে দল থেকে একটুও সান্তনা দেয়া হয় নাই। দলকে বুঝতে হবে যে, কর্মীরা দলের কর্মী, কর্মচারী নহে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় এভাবেই একই দলে বিরোধ কেন্দ্র থেকেই সৃষ্টি করে দেয়া
-৩-

হয়ে থাকে। এভাবেই স্থানীয়ভাবে যখন বিরোধের আগুন সৃষ্টি হয় কেন্দ্র থেকেই ঘি ঢেলে তা আরো তীব্রতর করা হয়। ফলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রের নিকট অসহায় হয়ে যায়। এ সবের পিছনে রয়েছে (রাজনৈতির উপর) দূরবৃত্তদের প্রচন্ড প্রভাব।
 
এভাবেই রাজনীতিতে ঝণঝঞঊগ খঙঝঝ প্রকট আকার ধারন করেছে। দল সংগঠিত করার চেয়ে “মার্কা” শিকাড়ের প্রতি দূরবৃত্তরা ঝুকে পড়েছে। মার্কা শিকারে একবার সফল হতে পারলে পিছনে আর তাকাতে হয় না। কারণ ক্ষমতায় গেলে দল তখন কর্মী ভিত্তিক থাকে না, হয়ে যায় এম.পি ভিত্তিক। এম.পি নির্বাচিত হতে পারলেই নিজ এবং আতœীয় স্বজন ছাড়া আর কেউকে চিনে না। নিজ দলের লোককে ক্রস ফায়ারে দেয়া বা জেলে দেয়ার নজীর বেশী দূরে নহে বরং হাতের কাছেই পাওয়া যায়। এ ভাবেই দূরবৃত্তদের কবলে পড়ে দলকে হাবুডুবু খেতে হয়।    

পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তৃণমূলের নিকট এম.পিদের জবাবদিহি করতে হয়, কিন্তু আমাদের দেশে রাজনৈতিক পরিমন্ডলে তা নাই। ক্ষমতায় গেলে দলের হোতারা কালো চশমা পড়ে। সকল কর্মকান্ড চলতে থাকে এম.পি’র ইচ্ছা/অনিচ্ছার উপর। ফলে দল এম.পি’র নিকট অসহায় হয়ে পড়ে। তখন এম.পিকে ঘিরে আতœীয় স্বজনদের পৃষ্টপোষকতায় একটি চাটুকারও দখলদার বাহিনী গড়ে উঠে। তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা ভাগবাটোয়ারার ভাগিদার না হলেও, এম.পি বাহিনীর অপকর্মের সকল দায় দায়িত্ব দলের উপর বর্তায় বলে ক্ষমতাসীন অবস্থায়ই দল জনপ্রিয়তা হারাতে থাকে, যার টের পাওয়া যায় পরবর্তী নির্বাচনের সময়।

এলাকারগুরুত্ব অনুযায়ী থানার ও.সি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) পোষ্টিং হয়। পূর্বে চাহিদা মত থানায় পোষ্টিং নিতে লক্ষ টাকার অংকের সীমার মধ্যে থাকলেও এখন তা কোর্টীর কোঠায় উর্ন্নীত হয়েছে। মামলার কারণে ঘুষ আদান প্রদান ছাড়াও থানাধীন সকল কর্মকান্ড থেকে ও.সি একটি অংশ পেয়ে থাকে। পূর্বে যে টাকা মাসোয়ারা দিলে চলতো, এখন তা বৃদ্দি পেয়েছে। যার কারণ পোষ্টিং এ দক্ষিনার পরিমাণ বৃদ্ধি। এম.পিরা সব জায়গায় ভাগ বাটোরা বসায় এবং এর কারণ হিসাবে তারা একই কারণ/যুক্তি প্রদান করে, যা ও.সি’রা সুবিধাজনক থানায় পোষ্টিং এর জন্য খরচ করে থাকে।  

প্রসঙ্গতঃ মনে হচ্ছে যে, বাংলাদেশ একটি বিগ ব্রেড (বড় পাউরুটি)। এ পাউরুটীকে চাকু দিয়ে ৩০০+৪৫=৩৪৫ ভাগে ভাগ করার জন্য ৩৪৫ জনের উপর প্রতি বৎসর “নির্বাচন” নামক একটি পদ্ধতির মাধ্যমে ক্ষমতা প্রদান করা হয়। এম.পি নির্বাচিত হয়েই তারা ভবিষ্যতে নির্বাচিত হওয়ার জন্য অর্থ মজুদ করতে থাকে এবং এ জন্য যাচাই বাছাই ছাড়াই ব্যাপক দূর্নীতির পাহাড় গড়ে তোলে। অন্যদিকে তার মৃত্যুর পর কোন ছেলেটি এম.পি হবে তা নিয়ে পরিকল্পনা করতে থাকে। এতে চুঙ্গা ফুকানো অনেক নেতাকর্মীরা ডাষ্টবিনে চলে যায়, ক্ষতিগ্রস্থ হয় দল, নিরাপদ হয় এম.পি’রা - দলীয় প্রধান এ বিষয়টি উপলব্দি করতে পারেন কি?

একটি রাজনৈতিক দলে একজন কর্মী যখন সঠিকভাবে মূল্যায়িত না হয় তখন সে স্বাভাবিক কারণেই হারিয়ে যায়। অরিজিনাল লোক হারিয়ে গেলে সেখানে বাসা বাধে দূরবৃত্তরা। আকাশ যখন ভালো থাকে তখন দূরবৃত্তদের দেখা যায়, মেঘ জমলে এদের টিকিটিও দেখা যায় না। দলে যখন আবার বসন্ত ফিরে আসে তখন তাদের প্রভাবে তৃণমূলের মূল কর্মীরা হারিয়ে যায়। কারণ ঢাকা এসে বড় নেতাদের সাথে লবিং গ্রুপিং করার ধৈর্য তৃণমূলের থাকে না।

-৪-

পার্শবর্তী রাষ্ট্র ভারত। বাংলাদেশের প্রতি তাদের যে আচরন তার অনেক বিষয়ই সমর্থন করি না। কিন্তু রাজনৈতিক পদ্ধতি, দল গঠনের কর্মী মূল্যায়নের প্রক্রিয়া কে সমর্থন করি। কি ভাবে রাজনৈতিক দল গড়তে হয় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া তাদের নিকট থেকে অনেক শিক্ষার রয়েছে। কিন্তু আমরা চলছি গণতন্ত্রের পরিবর্তে রাজতান্ত্রিক পদ্ধতিতে, যেখানে তৃণমূলের মতামত গুরুত্ব পায় না।

রাজনৈতিক পরিমন্ডলে নতুন করে একটি শব্দ চায়ন শুরু হয়েছে। শব্দটি ছোট তবে ব্যয় বহুল। “গধরঃধরহ করা।” আগে শুনা যেতো আন্দোলন সংগ্রামে কার কতটুকু ভূমিকা আছে বা ছিল। এখন আলোচনা হয় কে কোন নেতাকে (বড় নেতা) গধরঃধরহ করে। কে কার বিদেশ যাওয়ার টিকেট কিনে দেয়, কার বাড়ীর পর্দা কে লাগায়, কে কার চিকিৎসার খরচ বহন করে, কে কাকে বাজার দেয় প্রভৃতি প্রভৃতি। ফলে উভয় পক্ষই লাভবান, কিন্তু ক্ষতিগ্রস্থ হয় তৃণমূল যাদের ঘাম শুকানোর পূর্বেই আরেকটি ঘম্মাক্তক পরিবেশের জন্য তৈরী হতে হয়। আমার এ লেখা কাউকে আঘাত দেয়ার জন্য নয় বরং আতœসুদ্ধি ও উপলব্দির জন্য।

রাজনৈতিক পরিমন্ডল এতোটা প্রতিহিংসা পরায়ন ও নোংরা কোন দিনই ছিল না। পার্শবর্তী রাষ্ট্র সহ যে কোন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এক কাপড়ে কোন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বাড়ী থেকে বের করে দেয় না, কোন পুরষ্কার প্রাপ্ত যোদ্ধার খেতাব বা কবর সরিয়ে নেয়ার হুমকি দেয় না, রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের মদদে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপর হামলা, পুলিশের অনুমতিক্রমে বিরোধীদলের সভা করার স্বঙ্গতি, পুলিশ দ্বারা বিরোধী দলের সভা বানচাল প্রভৃতি ঘটনা গণতন্ত্রকে দূরে ঠেলে দিয়ে রাজতন্ত্রকে হাতছানি দিচ্ছে।

আদালত মানুষের শেষ আশ্রয়। আইন সকলের জন্য সমান। এ দেশে আইন দুভাগে প্রয়োগ হয়। একই আইন সরকারী দলের জন্য যা মধু বিরোধী দলের জন্য তা বিষ। একই ধারায় মামলা যা থেকে প্রধানমন্ত্রী খালাস আর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য কারাভোগ! এ মর্মে ভবিষ্যৎ প্রজম্মের নিকট আমাদের জবাব কি? এ বিষয়গুলি কি দূরবৃত্তায়নের সীমারেখা পড়ে না?     

লেখক
কলামইষ্ট ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা
মোবাঃ ০১৭১১-৫৬১৪৫৬

বাবা হলো বিশ্বের অদ্বিতীয় আলো

জাহাঙ্গীর ডালিম : আজ বিশ্ব বাবা দিবস। মাকে যেমন ভালবাসি বাবাকে ঠিক তাই। এই দু’জনের তুলনাতে অন্য কেউ নেই। বাবার আদর বাবার মতো অবিরত হাসি/ ভাবার øেহ যতœ পেয়ে অনেক ভালবাসি/ আকাশ যেমন তেমন বাবার উদার আকাশ মন/ এসব কথা ভাবতে থাকি একলা যতক্ষণ/ সেই বাবাকে মনের ঘরে যতœ করে রাখা / বাবার প্রতি অঢেল সম্মান প্রদর্শন করে এগিয়ে চলি প্রতিনিয়ত।

Read more...

মাদক আমাদের জীবনে এক অভিশাপ

মাদকের বিস্তার আমাদের সমাজ কে এমনভাবে ঘিরে ধরছে যে মনে হয় নেশার এই নির্মম ছোবল থেকে আমাদের ভবিষ্যৎ নতুন প্রজন্ম কে রক্ষা করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ছে।

Read more...

খারাপ ছেলে, তবু গর্ব করে বলি 'আমি' রাজনীতি করি

মশিউর রনি: যদি কোন বয়স্ক চাচা কে প্রশ্ন করা হয় পাড়ার সব চেয়ে খারাপ ছেলে কোনটি, চাচা মিয়ার প্রথম টার্গেট হবে সক্রিয় রাজনীতি করা ছেলেটি। যদি বলা হয় কেন ছেলেটি খারাপ , আপনার কোন ক্ষতি করছে , জবাব আসবে না।

Read more...

আসল শাস্তি থেকে বেঁচে গেলেন শ্যামল কান্তি!!!

রবিন বিল্লাল: হরহামেশাই বিদ্যালয়ের নিজ শিক্ষকদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয় ছাত্র-ছাত্রীরা । শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে, শিক্ষক কক্ষে, প্রশিক্ষণ মাঠে, প্রশিক্ষক কক্ষে, আবাস কক্ষে সর্বত্রই নির্যাতিত হচ্ছে।

Read more...

মায়ের ভালবাসা কখনো ফুরোনোর নয়

বিশ্ব “মা” দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রোববার। এবার ৮ই মে বিশ্ব মা দিবস পালিত হবে। মা ত্রিভূবনের সবচেয়ে মধুরতম অপার্থিক শব্দ। মা কথাটি ছোট্ট হলেও মা-ই বসুন্ধরা, মমতার আধার তার সহজাত মমত্ব দিয়ে সন্তানকে আগলে রাখেন অসামান্য দরদে। সন্তানের রোগে- শোকে মাও আক্রান্ত থাকেন একই তম্বীতে।

Read more...

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম ২৪