Fri, 25 May, 2018
 
logo
 

মে দিবসের চেতনাকে আড়াল করে শুধু'ই উৎসবে পরিণত করা হচ্ছে

এম এ শাহীন: ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস সারা দুনিয়াতে যথাযথ মর্যাদার সহিত উদযাপিত হয়েছে। তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশেও সভা-সমাবেশ ও মিছিল সহ নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রমিক মেহনতি মানুষ তা উদযাপন করেছে। তবে নারায়ণগঞ্জ সহ সারা দেশে মে দিবস উদযাপনে এবার ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে।

Read more...

শ্রমিকের রক্তে লেখা ঐতিহাসিক লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস

এম এ শাহীন: ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরে শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজ, ন্যায্য মজুরি ও অধিকার আদায়ে তিব্র আন্দোলন গড়ে তুলে ছিল। সে আন্দোলন ঠেকাতে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অসংখ্য শ্রমিক কে আহত-নিহত করে। দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সেদিন শ্রমিকরা বুকের তাজা রক্ত ও জীবন দিয়ে অধিকার আদায় করতে সক্ষম হয়েছিল। যার মধ্য দিয়ে রচিত হয় শ্রমিক শ্রেণির এক ঐতিহাসিক লড়াই সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।

Read more...

ঘুষ বানিজ্যের ওপেন সিক্রেট

এ্যাড. তৈমূর আলম কন্দকার: স্বাধীনতার মাস মার্চ ২০১৮ ইং ২২ তারিখে দুটি ঘটনার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী আন্তর্জাতিক মিডিয়া বিবিসি আরও একটি তথ্য প্রকাশ করে পত্রিকায় নিয়মিত পাঠকদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। নি¤œআয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের প্রবেশের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক প্রদত্ব সাটিফিকেট উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জয়গান গেয়ে পুলিশ, র‌্যাব, সরকারী আমলাদের মিছিল, অন্যদিকে সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনী ফলাফল, অধিকন্তু একই সময় “মরার উপর খাড়ার ঘা” হিসেবে স্বৈরতন্ত্রে বাংলাদেশের অবস্থান বিষয়ক বিবিসির তথ্য বহুল প্রতিবেদন।

২২শে মার্চ ২০১৮, ঢাকা মহানগরী সহ দেশব্যাপী সরকারী প্রশাসনের উদ্দ্যেগে সভা সেমিনার র‌্যালীসহ সুন্দর পোষাকের পাশাপাশি রংবে রংগের ব্যানার ফ্যাষ্টুন ডাক ঢোলে মনে হচ্ছিল যে, নি¤œ আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করায় জাতিসংঘের সার্টিফিকেট পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে “ধন্য” “ধন্য” করার প্রয়াসে যেন জাতি আজ আল্লাদে আটখানা! একই কারণে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পূর্বেই ২১ তারিখ থেকে রাজধানীর সকল সরকারী অফিসকে সাজানো হয়েছে লাল, নীল বাতির ঝলকে। উদ্দেশ্য একটাই ছিল জাতিসংঘের সার্টিফিকেটকে বরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্য করা। যে দেশের অগনিত মানুষ এখনো ভিক্ষা করে, যে দেশে ইয়াবা সহ নেশার ব্যবসা দু:ক্ষজনক হলেও জাতীয় করণ হয়েছে, যেখানে প্রশ্ন পত্র ফাস একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা, যে দেশে ব্যাংক লুট করে জনগণের কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে সে দেশকে যখন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে স্বীকৃত দেয়া হয় তাহা আনন্দের সাথে গ্রহণ করবে, এটাইতো স্বাভাবিক। কিন্তু জাতিসংঘের সার্টিফিকেট ও বাস্তবতার কতটুকু সামানজস্য রয়েছে তাহা ভুক্তভোগী জনগণই নির্নয় করবেন। তবে এটুকু বুঝা যায় যে, শাসক শ্রেণীর ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। যে ছিল ১০০ বিঘা জমির মালিক সে হয়েছে ৫০০ বিঘা সম্পত্তির মালিক, পক্ষান্তরে যার ৫/৭ বিঘা সম্পত্তি ছিলো তা বিক্রি করে সে হয়েছে নি:স্ব দিনমজুর।

অন্যদিকে বলতে হয় যে, জাতিসংঘ একটি ঠুটো জগন্যাত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল বর্বর পাকিস্তানীদের পক্ষে, ঠিক আমেরিকার সরকারের মত। পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রে শাস্তি স্থাপনে জাতিসংঘ কার্যকর কোন ভূমিকা রাখতে পারে নাই। আমেরিকা, বৃটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীনের ক্ষমতার মনোরঞ্জনের জন্য জাতিসংঘ একটি ক্লাব মাত্র, অন্যকিছু নহে। মিয়ারমারে গণহত্যার প্রতিকারের জন্য জাতিসংঘ অং সং সূচীর একটি চুলও বাকা বা সোজা করতে পারে নাই, শুধুমাত্র উদ্দ্যেগ প্রকাশ ছাড়া, যেমন উদ্দ্যেগ প্রকাশ করেছিল ২০১৪ ইং সালে বাংলাদেশে একতরফা ভোটার বিহীন নির্বাচনের সময়। যা হউক, জাতিসংঘ যে সার্টিফিকেটই প্রদান করুক না কেন বাংলাদেশের জনগণের এ মর্মে উপলব্দি কি সেটাই এখন পর্যালোচনার বিষয়।

যে দিন (২২শে মার্চ ২০১৮) জেলা/উপজেলাসহ রাজধানীতে মধ্যবর্তী আয়ের উল্যাস চলছিল সে দিনই সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০১৮-২০১৯ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হয়। এ নির্বাচনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ ছিল, প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্য ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপস এম.পি (আওয়ামী পন্থী আইনজীবী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক) নিজে ২ দিন দাড়িয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন। সরকার দলীয় সমর্থীত প্রার্থীদের পক্ষে অনুরূপ দাড়িয়ে থেকে ভোট প্রার্থনা করেছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা মাননীয় এ্যাটর্নী জেনারেল যার দায়িত্ব রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করা কোন রাজনৈতিক দলের নহে। তার সাথে আওয়ামী আইনজীবী শীর্ষ নেতারা ছিল। পাশাপাশি বিএনপি শীর্ষ আইনজীবীরা দাড়িয়ে অনুরূপ ভোট প্রার্থনা করেছেন। উৎসবপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সমাপ্তি হয়। ভোট গণনায় দেখা গেল যে, ১৪টি পদে প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারীসহ বিএনপি পন্থীরা পেয়েছে ১০টি পদ অন্যদিকে যুগ্ম সম্পাদক ও সদস্য মিলিয়ে মোট ৪টি পদ পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এমতাবস্থায়, জনসমর্থন সরকারের পক্ষে কতটুকু রয়েছে তা সরকারের উপলব্দি হয়েছে কি না? তবে পত্রিকান্তরে প্রকাশ যে, দেশের সর্বোচ্চ আইনজীবী প্লাটফর্মে নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ খুজছে সরকার।

পত্রিকান্তরে প্রকাশ, এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে নবনির্বাচিতরা এ মর্মে মন্তব্য করেন যে, “দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল করেনি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীরা কাজ করতে চায়। কিন্তু সরকার সেটি করতে দিচ্ছে না। সরকার বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি সরকার বিচার বিভাগকে যেভাবে দলীয়করণ করছে, এ বিজয় তার প্রতিবাদ। আইনজীবীরা অন্যায়ের জবাব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বারের নির্বাচনের মাধ্যমে বলে মনে করেন নবনির্বাচিতরা।”

সুপ্রিম কোর্ট বারে আওয়ামী লীগ পন্থীদের ভরাডুবির কারণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, “সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার পদত্যাগের বিষয়ে সরকার ও তার সমর্থিত আইনজীবীরা যে বিরূপ ভূমিকা রেখেছিল তা সাধারণ আইনজীবীদের কাছে পছন্দনীয় বা গ্রহণযোগ্য ছিল না। এ ছাড়াও নি¤œ আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির হাতে রেখে তাদের চাকরির যে শৃঙ্খলা বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, তাও আইনজীবীরা সহজভাবে নেননি। এসব কারণেই তারা আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের ভোট দেননি।”

লেখক

কলামিষ্ট ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা

মোবাঃ ০১৭১১-৫৬১৪৫৬

ইমেইল:

এ্যাড. তৈমূর আলম কন্দকার: স্বাধীনতার মাস মার্চ ২০১৮ ইং ২২ তারিখে দুটি ঘটনার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী আন্তর্জাতিক মিডিয়া বিবিসি আরও একটি তথ্য প্রকাশ করে পত্রিকায় নিয়মিত পাঠকদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। নি¤œআয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের প্রবেশের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক প্রদত্ব সাটিফিকেট উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জয়গান গেয়ে পুলিশ, র‌্যাব, সরকারী আমলাদের মিছিল, অন্যদিকে সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনী ফলাফল, অধিকন্তু একই সময় “মরার উপর খাড়ার ঘা” হিসেবে স্বৈরতন্ত্রে বাংলাদেশের অবস্থান বিষয়ক বিবিসির তথ্য বহুল প্রতিবেদন।

২২শে মার্চ ২০১৮, ঢাকা মহানগরী সহ দেশব্যাপী সরকারী প্রশাসনের উদ্দ্যেগে সভা সেমিনার র‌্যালীসহ সুন্দর পোষাকের পাশাপাশি রংবে রংগের ব্যানার ফ্যাষ্টুন ডাক ঢোলে মনে হচ্ছিল যে, নি¤œ আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করায় জাতিসংঘের সার্টিফিকেট পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে “ধন্য” “ধন্য” করার প্রয়াসে যেন জাতি আজ আল্লাদে আটখানা! একই কারণে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পূর্বেই ২১ তারিখ থেকে রাজধানীর সকল সরকারী অফিসকে সাজানো হয়েছে লাল, নীল বাতির ঝলকে। উদ্দেশ্য একটাই ছিল জাতিসংঘের সার্টিফিকেটকে বরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্য করা। যে দেশের অগনিত মানুষ এখনো ভিক্ষা করে, যে দেশে ইয়াবা সহ নেশার ব্যবসা দু:ক্ষজনক হলেও জাতীয় করণ হয়েছে, যেখানে প্রশ্ন পত্র ফাস একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা, যে দেশে ব্যাংক লুট করে জনগণের কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে সে দেশকে যখন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে স্বীকৃত দেয়া হয় তাহা আনন্দের সাথে গ্রহণ করবে, এটাইতো স্বাভাবিক। কিন্তু জাতিসংঘের সার্টিফিকেট ও বাস্তবতার কতটুকু সামানজস্য রয়েছে তাহা ভুক্তভোগী জনগণই নির্নয় করবেন। তবে এটুকু বুঝা যায় যে, শাসক শ্রেণীর ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। যে ছিল ১০০ বিঘা জমির মালিক সে হয়েছে ৫০০ বিঘা সম্পত্তির মালিক, পক্ষান্তরে যার ৫/৭ বিঘা সম্পত্তি ছিলো তা বিক্রি করে সে হয়েছে নি:স্ব দিনমজুর।

অন্যদিকে বলতে হয় যে, জাতিসংঘ একটি ঠুটো জগন্যাত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল বর্বর পাকিস্তানীদের পক্ষে, ঠিক আমেরিকার সরকারের মত। পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রে শাস্তি স্থাপনে জাতিসংঘ কার্যকর কোন ভূমিকা রাখতে পারে নাই। আমেরিকা, বৃটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীনের ক্ষমতার মনোরঞ্জনের জন্য জাতিসংঘ একটি ক্লাব মাত্র, অন্যকিছু নহে। মিয়ারমারে গণহত্যার প্রতিকারের জন্য জাতিসংঘ অং সং সূচীর একটি চুলও বাকা বা সোজা করতে পারে নাই, শুধুমাত্র উদ্দ্যেগ প্রকাশ ছাড়া, যেমন উদ্দ্যেগ প্রকাশ করেছিল ২০১৪ ইং সালে বাংলাদেশে একতরফা ভোটার বিহীন নির্বাচনের সময়। যা হউক, জাতিসংঘ যে সার্টিফিকেটই প্রদান করুক না কেন বাংলাদেশের জনগণের এ মর্মে উপলব্দি কি সেটাই এখন পর্যালোচনার বিষয়।

যে দিন (২২শে মার্চ ২০১৮) জেলা/উপজেলাসহ রাজধানীতে মধ্যবর্তী আয়ের উল্যাস চলছিল সে দিনই সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০১৮-২০১৯ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হয়। এ নির্বাচনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ ছিল, প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্য ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপস এম.পি (আওয়ামী পন্থী আইনজীবী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক) নিজে ২ দিন দাড়িয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন। সরকার দলীয় সমর্থীত প্রার্থীদের পক্ষে অনুরূপ দাড়িয়ে থেকে ভোট প্রার্থনা করেছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা মাননীয় এ্যাটর্নী জেনারেল যার দায়িত্ব রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করা কোন রাজনৈতিক দলের নহে। তার সাথে আওয়ামী আইনজীবী শীর্ষ নেতারা ছিল। পাশাপাশি বিএনপি শীর্ষ আইনজীবীরা দাড়িয়ে অনুরূপ ভোট প্রার্থনা করেছেন। উৎসবপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সমাপ্তি হয়। ভোট গণনায় দেখা গেল যে, ১৪টি পদে প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারীসহ বিএনপি পন্থীরা পেয়েছে ১০টি পদ অন্যদিকে যুগ্ম সম্পাদক ও সদস্য মিলিয়ে মোট ৪টি পদ পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এমতাবস্থায়, জনসমর্থন সরকারের পক্ষে কতটুকু রয়েছে তা সরকারের উপলব্দি হয়েছে কি না? তবে পত্রিকান্তরে প্রকাশ যে, দেশের সর্বোচ্চ আইনজীবী প্লাটফর্মে নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ খুজছে সরকার।

পত্রিকান্তরে প্রকাশ, এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে নবনির্বাচিতরা এ মর্মে মন্তব্য করেন যে, “দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল করেনি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীরা কাজ করতে চায়। কিন্তু সরকার সেটি করতে দিচ্ছে না। সরকার বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি সরকার বিচার বিভাগকে যেভাবে দলীয়করণ করছে, এ বিজয় তার প্রতিবাদ। আইনজীবীরা অন্যায়ের জবাব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বারের নির্বাচনের মাধ্যমে বলে মনে করেন নবনির্বাচিতরা।”

সুপ্রিম কোর্ট বারে আওয়ামী লীগ পন্থীদের ভরাডুবির কারণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, “সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার পদত্যাগের বিষয়ে সরকার ও তার সমর্থিত আইনজীবীরা যে বিরূপ ভূমিকা রেখেছিল তা সাধারণ আইনজীবীদের কাছে পছন্দনীয় বা গ্রহণযোগ্য ছিল না। এ ছাড়াও নি¤œ আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির হাতে রেখে তাদের চাকরির যে শৃঙ্খলা বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, তাও আইনজীবীরা সহজভাবে নেননি। এসব কারণেই তারা আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের ভোট দেননি।”

লেখক

কলামিষ্ট ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা

মোবাঃ ০১৭১১-৫৬১৪৫৬

ইমেইল: '); document.write(addy7850); document.write('<\/a>'); //-->\n This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it. " target="_blank">This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি আসন্ন?

এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার: বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম। যুক্তরাষ্ট্র অর্থাৎ আমেরিকা পৃথিবীর শক্তিমান রাষ্ট্র যার ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর অনেক রাষ্ট্রের নীতির পরিবর্তন ঘটে।

Read more...

প্রতারণার ফাঁদ: কষ্টি-পাথরের মূর্তি

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: প্রায় দুই যুগ ধরে দেশী-বিদেশী সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র একের পর এক সহজ সরল অর্থ-লোভী মানুষদেরকে অর্থের লোভ দেখিয়ে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে কষ্টিপাথরের মূর্তি ক্রয়-বিক্রয় করার নামে লক্ষ-লক্ষ, কোটি-কোটি টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে।

Read more...

আজও খুনিদের বিচার এবং কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি

এম এ শাহীন: ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর সাভার আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে তাজরিন ফ্যাশনে আগুনে পুড়ে ১১৪ জন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছিল। এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে সহস্রাধিক শ্রমিক আহত হয়েছে, যার মধ্যে পঙ্গু হয়েছে দুই শতাধিক।প্রাণে বেঁচে যাওয়া মানুষ গুলো পঙ্গুত্ব জীবন নিয়ে প্রতি মুহূর্ত যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে।

Read more...

রোহিঙ্গাদের সাথে একদিন

এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার: বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম। রোহিঙ্গাদের ইতিহাস, একটি বর্ণ্যাট্য ইতিহাস। দুঃক্ষে যাদের জীবন গড়া তারাই রোহিঙ্গা। জীবনে নিরাপত্তার স্বাদ তারা জন্ম থেকেই পায় নাই।

Read more...

প্রতারণার ফাঁদ (পর্ব-২)

সেলিম মিয়া: বেশ কয়েক বছর যাবত দেশী-বিদেশী  সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র একের পর এক সহজ-সরল মানুষদেরকে অর্থের লোভ দেখিয়ে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে তক্ষক নামক বন্যপ্রাণী ক্রয়-বিক্রয়ের নামে প্রতারণা পূর্বক লক্ষ-লক্ষ, কোটি-কোটি টাকা অবৈধভাবে লাভবান হচ্ছে।

Read more...

প্রতারণার ফাঁদ (পর্ব ১)

মো. সেলিম মিয়া : যুগ যুগ ধরে দক্ষিন এশিয়া তথা বাংলাদেশে দেশী বিদেশী সংঘবব্ধ প্রতারক চক্র একের পর এক সহজ-সরল, অর্থলোভী মানুষদেরকে অর্থের লোভ দেখিয়ে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে কখনো লটারী, কখনো ঘড়ি খেইল, কখনো সিংহ মার্কা পয়সা, কখনো বিদেশী ডলার কখনো মুর্তি, কখনো দেশে বিদেশে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে, কখনো বা উচ্চ প্রত্যাশিত ব্যবসা, কখনো তক্ষক নামক বন্য প্রাণীসহ ইত্যাদি ক্রয় বিক্রয়ের মাধ্যমে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ-লক্ষ, কোটি-কোটি টাকা।

Read more...

নগর পিতারা জলাবদ্ধতা নিরসনে কি করছেন?

মীর আব্দুল আলীম: বৃষ্টি পানিতে ডুবে যায় রাজধানী ঢাকা। ডুবন্ত বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সড়কে চলে নৌকা। সামান্য বৃষ্টিতেই নগরজীবন অচল হয়ে পড়ে। জল জটের সাথে নগরীতে আছে যানজটও। এভাবে কি নগর জীবন চলে? কি বৈশাখ, কি আষাঢ় জলাবদ্ধতায় ডুবে ঢাকা; আর চট্টগ্রাম নগরীও থাকে পানির তলায়।

Read more...

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম