Sun, 22 Jul, 2018
 
logo
 

ম্যাসেলম্যান ও ভূমি দস্যুদের কবলে রূপগঞ্জ

তৈমূর আলম খন্দকার: বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম। বৃটিশ থেকে পাকিস্তান, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ, কিন্তু শোষন ও নির্যাতনের পরিবর্তন হয় নাই, পরিবর্তন হয়েছে পদ্ধতি। লুটেরা জনগণের সম্পদ লুন্ঠনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তাদের নিজস্ব পন্থায় যার গতি পূর্বের চেয়ে কমনহে বরং বেশী। বৃটিশ এ দেশকে লুট করার জন্য এসেছিল, সফল হয়েছে, লুটকে গতিশীল করতে দেশী যে দালালদের সহযোগীতা নিয়েছিল তাদেরও ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু ছিন্নমূল হয়ে রয়েছে এ দেশের সাধারণ জনগণ যারা দিন দিন গরীব হচ্ছে এবং নুন আনতে পান্থা ফুড়ানো অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

Read more...

বাংলা সাহিত্যের ‘শ্রেষ্ঠ মৌলিক বাংলা কবিতার’ সন্ধানে

সাকিব জামাল: বাংলা সাহিত্যের মৌলিকত্ব কতোটুকু ? প্রশ্নটি আমার মত ক্ষুদ্র পাঠকের পক্ষে তোলা আদৌ সমীচীন কিনা ! তবুও তুলতে হচ্ছে কারন আমার স্বপ্ন বড় । বাংলা সাহিত্য নিয়ে আমি বড় বড় স্বপ্ন দেখি ।

Read more...

বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় আশাসহ ৪ জনের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বিস্ফোরক দ্রব্য মামলায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য ঘোষিত সভাপতি আবুল কাউছার আশাসহ আরো ৩ জনকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতের প্রেরণ করা হয়েছে।

Read more...

কমরেড রফিক খান একজন কিংবদন্তির নাম

আবু হাসান টিপু : ২০০১ সালের ৫জুন যে মানুষটি নিখোজ হলেন তিনি আজও ফিরে আসেননি। হয়তো আর কোন দিন তিনি ফিরেও আসবেনা। তারপরও পথ চেয়ে থাকা। প্রতিক্ষা করা। এই বুঝি স্বভাবসুলভ হাতটি বাড়িয়ে দিয়ে বলছেন ‘কেমন আছেন কমরেড’।

Read more...

সালাহ, আপনার সঙ্গে আমিও কেঁদেছি

কবরী সারওয়ার: ফুটবল আমার প্রাণের খেলা। চট্টগ্রামে ছোটবেলায় ভাইদের সঙ্গে পাড়ার ফুটবল খেলা দেখতে যেতাম। অনেক সময় তাদের দেখতাম ফুটবলের পরিবর্তে জাম্বুরা দিয়ে ফুটবল খেলত। এখনো ফুটবল নিয়ে আবেগ এতটুকু কমেনি। আর আমি লিভারপুলের সমর্থক।

Read more...

মে দিবসের চেতনাকে আড়াল করে শুধু'ই উৎসবে পরিণত করা হচ্ছে

এম এ শাহীন: ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস সারা দুনিয়াতে যথাযথ মর্যাদার সহিত উদযাপিত হয়েছে। তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশেও সভা-সমাবেশ ও মিছিল সহ নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রমিক মেহনতি মানুষ তা উদযাপন করেছে। তবে নারায়ণগঞ্জ সহ সারা দেশে মে দিবস উদযাপনে এবার ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে।

Read more...

শ্রমিকের রক্তে লেখা ঐতিহাসিক লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস

এম এ শাহীন: ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরে শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজ, ন্যায্য মজুরি ও অধিকার আদায়ে তিব্র আন্দোলন গড়ে তুলে ছিল। সে আন্দোলন ঠেকাতে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অসংখ্য শ্রমিক কে আহত-নিহত করে। দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সেদিন শ্রমিকরা বুকের তাজা রক্ত ও জীবন দিয়ে অধিকার আদায় করতে সক্ষম হয়েছিল। যার মধ্য দিয়ে রচিত হয় শ্রমিক শ্রেণির এক ঐতিহাসিক লড়াই সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।

Read more...

ঘুষ বানিজ্যের ওপেন সিক্রেট

এ্যাড. তৈমূর আলম কন্দকার: স্বাধীনতার মাস মার্চ ২০১৮ ইং ২২ তারিখে দুটি ঘটনার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী আন্তর্জাতিক মিডিয়া বিবিসি আরও একটি তথ্য প্রকাশ করে পত্রিকায় নিয়মিত পাঠকদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। নি¤œআয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের প্রবেশের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক প্রদত্ব সাটিফিকেট উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জয়গান গেয়ে পুলিশ, র‌্যাব, সরকারী আমলাদের মিছিল, অন্যদিকে সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনী ফলাফল, অধিকন্তু একই সময় “মরার উপর খাড়ার ঘা” হিসেবে স্বৈরতন্ত্রে বাংলাদেশের অবস্থান বিষয়ক বিবিসির তথ্য বহুল প্রতিবেদন।

২২শে মার্চ ২০১৮, ঢাকা মহানগরী সহ দেশব্যাপী সরকারী প্রশাসনের উদ্দ্যেগে সভা সেমিনার র‌্যালীসহ সুন্দর পোষাকের পাশাপাশি রংবে রংগের ব্যানার ফ্যাষ্টুন ডাক ঢোলে মনে হচ্ছিল যে, নি¤œ আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করায় জাতিসংঘের সার্টিফিকেট পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে “ধন্য” “ধন্য” করার প্রয়াসে যেন জাতি আজ আল্লাদে আটখানা! একই কারণে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পূর্বেই ২১ তারিখ থেকে রাজধানীর সকল সরকারী অফিসকে সাজানো হয়েছে লাল, নীল বাতির ঝলকে। উদ্দেশ্য একটাই ছিল জাতিসংঘের সার্টিফিকেটকে বরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্য করা। যে দেশের অগনিত মানুষ এখনো ভিক্ষা করে, যে দেশে ইয়াবা সহ নেশার ব্যবসা দু:ক্ষজনক হলেও জাতীয় করণ হয়েছে, যেখানে প্রশ্ন পত্র ফাস একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা, যে দেশে ব্যাংক লুট করে জনগণের কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে সে দেশকে যখন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে স্বীকৃত দেয়া হয় তাহা আনন্দের সাথে গ্রহণ করবে, এটাইতো স্বাভাবিক। কিন্তু জাতিসংঘের সার্টিফিকেট ও বাস্তবতার কতটুকু সামানজস্য রয়েছে তাহা ভুক্তভোগী জনগণই নির্নয় করবেন। তবে এটুকু বুঝা যায় যে, শাসক শ্রেণীর ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। যে ছিল ১০০ বিঘা জমির মালিক সে হয়েছে ৫০০ বিঘা সম্পত্তির মালিক, পক্ষান্তরে যার ৫/৭ বিঘা সম্পত্তি ছিলো তা বিক্রি করে সে হয়েছে নি:স্ব দিনমজুর।

অন্যদিকে বলতে হয় যে, জাতিসংঘ একটি ঠুটো জগন্যাত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল বর্বর পাকিস্তানীদের পক্ষে, ঠিক আমেরিকার সরকারের মত। পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রে শাস্তি স্থাপনে জাতিসংঘ কার্যকর কোন ভূমিকা রাখতে পারে নাই। আমেরিকা, বৃটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীনের ক্ষমতার মনোরঞ্জনের জন্য জাতিসংঘ একটি ক্লাব মাত্র, অন্যকিছু নহে। মিয়ারমারে গণহত্যার প্রতিকারের জন্য জাতিসংঘ অং সং সূচীর একটি চুলও বাকা বা সোজা করতে পারে নাই, শুধুমাত্র উদ্দ্যেগ প্রকাশ ছাড়া, যেমন উদ্দ্যেগ প্রকাশ করেছিল ২০১৪ ইং সালে বাংলাদেশে একতরফা ভোটার বিহীন নির্বাচনের সময়। যা হউক, জাতিসংঘ যে সার্টিফিকেটই প্রদান করুক না কেন বাংলাদেশের জনগণের এ মর্মে উপলব্দি কি সেটাই এখন পর্যালোচনার বিষয়।

যে দিন (২২শে মার্চ ২০১৮) জেলা/উপজেলাসহ রাজধানীতে মধ্যবর্তী আয়ের উল্যাস চলছিল সে দিনই সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০১৮-২০১৯ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হয়। এ নির্বাচনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ ছিল, প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্য ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপস এম.পি (আওয়ামী পন্থী আইনজীবী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক) নিজে ২ দিন দাড়িয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন। সরকার দলীয় সমর্থীত প্রার্থীদের পক্ষে অনুরূপ দাড়িয়ে থেকে ভোট প্রার্থনা করেছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা মাননীয় এ্যাটর্নী জেনারেল যার দায়িত্ব রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করা কোন রাজনৈতিক দলের নহে। তার সাথে আওয়ামী আইনজীবী শীর্ষ নেতারা ছিল। পাশাপাশি বিএনপি শীর্ষ আইনজীবীরা দাড়িয়ে অনুরূপ ভোট প্রার্থনা করেছেন। উৎসবপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সমাপ্তি হয়। ভোট গণনায় দেখা গেল যে, ১৪টি পদে প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারীসহ বিএনপি পন্থীরা পেয়েছে ১০টি পদ অন্যদিকে যুগ্ম সম্পাদক ও সদস্য মিলিয়ে মোট ৪টি পদ পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এমতাবস্থায়, জনসমর্থন সরকারের পক্ষে কতটুকু রয়েছে তা সরকারের উপলব্দি হয়েছে কি না? তবে পত্রিকান্তরে প্রকাশ যে, দেশের সর্বোচ্চ আইনজীবী প্লাটফর্মে নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ খুজছে সরকার।

পত্রিকান্তরে প্রকাশ, এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে নবনির্বাচিতরা এ মর্মে মন্তব্য করেন যে, “দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল করেনি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীরা কাজ করতে চায়। কিন্তু সরকার সেটি করতে দিচ্ছে না। সরকার বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি সরকার বিচার বিভাগকে যেভাবে দলীয়করণ করছে, এ বিজয় তার প্রতিবাদ। আইনজীবীরা অন্যায়ের জবাব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বারের নির্বাচনের মাধ্যমে বলে মনে করেন নবনির্বাচিতরা।”

সুপ্রিম কোর্ট বারে আওয়ামী লীগ পন্থীদের ভরাডুবির কারণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, “সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার পদত্যাগের বিষয়ে সরকার ও তার সমর্থিত আইনজীবীরা যে বিরূপ ভূমিকা রেখেছিল তা সাধারণ আইনজীবীদের কাছে পছন্দনীয় বা গ্রহণযোগ্য ছিল না। এ ছাড়াও নি¤œ আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির হাতে রেখে তাদের চাকরির যে শৃঙ্খলা বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, তাও আইনজীবীরা সহজভাবে নেননি। এসব কারণেই তারা আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের ভোট দেননি।”

লেখক

কলামিষ্ট ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা

মোবাঃ ০১৭১১-৫৬১৪৫৬

ইমেইল:

এ্যাড. তৈমূর আলম কন্দকার: স্বাধীনতার মাস মার্চ ২০১৮ ইং ২২ তারিখে দুটি ঘটনার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী আন্তর্জাতিক মিডিয়া বিবিসি আরও একটি তথ্য প্রকাশ করে পত্রিকায় নিয়মিত পাঠকদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। নি¤œআয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের প্রবেশের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক প্রদত্ব সাটিফিকেট উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জয়গান গেয়ে পুলিশ, র‌্যাব, সরকারী আমলাদের মিছিল, অন্যদিকে সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনী ফলাফল, অধিকন্তু একই সময় “মরার উপর খাড়ার ঘা” হিসেবে স্বৈরতন্ত্রে বাংলাদেশের অবস্থান বিষয়ক বিবিসির তথ্য বহুল প্রতিবেদন।

২২শে মার্চ ২০১৮, ঢাকা মহানগরী সহ দেশব্যাপী সরকারী প্রশাসনের উদ্দ্যেগে সভা সেমিনার র‌্যালীসহ সুন্দর পোষাকের পাশাপাশি রংবে রংগের ব্যানার ফ্যাষ্টুন ডাক ঢোলে মনে হচ্ছিল যে, নি¤œ আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করায় জাতিসংঘের সার্টিফিকেট পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে “ধন্য” “ধন্য” করার প্রয়াসে যেন জাতি আজ আল্লাদে আটখানা! একই কারণে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পূর্বেই ২১ তারিখ থেকে রাজধানীর সকল সরকারী অফিসকে সাজানো হয়েছে লাল, নীল বাতির ঝলকে। উদ্দেশ্য একটাই ছিল জাতিসংঘের সার্টিফিকেটকে বরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্য করা। যে দেশের অগনিত মানুষ এখনো ভিক্ষা করে, যে দেশে ইয়াবা সহ নেশার ব্যবসা দু:ক্ষজনক হলেও জাতীয় করণ হয়েছে, যেখানে প্রশ্ন পত্র ফাস একটি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা, যে দেশে ব্যাংক লুট করে জনগণের কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে সে দেশকে যখন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে স্বীকৃত দেয়া হয় তাহা আনন্দের সাথে গ্রহণ করবে, এটাইতো স্বাভাবিক। কিন্তু জাতিসংঘের সার্টিফিকেট ও বাস্তবতার কতটুকু সামানজস্য রয়েছে তাহা ভুক্তভোগী জনগণই নির্নয় করবেন। তবে এটুকু বুঝা যায় যে, শাসক শ্রেণীর ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। যে ছিল ১০০ বিঘা জমির মালিক সে হয়েছে ৫০০ বিঘা সম্পত্তির মালিক, পক্ষান্তরে যার ৫/৭ বিঘা সম্পত্তি ছিলো তা বিক্রি করে সে হয়েছে নি:স্ব দিনমজুর।

অন্যদিকে বলতে হয় যে, জাতিসংঘ একটি ঠুটো জগন্যাত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল বর্বর পাকিস্তানীদের পক্ষে, ঠিক আমেরিকার সরকারের মত। পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রে শাস্তি স্থাপনে জাতিসংঘ কার্যকর কোন ভূমিকা রাখতে পারে নাই। আমেরিকা, বৃটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীনের ক্ষমতার মনোরঞ্জনের জন্য জাতিসংঘ একটি ক্লাব মাত্র, অন্যকিছু নহে। মিয়ারমারে গণহত্যার প্রতিকারের জন্য জাতিসংঘ অং সং সূচীর একটি চুলও বাকা বা সোজা করতে পারে নাই, শুধুমাত্র উদ্দ্যেগ প্রকাশ ছাড়া, যেমন উদ্দ্যেগ প্রকাশ করেছিল ২০১৪ ইং সালে বাংলাদেশে একতরফা ভোটার বিহীন নির্বাচনের সময়। যা হউক, জাতিসংঘ যে সার্টিফিকেটই প্রদান করুক না কেন বাংলাদেশের জনগণের এ মর্মে উপলব্দি কি সেটাই এখন পর্যালোচনার বিষয়।

যে দিন (২২শে মার্চ ২০১৮) জেলা/উপজেলাসহ রাজধানীতে মধ্যবর্তী আয়ের উল্যাস চলছিল সে দিনই সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০১৮-২০১৯ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হয়। এ নির্বাচনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ ছিল, প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্য ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপস এম.পি (আওয়ামী পন্থী আইনজীবী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক) নিজে ২ দিন দাড়িয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন। সরকার দলীয় সমর্থীত প্রার্থীদের পক্ষে অনুরূপ দাড়িয়ে থেকে ভোট প্রার্থনা করেছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা মাননীয় এ্যাটর্নী জেনারেল যার দায়িত্ব রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করা কোন রাজনৈতিক দলের নহে। তার সাথে আওয়ামী আইনজীবী শীর্ষ নেতারা ছিল। পাশাপাশি বিএনপি শীর্ষ আইনজীবীরা দাড়িয়ে অনুরূপ ভোট প্রার্থনা করেছেন। উৎসবপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সমাপ্তি হয়। ভোট গণনায় দেখা গেল যে, ১৪টি পদে প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারীসহ বিএনপি পন্থীরা পেয়েছে ১০টি পদ অন্যদিকে যুগ্ম সম্পাদক ও সদস্য মিলিয়ে মোট ৪টি পদ পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এমতাবস্থায়, জনসমর্থন সরকারের পক্ষে কতটুকু রয়েছে তা সরকারের উপলব্দি হয়েছে কি না? তবে পত্রিকান্তরে প্রকাশ যে, দেশের সর্বোচ্চ আইনজীবী প্লাটফর্মে নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ খুজছে সরকার।

পত্রিকান্তরে প্রকাশ, এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে নবনির্বাচিতরা এ মর্মে মন্তব্য করেন যে, “দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল করেনি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীরা কাজ করতে চায়। কিন্তু সরকার সেটি করতে দিচ্ছে না। সরকার বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি সরকার বিচার বিভাগকে যেভাবে দলীয়করণ করছে, এ বিজয় তার প্রতিবাদ। আইনজীবীরা অন্যায়ের জবাব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বারের নির্বাচনের মাধ্যমে বলে মনে করেন নবনির্বাচিতরা।”

সুপ্রিম কোর্ট বারে আওয়ামী লীগ পন্থীদের ভরাডুবির কারণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, “সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার পদত্যাগের বিষয়ে সরকার ও তার সমর্থিত আইনজীবীরা যে বিরূপ ভূমিকা রেখেছিল তা সাধারণ আইনজীবীদের কাছে পছন্দনীয় বা গ্রহণযোগ্য ছিল না। এ ছাড়াও নি¤œ আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির হাতে রেখে তাদের চাকরির যে শৃঙ্খলা বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, তাও আইনজীবীরা সহজভাবে নেননি। এসব কারণেই তারা আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের ভোট দেননি।”

লেখক

কলামিষ্ট ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা

মোবাঃ ০১৭১১-৫৬১৪৫৬

ইমেইল: '); document.write(addy5582); document.write('<\/a>'); //-->\n This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it. " target="_blank">This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি আসন্ন?

এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার: বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম। যুক্তরাষ্ট্র অর্থাৎ আমেরিকা পৃথিবীর শক্তিমান রাষ্ট্র যার ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর অনেক রাষ্ট্রের নীতির পরিবর্তন ঘটে।

Read more...

প্রতারণার ফাঁদ: কষ্টি-পাথরের মূর্তি

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: প্রায় দুই যুগ ধরে দেশী-বিদেশী সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র একের পর এক সহজ সরল অর্থ-লোভী মানুষদেরকে অর্থের লোভ দেখিয়ে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে কষ্টিপাথরের মূর্তি ক্রয়-বিক্রয় করার নামে লক্ষ-লক্ষ, কোটি-কোটি টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে।

Read more...

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম