Wed, 16 Jan, 2019
 
logo
 

স্বপ্ন দেখাবেন বলে অনেক সুযোগ হাতছাড়া করেছেন রনজিত দা: মাকছুদুল আলম খন্দকার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: এ পৃথিবীতে যুগের পর যুগে কিছু মানুষের সৃষ্টি হয়। রনজিত কুমার এমনই একটি নাম। সাংস্কৃতিক একাডেমী ‘শ্রুতির’ অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

Read more...

গ্রামের একটি তৃণমূল বীরের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে আত্ম কাহিনী

নজরুল ইসলাম তোফা: এ পৃথিবীতে যুগে পর যুগে কিছু মানুষের সৃষ্টি হয়, তারা অনেকেই কোটি কোটি টাকায় করে ভোগ-বিলাস। আবার গড়েও তুলে ধন-সম্পদ এবং বাড়ি-গাড়ি। কিন্তু এমনও কিছু বিকল্প চিন্তা চেতনার মানুষকে খোঁজে পাওয়া যায়, জীবনে তার তেমন কোনকিছুর মোহ নেই, নেই তার নূন্যতম মনের ইচ্ছা পূরণের বৃহৎ উচ্চাকাঙ্খা। জীবন সঠিক পথে পরিচালনার উদ্দেশ্যে নেই চিন্তা।

Read more...

একজন মাঠ কর্মীর কর্মজীবন : ব্যারিষ্টার মার-ই-য়াম খন্দকার

“জীবনের চেয়ে সময় অনেক মূল্যবান” এ শ্লোগানটি যার জীবনের মূলমন্ত্র সেই ব্যক্তিত্ব কলামিষ্ট, রাজনৈতিক ও প্রতিযশা আইনজীবী এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার ১৯শে অক্টোবর ১৯৫৩ ইং নারায়নগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন মাতুলালয়ে তারাবো পৌরসভাধীন খাদুন গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।

Read more...

‘রফিউর রাব্বিকে একটি মহীরূহ বলে মনে হয়’

তরিকুল সুজন: রফিউর রাব্বি। জন্ম ১৪ অক্টোবর ১৯৫৮, নারায়ণগঞ্জ। শহরে। বাবা ডা.শাহাদাত হোসেন। মা আনোয়ারা হোসেন। নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল, তোলারাম কলেজ, চারুকলা ইনন্সিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্কুয়েলা সুপিরিয়র নিকোয়েলাপেজ হাভানাতে পড়াশোনা করেছেন। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক পাঠে কখনো আগ্রহ গড়ে উঠে নি।কৈশোর থেকেই শিল্প-সাহিত্য-লেখালেখির সাথে যুক্ত। ৭০ দশকে প্রথমে ছাত্র পরে রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত হন। ৯০ এর পর থেকে সুনিদিষ্ট রাজনীতির সাথে যুক্ত না থাকলেও তিনি রাজনীতি নিরপেক্ষ নন। সমাজের ক্রিয়াশীল অনিবার্য দ্বান্ধিক পরিবর্তনের প্রতি বরাবরই তিনি আস্থাশীল।

Read more...

ব্লু ব্লাড ও বাংলাদেশ : এ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার

ব্লু ব্লাড ও বাংলাদেশ
এ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার
 
বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম। বাংলাদেশের পূর্ব ইতিহাস অনেক নির্মম। যারাই রাজ্য শাসন করেছে কেহই নিয়তির আক্রোশ থেকে রক্ষা পায় নাই। অন্যদিকে “প্রকৃতির” তমাল দৌরাত্বের সাথে যুদ্ধ করেই এ জাতিকে টিকে থাকতে হচ্ছে। জলোশ্বাস, টর্নেডো, সুনামি, ঝড়-তুফান, বন্যা খড়ার পাশা-পাশি রয়েছে নদী ভাঙ্গন, সকালে যে আমির ছিল, ফকির হয়ে যায় সন্ধ্যা বেলা। র্দুভিক্ষের পাশাপাশি রিলিফ চুরি, টেন্ডারবাজীর পাশাপাশি রডের বিনিময়ে বাঁশ দিয়ে মফস্বল এলাকায় সরকারী অফিস/হাসপাতাল নির্মাণ, সন্তানকে হত্যা করে নিজে আতœহত্যা (এ প্রবনতা পূর্বের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে) প্রভৃতি প্রভৃতি ঘটনাকে হার মানিয়ে দেয় যখন চোখের সামনে দেখা যায় মিথ্যার নিকট জাতি পরাজিত হয়ে যাচ্ছে। হিটলারের প্রচার কর্মকর্তা গোয়েবলস্ মিথ্যাকে সত্যে পরিনত করার একটি দুষ্টক্ষত হিসাবে বিশ্ব রাজনীতিতে পরিচিত। বর্তমানে মিথ্যাকে যে ভাবে সত্যে পরিনত করা হচ্ছে তাতে গোয়েবলস্ বেচে থাকলে আমাদের দেশের বুদ্দিজীবি বা কর্তা ব্যক্তিদের নিকট শিষ্যত্ব গ্রহণ করতো।
 
 
 
“জবাবদিহিতা” নামক শব্দটি মনে হয় অভিধান থেকে উঠে যাবে। কারণ যে যে দায়িত্বেই থাকুক না কেন, হউক সাংবিধানিক বা নি¤œ পর্যায়ের সকলেই যেন এখন জবাবদিহিতার উর্দ্ধে। প্রজাতন্ত্রের যারা কর্মচারী বা কর্মকর্তা বা রাষ্ট্রপতি থেকে চৌকিদার পর্যন্ত যারা শুধুমাত্র জনগণের অর্থে কেবল লালিত পালিত নহে বরং সীমাহীন সূখ স্বাচ্ছন্ধ ভোগ করার পরও শুধুমাত্র নিয়োগকর্তার সন্তোষ্টি লাভের জন্য মিথ্যাকে সত্যে এবং সত্যকে মিথ্যা বলে চালিয়ে দিয়ে র্নিদিধায় জনগণকে বঞ্চিত করছে ন্যায্য অধিকার থেকে। 
 
 
 
বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় “তেলের বাটী” যেন একমাত্র যোগ্যতার মাপকাঠী। বিচার ব্যবস্থা তো বটেই বরং কর্তাখুশী তো সব খুশী এ বিবেচনায়ই চলছে প্রশাসন, বিচার ও সার্বিক ব্যবস্থা। বৃটিশ সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় ব্লু ব্লাড বলতে একটা সমাজ রয়েছে যাদের জন্য আইন ও আইনের শাসন অনেক শিথীল থাকে। বাংলাদেশেও একটি ব্লু ব্লাড সৃষ্টি হয়েছে যারা ক্ষমতায় রয়েছে তাদের মধ্যে থেকে। ব্লু ব্লাডের প্রতিনিধি ও রক্ত কনিকা ছড়িয়ে পড়েছে দেশব্যাপী, যারা ব্যবসা, বানিজ্য, ঠিকাধারী, সর্দারী, মাতব্বরী সবই নিয়ন্ত্রণ করে এবং যাদের সেবা দাস হিসাবে সদা প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ ও প্রশাসন। ব্লাু ব্লাডেরা যেহেতু রাষ্ট্র ও সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করছে সেহেতু সুবিধা সন্ধানী ও সুবিধাভোগীরা তাদের পক্ষেই হাত তালি দিচ্ছে, যোগান দিচ্ছে সমস্ত শক্তি এবং লুটে খাচ্ছে সাধারণ জনগণের আহার, বিপদগ্রস্থ হচ্ছে তারা যারা বিবেকের তাড়নায় বোল পাল্টিয়ে ব্লু ব্লাডের পদতলে নিজেকে আতœহুতি দিতে পারে নাই।
 
 
 
বাংলাদেশে আমলাতন্ত্রের বেতন ভাতা চলে জনগণের কষ্টার্জিত অর্থে, কিন্তু তারা ব্লু ব্লাডের সেবা দাসে পরিনত হয়েছে। অথচ সংবিধান বলছে যে, [অনুচ্ছেদ ২১(২)] “সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।” অথচ নি¤œ বর্ণিত ঘটনা থেকেই উপলব্দি করা যাবে জনগণের বেতনভুক্ত আমলাতন্ত্র দল মত নির্বিশেষে জনগণকে কতটুকু “সেবা” দিয়ে যাচ্ছে? ঘটনাটি হলো একদিন (২০১৮ ইং জানুয়ারি মাস) সুপ্রীম কোর্টের একজন সুনাম ধন্য ব্যারিষ্টার গাজীপুর জেলার সাভারে গিয়েছিলেন তার একটি ব্যক্তিগত কাজে। হঠাৎ একটি ট্রাক উল্টো পথে এসে গাড়ীটিকে ভেঙ্গে দুমড়ে মুচড়ে দেয়ায় তিনি নিকটস্থ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট শরনাপন্ন হলে ও.সি সাহেব ব্যবহারটা এমন করল যে, মামলা নেয়া তো দূরের কথা ব্যারিষ্টার সাহেবকে ও.সি সাহেব পাত্তা না দিয়ে পাল্টা তার (ব্যারিষ্টারের) দোষ খুজতে থাকেন। ব্যর্থ মন নিয়ে পরের দিন ব্যারিষ্টার সাহেব শরনাপন্ন হলেন এক দূর সর্ম্পকীয় মামার নিকট যিনি পুলিশের একজন ডি.আই.জি (পুলিশের উপ-মহা পরিদর্শক)। ডি.আই.জি ফোন করে ব্যারিষ্টার সাহেবকে সহযোগীতা করার জন্য ও.সি’কে বলে দিলে ব্যারিষ্টার সাহেব পরের দিন থানায় পৌঁছা মাত্র ও.সি সাহেব এগিয়ে এসে ব্যারিষ্টার সাহেবকে বলেন যে, “আপনি তো আমার মামা লাগেন, এখন বলেন আপনার জন্য আমি কি কি করতে পারি?” তখন ও.সি ট্রাক ড্রাইভার ও মালিককে ডেকে এনে নগদ ক্ষতিপূরণ আদায় করে দিলেন। ফলে ব্যারিষ্টার সাহেবকে মামলা করতে হলো না, কোর্টে যেতে হলো না, নগদ নগদেই বিচার টা পেয়ে গেলেন, শুধু মাত্র ব্লু ব্লাডের (ডি.আই.জি) একটি টেলিফোনের কারণে। ভাগ্যহত এই জাতির, যার কোন ব্লু ব্লাডের রেফারেন্স নাই সে এখন সর্বহারা, মার খেয়ে বিচার পাবে না, অথচ রেফারেন্স থাকলে খুনীও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াবে, নিজে আতœতৃপ্তি লাভ করবে, অথচ খুনিকে খুনী বলা যাবে না, এটাই আমাদের সমাজ ব্যবস্থা। 
 
 
 
বিচার বিভাগ সম্পর্কে বলা হয় যে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নাই। এ জন্য দায়ী কে? বিচারকরা নিজেই যদি নিজের মেরুদন্ড সোজা রাখতে না পারেন তবে আইন করে তাকে কতটুকু সোজা রাখা যাবে? দেশব্যাপী এখন সরকার কর্তৃক পুলিশকে বাদী করে গায়েবী মোকদ্দমা হচ্ছে। গায়েবী মোকদ্দমা অর্থাৎ যেখানে কোন ঘটনা ঘটে নাই, মিথ্যা বানোয়াট কাহিনী সাজিয়ে প্রতি থানায় প্রতিদিনই মামলা হচ্ছে যেখানে মৃত ব্যক্তি, বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তি, মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এমন কেহই গায়েবী মামলা অর্থাৎ গায়েবী গজব থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। জাতীয় পত্রিকান্তরে ০৩/১০/২০১৮ ইং তারিখে প্রকাশিত এক সংবাদে জানা যায় যে, সেপ্টেম্বর/২০১৮ মাসে দেশব্যাপী গায়েবী মামলার সংখ্যা ৪,০৯৬ যার মধ্যে এজাহার নামীয় আসামী ৮৪,৫৩৫ জন, অজ্ঞাত রয়েছে ২৭,৩০৭৫ জন। দন্ডবিধির ১৭৭ ধারা থেকে ২২১ ধারা পর্যন্ত মিথ্যা মামলা, মিথ্যা স্বাক্ষ্য প্রদান, মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান প্রভৃতি প্রভৃতি অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান থাকা স্বত্বেও পুলিশ জেনে শুনে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কি ভাবে মিথ্যা ও মিথ্যা গায়েবী মামলা সৃজন করছে? সরকারের আমলা বা পুলিশের বড় বড় কর্মকর্তাদের দায়িত্ব কি মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করা? পুলিশ কি জবাবদিহিতার উর্দ্ধে?

‘এটা শুভ্র’র লাশ নয়’


গোলাম রাব্বানী শিমুল
এমন দিনে কী বলতে হয় শুভ্র? এক পৃথিবী কথার মধ্যে কোন কোন শব্দগুলো লিখতে হয়?
একবছর আগের ঠিক এই রাতটার কথা মনে পরছে খুব। মনে পড়ছে তোকে ফিরে পাবার তীব্র আকাঙ্খা নিয়ে আমি অপেক্ষা করছি। একা একটি কক্ষে। রাত সোয়া দুইটা, আমার ফোন বেজে উঠলো। সাংবাদিক বাঁধন ভাই ফোন দিয়েছে। "শিমুল, দাদা লাশটা ভালো করে দেখছো? আমার কিন্তু সন্দেহ হয় লাশটা নিয়া। একটু ভাল কইরা দেখো তোমারে ছবি পাঠাইতাছি"!

Read more...

খুনি শোক মিছিলের আগে থাকে : তৈমূর আলম

লাইভ নারায়ণগঞ্জ : বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহিম। সরকারী ঘননায় বুদ্দিজীবিদের নুতন টেনশন বিএনপি কি পথ হারাবে? লন্ডন প্রবাসী একজন সিনিয়র কলামিষ্ট যাকে “আমার ভাইয়ের রক্ত রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি” ঐতিহাসিক গানের রচিয়তা হিসাবে শ্রদ্ধা করি, তিনিও তার বিভিন্ন লেখায় বিএনপি’র পথ হারানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।

Read more...

পবিত্র মনে করে লাঙ্গলবন্দের দূষিত জলে স্নান করে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী: তসলিমা নাসরিন

কেরালায় ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। ৮৮৫ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে, প্রায় কুড়ি হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত। লক্ষ মানুষ গৃহহারা। এমন অবস্থায় রীতিমতো মান্যগণ্য এক লোক বলে বসলেন, কেরালার শবরীমালা মন্দিরে মহিলারা ঢোকার অধিকার চাইছেন বলেই দেবতা আয়াপ্পা চটে গিয়ে কেরালায় বন্যা দিয়েছেন। শুধু অশিক্ষিত নন, বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা শিক্ষিতরাও এভাবে ভাবেন।

Read more...

ম্যাসেলম্যান ও ভূমি দস্যুদের কবলে রূপগঞ্জ

তৈমূর আলম খন্দকার: বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম। বৃটিশ থেকে পাকিস্তান, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ, কিন্তু শোষন ও নির্যাতনের পরিবর্তন হয় নাই, পরিবর্তন হয়েছে পদ্ধতি। লুটেরা জনগণের সম্পদ লুন্ঠনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তাদের নিজস্ব পন্থায় যার গতি পূর্বের চেয়ে কমনহে বরং বেশী। বৃটিশ এ দেশকে লুট করার জন্য এসেছিল, সফল হয়েছে, লুটকে গতিশীল করতে দেশী যে দালালদের সহযোগীতা নিয়েছিল তাদেরও ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু ছিন্নমূল হয়ে রয়েছে এ দেশের সাধারণ জনগণ যারা দিন দিন গরীব হচ্ছে এবং নুন আনতে পান্থা ফুড়ানো অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

Read more...

বাংলা সাহিত্যের ‘শ্রেষ্ঠ মৌলিক বাংলা কবিতার’ সন্ধানে

সাকিব জামাল: বাংলা সাহিত্যের মৌলিকত্ব কতোটুকু ? প্রশ্নটি আমার মত ক্ষুদ্র পাঠকের পক্ষে তোলা আদৌ সমীচীন কিনা ! তবুও তুলতে হচ্ছে কারন আমার স্বপ্ন বড় । বাংলা সাহিত্য নিয়ে আমি বড় বড় স্বপ্ন দেখি ।

Read more...

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম