Mon, 27 Mar, 2017
 
logo
 

খারাপ ছেলে, তবু গর্ব করে বলি 'আমি' রাজনীতি করি

মশিউর রনি: যদি কোন বয়স্ক চাচা কে প্রশ্ন করা হয় পাড়ার সব চেয়ে খারাপ ছেলে কোনটি, চাচা মিয়ার প্রথম টার্গেট হবে সক্রিয় রাজনীতি করা ছেলেটি। যদি বলা হয় কেন ছেলেটি খারাপ , আপনার কোন ক্ষতি করছে , জবাব আসবে না।

Read more...

আসল শাস্তি থেকে বেঁচে গেলেন শ্যামল কান্তি!!!

রবিন বিল্লাল: হরহামেশাই বিদ্যালয়ের নিজ শিক্ষকদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয় ছাত্র-ছাত্রীরা । শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে, শিক্ষক কক্ষে, প্রশিক্ষণ মাঠে, প্রশিক্ষক কক্ষে, আবাস কক্ষে সর্বত্রই নির্যাতিত হচ্ছে।

Read more...

মায়ের ভালবাসা কখনো ফুরোনোর নয়

বিশ্ব “মা” দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রোববার। এবার ৮ই মে বিশ্ব মা দিবস পালিত হবে। মা ত্রিভূবনের সবচেয়ে মধুরতম অপার্থিক শব্দ। মা কথাটি ছোট্ট হলেও মা-ই বসুন্ধরা, মমতার আধার তার সহজাত মমত্ব দিয়ে সন্তানকে আগলে রাখেন অসামান্য দরদে। সন্তানের রোগে- শোকে মাও আক্রান্ত থাকেন একই তম্বীতে।

Read more...

কুতুবপুরে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট প্রদানের আয়োজন নিশ্চিত করুন

কামাল উদ্দিন সুমন: কে  জিতবে আর কে জিতবে না সেটা ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে কিন্তু কুতুবপুরের শান্তি প্রিয় মানুষ চায় আগামী ২৩ এপ্রিল নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট দেয়ার সুযোগ।

Read more...

ঢাকাবাসীরা অবহেলিত থেকেই যাচ্ছে

রবিউল আলম: আমাদের রাজনীতির শুতিকাগার ঢাকায় ছোট বড় যে কোন রাজনৈতিক দল গঠন করা হয়, ঢাকা থেকে তার যাত্রা শুরু হয়, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা হওয়াতে ঢাকার কদর আলাদা। তার চেয়েও বেশি কদর ঢাকা বাসির। যে কোন রাজনৈতিক কর্মসূচী ঢাকা থেকে শুরু হয়। ঢাকা বাসির সহযোগীতার জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক দল ব্যাকুল হয়ে থাকে, ঢাকার প্রভাবশালী, অর্থশালী, জনপ্রিয়, ঐতিহ্যবাহী পরিবারগুলো রাজনৈতিক দলে টার্গেট থাকে, একসময় মুসলিমলীগ টার্গেট করেছিলো। ঢাকার সরদারদের মাজেদ সরদার, খলিল সরদাররা উল্লেখ্যযোগ্য, সরদারদের প্রভাবে মুসলিমলীগ ঢাকায় অপ্রতিরোদ্ধ ছিল। আওয়ামীলীগের সহযোগীতায় এগিয়ে এসেছিলেন, হাফেজ মুসা, বাটু সরদার, পিয়ারু সরদার, রফিক সেঠ, কালু সেঠরা, পরে মেয়র হানিফ, নজিব সরদার, আজিজ ভাই সহ অনেককে বাধ্য করা হয় ঢাকা রাজনীতি করতে। এরকম অনেক উদাহরন দেওয়া যাবে ঢাকার রাজনীতির মাঠে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা যায় আমরা ঢাকা বাসী কোথায় আছি। আওয়ামীলীগের ঢাকা মহানগর কমিটিতে, মায়া, কামরুল, আওলাদ সহ অনেকেই ঢাকার নয়, বি.এন.পি নগর কমিটিতে, আব্বাস, সাদেক হোসেন খোকা, সালাম কেহ ঢাকার নয়। জাতিয় পার্টি, জামাত এর অধিকাংশ নেতা ঢাকার নয়, এমনকি ঢাকা এম,পি হতে অনেকে বরিশাল, নোয়াখালী, ফরিদপুর থেকে আসা, যাদের মাটির সাথে কোন সম্পর্ক নেই। দলের উপর ভর করে নোমিনেশন আদায় করে নিলেও কর্মী সমর্থকদের কে চিনে না।ক চাটুকার অর্থদাতা ও পেশি শক্তির উপরে নির্ভর হয়ে পড়েন। ক্ষমতায় আসলে নিজ আখের গোছাতে ব্যস্ত থাকেন। ঢাকার মেয়র নির্বাচনেও এর ব্যতিক্রম হয় নাই। সাঈদ খোকন ছাড়া, ঢাকা থেকে কোন রাজনৈতিক নেতা ঢাকার বাহিরে নমিনেশন দেওয়া হয় না, শুধু ঢাকা উত্তর মহানগর কমিটিতে, ঢাকার রহমত উল্লাহ্ ও সাদেক খাঁনকে নেওয়া হয়েছে। তাই মনের মাঝে অনেক প্রশ্ন আমরা ঢাকা বাসী কোথায় আছি।

লেখক : রবিউল আলম
মহাসচিব, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি
উপদেষ্টা, ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

কোন হুমকি ধামকি আমাদের ঠেকিয়ে রাথতে পারবে না

হাবিবুর রহমান বাদল: পাঠক  সমাজের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা থেকে ডান্ডিবার্তা পরিচালনা পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামি পহেলা জুন থেকে ডান্ডিবার্তার সম্পাদকীয় নীতিমালার কিছু পরিবর্তন ঘটানোর।

Read more...

লোকটা কে বা কাহারা? জাতি জানতে চায়

বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম।

এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার :(১) ৭ই জুন/২০১৬ ইং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন যে, ‘বিএনপি শীর্ষ পদে দুই জন আসামীকে নির্বাচিত করেছে’।

Read more...

একজন পিতার অফুরন্ত ভালবাসা

রবিউল আলম: একজন পিতার অফুরন্ত ভালবাসা, জীবন দশায় ভুলবার নয়। ৭০ সালের নির্বাচনে নৌকার মিছিল, সুলতানগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে বিশাল এক নৌকা বানিয়ে ঠেলাগাড়ীর উপরে উঠিয়ে শোভা যাত্রা করা হয়। ছোট একজন মানুষ দরকার নৌকার মাঝি হওয়ার জন্য, আমার বয়স ১২, তবে দেখতে ৮,৯ বছরের মনে হয় শরীলের আয়তন লিক, লিকে গায়ে মাংস নাই বলেই চলে, ছোট থেকেই চঞ্চল ডানপিটে ছিলাম, এলাকার মানুষ আমার দুষ্টুমিতে অস্থির থাকতো, তৎকালীন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নাসির উল্লাহ, আমাকে নৌকার মাঝী হতে বলেন। রশিদ চাচার বাড়ীতে আব্দুল গফুর ও বুলবুল ভাই তুলা দিয়ে দাড়ী-মুছ বানিয়ে হাতে হুক্কা দিয়ে নৌকার বৈঠার কাছে বসিয়ে দেয়, খুরশিদ আলম, লুৎফর রহমান, নাদের খান, মুনসুর কোম্পানী, সাদেক খানও ছিলো সেই মিছিলে। আমি হাজার হাজার মানুষের করতালিতে আনন্দের আতœহারা মনের আনন্দে হুক্কা টানছি আর শরীলের নানা অঙ্গভঙ্গি করছি, মিছিল এগিয়ে চলছে রায়ের বাজার ট্যানারী মোড়, ঝিগাতলা, সাইন্স ল্যাবরেটরী, কলা বাগান হয়ে শুক্রবাদ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর লেকের পাড় দিয়ে মিছিল পশ্চিম দিকে যাচ্ছে, আমার নৌকার ঠেলাগাড়ী বঙ্গবন্ধুর বাড়ীর উল্টা দিকে লেকের পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে। বঙ্গবন্ধু নিজ বাড়ীর একতলা ছাদে পাইপ হাতে দাঁড়িয়ে আছে, মিছিলে অগনিত লোক, শ্লোগানে, শ্লোগানে এলাকা একাকার ঢোলের তালে, তালে মিছিল এগিয়ে চলছে বঙ্গবন্ধু আমার অঙ্গভঙ্গি মনোযোগ সহ দেখছে, মিছিল শেষ হতেই তৎকালীন সুলতানগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক রমিজ ভাইকে বঙ্গবন্ধু বলেন তোমার নৌকার মাঝিকে নিয়ে এসো, তাড়াতাড়ী আমাকে ঠেলাগাড়ী থেকে নামিয়ে বঙ্গবন্ধুর বাড়ীর ভিতরে নিয়ে গেলো। সেখানে আব্দুস সামাদ আজাদ, আব্দুর রাজ্জাক, মেয়র হানিফ সহ অনেক অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধু বেগম মুজিবকে এক গ্লাস দুধ দিতে বলে, ওকে এক গ্লাস দুধ দাও। আমি কিছুতেই দুধ খাবোনা, অনেকেই অনেক কথা অবাগ হয়ে বলছে, কিরে এতোবড় নেতা আদর করে দুধ দিয়েছে তুই খাবিনা। আজ পর্যন্ত কেহ না করতে পারে নাই, তুইতো ভাগ্যবান, কেন খাবিনা, খা, খা, অনেক আদর আবদার কিছুইতে আমি দুধ খাবোনা। বঙ্গবন্ধু আমার দিকে একবার তাকিয়ে বলছে তোদের দিয়ে কিছু হবেনা, নেতা হবি কেমনে, দাড়ী-মুছ খুলেদে এমনিতেই খাবে। এমন সময় একজন আমার দাড়ী-মুছ খুলেদিলে আমি কান্নায় অস্থির বাজনার তালে তালে মনের আনন্দে এতোক্ষন যে আমেজে ছিলাম তার জবনিকা দেখে আমি আর কান্না রাখতে পারছিনা, অঝরে কেদে চলেছি। বঙ্গবন্ধু আমার কান্না থামিয়ে বলেন, তুমি দুধ খাও তোমার দাড়ী মুছ লাগিয়ে দিবো। আমি আর বিলম্ব না করে একটানে দুধ খেয়ে নিলাম। বঙ্গবন্ধু নিজ হাতে আমার দাড়ী মুছ লাগিয়ে দিল, সবাই চেয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর দিকে। তখন আমার বুঝার বয়স হয় নাই। বঙ্গবন্ধু পিতার আদরে একজন অসহায় শিশুকে স্বযতেœ দুধ খাওয়ালো বঙ্গমাতা চেয়ে চেয়ে হাসলো। অনেক নেতা হাসছে, আমার বোকার মত আচরন দেখে। আমি কি জানতাম এই আমাদের জাতির জনক, এই আমাদের বঙ্গবন্ধু, এই আমাদের মুক্তির দিশারী, স্বাধীনতার প্রতীক, বাঙালীর হাজার বছরের আকাংক্ষিত স্বাধীন সার্বভোমক্ত বাংলা এনেদিতে পারেন, এনে দিয়েছে, আমরা মুক্ত। কত দোষে দুষি করতে পারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কে। স্বাধীনতার পর এদেশে কত প্রধানমন্ত্রী, কত রাষ্ট্রপতি হয়েছেন এবং হবেন জানিনা। তবে হলফ করে বলতে পারি বাঙালীকে, বাংলাদেশকে, বাংলার মানুষকে এত ভালবাসা দিয়ে বুকে জড়িয়ে নিতে পারবে না। একজন অবুজ শিশুর মনের কথার বুঝতে পারবে না।

লেখক-রবিউল আলম ,মহাসচিব
বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

নারায়ণগঞ্জবাসীর চেতনা জাগতে শুরু করেছে

নারায়ণগঞ্জের উত্তর ও দক্ষিন মেরুর রাজনীতিতে নুতন সমীকরনের আভাস বইতে শুরু করেছে। জেলার উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সকলেই এক বাক্যে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে এক মঞ্চে এসে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

Read more...

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও নারীর অধিকার

রাহিমা আক্তার লিজা: বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও সাড়ম্বরে উদযাপিত হবে নারী দিবস। মঙ্গলবার ৮ই মার্চ দিনব্যাপী বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নারী সংগঠনগুলো বর্ণাঢ্য র‌্যালী, সমাবেশ, আলোচনা সভা, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করবে।

Read more...

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম ২৪