Mon, 27 Feb, 2017
 
logo
 

‘শামীম ওসমানরা দলের ক্রান্তিকালীন ডিফেন্স প্লেয়ার’

সাইফুল বিপ্লব: সেলিনা আইভীরা হায়ার করা স্ট্রাইকার হলেও শামীম ওসমানরা দলের জন্য ক্রান্তিকালীন ডিফেন্স প্লেয়ার। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শামীম ওসমান, জয়নাল হাজারীরা ছিলেন বলেই প্রতিপক্ষের স্টিমরোলারের উপর দাড়িয়েও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কখনো অস্তিত্ব সংকটে পড়েনি।

শামীম ওসমান, জয়নাল হাজারীদের একটাই সমস্যা। তারা মিডিয়া বান্ধব ছিলেন না। মিডিয়া বান্ধব বলতে- ‘কয়দিন পর পর মিডিয়ার সাথে সেল্ফি খেচা। মিডিয়ায় কয়দিন পর পর লম্বা লম্বা বক্তৃা দেয়া।’
মিডিয়া প্রোডাক্ট নেতারা দেশের রাজনীতিতে স্ট্যাবলিশড হয়ে গেলে ক্ষতিগ্রস্থ হবে বাংলাদেশের জনগন।

একটা সময় ছিল মানুষ নেতা হওয়ার জন্য এলাকার মানুষের দরজায় দরজায় কড়া নাড়তো। এলাকার মানুষের সুখ - দু:খে শামিল হতো। এলাকার মানুষের আপদে বিপদে মধ্যরাতেও ছুটে আসতো। এই ট্রাডিশন চেঞ্জ হয়ে গেলে গণমানুষের কাতারে আর কোন নেতাকে পাওয়া যাবে না। নেতাদের দৌড়ঝাপ ফেসবুক পেজ এবং মিডিয়া অফিসগুলোর নরম সোফায় এসে শেষ হয়ে যাবে। জনগণের সুখ দু:খের সঙ্গী কে হবে? সেলিনা হায়াত আইভীরা মিডিয়া প্রোডাকশন। আইভীরা মিডিয়ার জন্য কাজ করবে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কিংবা জনগণের জন্য নয়।

‘শামীম ওসমানরা দলের ক্রান্তিকালীন ডিফেন্স প্লেয়ার’শেখ হাসিনা অবসরে যাবার পর নতুন নেতৃত্বকে দাঁড় করাতে অনেক স্ট্রাগল করতে হবে। সেই পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় হায়ার করা স্ট্রাইকার নয়, প্রয়োজন জান বাজি করে লড়াই করা ডিফেন্ডার। শামীম ওসমানরা অভিমানে সরে গেলে ক্ষতিপ্রস্থ হবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ডিফেন্স লেভেল। শামীম ওসমানদের আগলে রাখতে হয়। সম্ভাব্য দু:সময় মোকাবেলার জন্য শামীম ওসমানদের আগলে রাখা উচিৎ।
যাকগে এতো বড় বড় জ্ঞানীদের ভীরে আমার কথা, চিন্তা, কারো হৃদয়ে পৌঁছাবে না। আমরা আওয়ামীলীগ করি আমাদের কাজ হচ্ছে দলকে ভালোবেসে ত্যাগ করতে করতে শেষ হয়ে যাওয়া। পরিশেষে দুর্নাম নিয়ে মরে যাওয়া, মরেও কি শান্তি আছে!

 

 

লেখক: স্যোসালমিডিয়া এক্টিভিটস ও সাবেক ছাত্র নেতা

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম ২৪