Mon, 26 Jun, 2017
 
logo
 

‘ঈদের পোশাক লুকিয়ে রাখতাম, রাত জেগে ঈদগাহ্ সাজাতাম’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ ডট কম: নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রধান সরকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মো: আনিছুর রহমান মিঞা। বছর জুড়েই কর্ম ব্যস্ততা। যে কারণে খুব বেশি সময় দিতে পাড়েনা পরিবার পরিজনকে।

তাই বলে কি বছরের একটি দিন ঈদ-উল-ফিতরেও কি এমন সময় কাটাবেন জেলা প্রশাসক। পরিবারের সাথে ঈদ উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন কি? নাকি বাড়িতে আসা অতিথিদের আপ্যায়নে ব্যাস্ত থাকবেন জেলা প্রশাসক? কিভাবে কাটে তার ঈদের দিন কিংবা মনে পড়ে কি সেই ঈদগুলো যা তাহা শৈশবের স্মৃতিতে?
পাঠকদের এমনই অনেক কৌতুহলী প্রশ্নের উত্তর খুঁজে আনার চেষ্টা করেছে ‘লাইভ নারায়ণগঞ্জ’। লাইভ নারায়ণগঞ্জ’র প্রতিনিধি রফিকরনিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে ঈদ উদ্যাপনের পরিকল্পনা ও স্মৃতিকোঠা থেকে কিছু নাজানা কথা জানালেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: আনিছুর রহমান মিঞা।

 

ঈদের দিন পরিবারকে সময় দেয়ার চেষ্টা করি। সকালে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে ঈদের জামাতে নামায আদায় করব। নামায শেষে স্ত্রী ও সন্তান এবং অতিথিদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেব। বাসায় অতিথিদের আপ্যায়ন করবো।

 

শৈশবের ঈদ উদযাপন প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, আমি গাজীপুরের ছেলে। জেলার সদর উপজেলাধীন কুদার এলাকাতে আমাদের বাড়ি। ছোটবেলায় ঈদগাহ্ সাজানো ছিল আমাদের বন্ধুদের ঈদ আনন্দ। চাঁদরাতে গভীর রাত পর্যন্ত চলত। ঈদগাহ্ জাতীয় পতাকাসহ লাল নীল কাগজের পতাকা দড়ির সাথে লাগিয়ে দিয়ে সাজানো হত। আর এখনতো সাজানোর অনেক কিছু রয়েছে।

 

ঈদের নতুন পোশাক প্রসঙ্গে বলেন, আগে আমরা একটা নতুন পোশাক পেলেই অনেক খুশি হতাম। আবার পোশাক কেনার পর কেউ যেন ঈদের আগে দেখতে না পারে সেজন্য পোশাকটি লুকিয়ে রাখতাম। ঈদের দিন বের করতাম।

আনিছুর রহমান মিঞা আরো জানান, ঈদের দিন মাঠে সবার সাথে দেখা হতো, কারো সাথে বছরে হয়তো ঔ দিন দেখা হতো। অনেক ভালো লাগতো এবং সেই স্মৃতিগুলো এখনো চোখের সামনে ভেসে ওঠে। কোরবানীর ঈদে একমাঠে সবাই মিলে গরু কোরবানী দিতাম। এ যেন এক অন্যরকম আনন্দ ছিল।

 

বর্তমানে চাকুরীর দরুন ঈদে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ না হলেও প্রতি ঈদে শৈশবের সেই স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যায়। এক সময় ভাবতে থাকি যদি সুযোগ পেতাম হয়তো আবারো শৈশবের দিনে ফিরে যেতাম।

 

গাজীপুর জেলার কুদার গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো: আনিছুর রহমান মিঞা দুই কণ্যা সন্তানের জনক। বড় মেয়ে নুসরাত তাবাসুম আনুম মোহাম্মদপুর প্রিপ্রেটরি স্কুলে সপ্তম শ্রেণী এবং জেরিন মুনিয়া আরতি হলিক্রস স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণীতে অধ্যায়নরত।

 

জেলার প্রথম অনলাইন ভিডিও নিউজ পোর্টাল লাইভ নারায়ণগঞ্জ’র পাঠকদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক বলেন, লাইভ নারায়ণগঞ্জ খুব ভাল খবর প্রকাশ করে। যারা ভাল খবর সৃষ্টি করে তাদের উৎসাহ দেয়ার জন্য ভাল মন্দ মন্তব্য করবেন পাঠকরা। যারা মন্দ খবর করে তাদের প্রতি ঘৃণা এবং প্রতিবাদ করবেন। লাইভ নারায়ণগঞ্জ’র এই অবস্থান যেন পাঠকদের মাঝে বজায় থাকে সেই প্রত্যাশা করি।

 

সিদ্ধিরগঞ্জে ২ শিশুর ওপর হওয়া নির্যাতন প্রসঙ্গে আনিছুর রহমান মিঞা বলেন, প্রত্যেক মানুষ যেনো শিশুদের প্রতি হৃদয়বান হন। আমি সে আহবান জানাই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আস্থাবান হবে। এছাড়া তিনি বলেন সিলেটে অন্যায় ভাবে শিশু রাজনকে হত্যা করেছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে মানুষ রুঁখে দাঁড়াবে।

লাইভ নারায়ণগঞ্জ পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এবং লাইভ নারায়ণগঞ্জ’র সফলতা কামন করেন।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম ২৪