Thu, 24 Jan, 2019
 
logo
 

প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণায় প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: প্রতীক বরাদ্দের পর জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচারণায় নেমেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও জোটের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। এসময় নিজ নিজ দলের প্রার্থীর পক্ষে স্লোগান দেন তারা। ভোটারদের কাছে ভোট চান। দেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি।

সোমবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের ৩৫ প্রার্থীর হাতে প্রতীক তোলেদেন জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা মো. রাব্বি মিয়া। প্রতীক পেয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন প্রার্থীরা। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচার উৎসব শুরু হলো।

এদিকে, সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং অফিসা।

নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি আসনে মোট ভোটার ২০ লাখ ৩৪ হাজার ২৩৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৩৪ হাজার ৩৯ জন ও নারী ভোটার ১০ লাখ ১৯৪ জন।

 প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণায় প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি আসনে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা ৩৫ জন। এরা হলেন-

১ আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজীকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হয়েছে, বিএনপির কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের হাতে তোলে দেওয়া হয়েছে ধানের শীষ, জাতীয় পার্টির মো. আজম খানকে তোলে দেওয়া হয় লঙ্গল, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির মো. মনিরুজ্জামান চন্দনকে দেওয়া হয় কাস্তে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইমাদুল্লাহকে দেওয়া হয় হাতপাখা, জাকের পার্টির মাহফুজুর রহমানকে দেওয়া হয় গোলাপ ফুল।

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমানকে দেওয়া হয় সিংহ।

২ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুকে দেওয়া হয় নৌকা, বিএনপির মো. নজরুল ইসলাম আজাদকে দেওয়া হয় ধানের শীষ, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির মো. হাফিজুল ইসলামকে দেওয়া হয় কাস্তে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নাসির উদ্দিনকে দেওয়া হয় হাতপাখা।

৩ আসনে জাতীয় পার্টির লিয়াকত হোসেন খোকাকে দেওয়া হয়েছে লাঙ্গল, বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নানকে দেওয়া হয়েছে ধানের শীষ, স্বতন্ত্র প্রার্থী কায়সার হাসনাতকে দেওয়া হয়েছে সিংহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মো. ছানাউল্লাহ নূরীকে দেওয়া হয়েছে হাতপাখা, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির আ. সালাম বাবুলকে দেওয়া হয়েছে কাস্তে, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এএনএম ফখরউদ্দিন ইব্রাহিমকে দেওয়া হয়েছে তারা, বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের (বিটএফ) মো. মজিবুর রহমানকে দেওয়া হয়েছে ফুলের মালা ও জাকের পার্টির মো. মুরাদ হোসেন জামালকে দেওয়া হয়েছে গোলাপ ফুল।

৪ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী একেএম শামীম ওসমানকে দেওয়া হয় নৌকা প্রতীক, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট্রের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে দেওয়া হয় ধানের শীষ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সেলিম মাহমুদকে দেওয়া হয় মই, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মাহমুদ হোসেন কোদাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে দেওয়া হয় হাতপাখা, সিপিবির প্রার্থী ইকবাল হোসেনকে দেওয়া হয় কাস্তে, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) মো. ওয়াজি উল্লাহ মাতব্বর অজুকে দেওয়া হয় গাভী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জসীম উদ্দিনকে দেওয়া হয় বটগাছ।

৫ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী একেএম সেলিম ওসমানকে দেওয়া হয়েছে লাঙ্খল, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী এসএম আকরামকে দেওয়া হয়েছে ধানের শীর্ষ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাজী মো. আবুল কালামকে হাতপাখা, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) আবু নাঈম খান বিপ্লবকে মই, খেলাফত মজলিসের হাফেজ মো. কবির হোসেনকে দেওয়াল ঘড়ি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদীকে চেয়ার, সিপিবির প্রার্থী এড. মন্টু ঘোষকে কাস্তে ও জাকের পার্টির মোর্শেদ হাসানকে গোলাপ ফুল।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম