Thu, 14 Dec, 2017
 
logo
 

রাজনীতির সূচনা আ.লীগ দিয়ে. মরতেও চাই এই দলে থেকে : আল মামুন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ সদর থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল-মামুন। যার বিরুদ্ধে ৪২ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কোন অভিযোগ উঠেনি।

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালিন সময়েও কোন সুযোগ-সুবিধা ছাড়াই রাজনীতি করে যাচ্ছেন।

দলের প্রতি তার ভালবাসা ও আত্মত্যাগের প্রতি মুগ্ধ হয়ে এমপি শামীম ওসমান নিজেই তাকে সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব অর্পন করেছেন। লাইভ নারায়ণগঞ্জের সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি প্রথমেই বলেন, এখন ভাষা দিবসের মাস অতিবাহিত হচ্ছে। ভাষা শহীদদের প্রতি আমার অজ¯্র শ্রদ্ধা রইলো। কারণ তাদের কারণে আমারা আমাদের মায়ের ভাষায় কথা বলতে পারছি। আমি সবসময় নীতির প্রতি অবিচল থাকার চেষ্টা করেছি। আমি কখনোই অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি আর ভবিষ্যতেও করবোও না। দলের প্রতি যাদের একান্ত আনুগত্য রয়েছে তাদেরকে সাথে নিয়েই আমার চলাফেরা।

তিনি আরো বলেন, আমার কোন শত্রু নেই। আমি সবাইকে নিজের একান্ত কাছের মানুষ মনে করি। তবে ইদানিং কিছু মানুষ আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে। আমি তাদেরকে কিছুই বলবো না, তবে এতটুকুই বলবো আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে আপনাদের কোন লাভ হয়েছে কিনা? আমার বিরুদ্ধে কেউ যদি কোন অভিযোগের প্রমাণ আনতে পারে, তবে নির্দ্বিধায় তা মাথা পেতে নেব। আর যদি কেউ নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য কুৎসা রটনা করে থাকেন, তাহলে আমার জন্য তা কল্যাণকরই হবে। আমার রাজনৈতিক জীবনে চলার পথ সহজ হবে।

আল মামুন বলেন, আমি সবসমই নিজের পকেটের টাকা খরচ করে রাজনীতি করেছি। দল থেকে কোন রকমের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করিনি। কখনোই দলের প্রভাব খাটিয়েছি বলে এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না। আমি রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়েছে আওয়ামী লীগের মধ্য দিয়ে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথেই সম্পৃক্ত থাকতে চাই।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকেন আমি নাকি জোর করে সাধারণ সম্পাদকের পদ ছিনিয়ে নিয়েছি। যদি কেউ এর প্রমাণ দিতে পারেন তাহলে আপনারা এ ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত নিবেন আমি তাতেই রাজী থাকবো। ২০১২ সালে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান আমার কাজের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে থানা কমিটির সকলের সামনে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছে। তারপরেও আমি বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলে পরবর্তীতে আবারো তিনি সাধারন সম্পাদক হিসেবে আমার নাম ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমি সবসময় দলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তাদেরকে কখানোই আমি প্রশ্রয় দেই না। কারণ অনুপ্রবেশকারীরা দলের জন্য সবসময় অকল্যাণকর। আমি আমাদের থানা কমিটিকে অনুপ্রবেশমুক্ত নেতাদের দিয়েই সাজাতে চাই।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম