Thu, 19 Jul, 2018
 
logo
 

বর্ষা আসলেই পানিতে তলায় বিদ্যালয়ের মাঠ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ‘এমনিতেই নেই খেলার মাঠ। তার উপর স্কুলের মাঠও জলাবদ্ধা হয়ে থাকে, তাহলে শিশুরা খেলবে কোথায়। তাই বর্ষার পুরো মৌসুমই বিদ্যালয়ের মাঠে ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলা করতে পারে না। ’

বুধবার (২৭ জুন) গণমাধ্যমের সামেন একথা গুলো বলছিলেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার হাজী পান্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর অভিভাবক জান্নাতুল ফেরদৌস। তার দাবি, গত তিন বছর ধরে বিদ্যালয়ের মাঠে এ অবস্থা চলছে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে আল-আমিন নামের এক শিক্ষার্থী জানান, বর্ষা আসলেই পানিতে তলিয়ে যায় স্কুলের মাঠ। এসময় খেলাধুলা তো দূরের কথা স্কুলের বারান্দা ছাড়া হাটা চলারও ব্যবস্থা থাকে না।


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুল মাঠ জলাবদ্ধতায় ডুবে আছে। জমে থাকা পানি গুলোও তীব্র রোধে সবুজ রঙ ধারণ করেছে। মাঠের কিছু অংশে পড়ে আছে নির্মানার্ধীন ভবনের সামগ্রী। ফলে শিক্ষার্থীদের হাটা চলার একমাত্র ভরসাই এখন বিদ্যালয়টির ভবনের বারান্দা। তবে কিছুটা পানি বৃদ্ধি পেলে চারতলা ভবনের নিচ তলার বারান্দায়ও পানিতে তলিয়ে যাবে।


এলাকার স্থানীয়রা জানান, আশির দশক থেকে কুতুবপুরের হাজী পান্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে মানুষের মাঝে। স্কুলটির থেকে পড়ে অনেকেই আজ সমাজ ও জেলার প্রতিষ্ঠিত অবস্থানে রয়েছেন। কিন্তু আজ অবহেলিত হয়ে পরে আছে স্কুলটি।


জানা গেছে, ১৯৮৪ সনে দানবীর আলহাজ্ব মরহুম হাজী পান্দে আলী সাহেব বিদ্যালয়ের জায়গাটি দান করেন। এরপর থেকে ফতুল্লার কুতুবপুর এলাকার মানুষের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে অবদান রাখে আসছে স্কুলটি। বর্তমানে ৫ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১৩ শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে।


হাজী পান্দে আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আখতারম্নজ্জামান জানান, বিদ্যালয়টির যাতে পানি না জমে, তাই সব সময়ই পাশের ড্রেন পরিস্কার রাখি। কিন্তু বিদ্যালয়ের আশপাশে সকল স্থানেই পানিতে তলিয়ে আছে। তাই পানি নেমে যাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই।


স্কুলটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিশির কুমার বালা জানান, আমরা কয়েক দিন পূর্বেও এ সমস্যাটি নিয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন’র সাথে আলোচনা করেছি। তিনি সমাধনের আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, ‘নির্মানাধীন ভবনের কাজ শেষ হলেও পানি থাকলে ব্যবস্থা নিবেন।’
এবিষয়ে কথা বলার জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসনে আরা বেগম’র সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম