Sun, 26 Feb, 2017
 
logo
 

একান্ত সাক্ষাতকারে কমরেড হাফিজ- 'বড় ভাই ছিলেন ডাকসুর এজিএস'

কমরেড হাফিজুল ইসলাম। নারায়নগঞ্জ জেলা কমিউনিষ্ট পার্টির সভাপতি। নানা আন্দোলন সংগ্রামের অগ্রনায়ক এই হাফিজুল ইসলামকে নিয়ে ২পর্বের সাক্ষাৎকার এর ১ম অংশ আজ লাইভ নারায়ণগঞ্জ পাঠকদের জন্য সাঁজানো হয়েছে।

 

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, রাজনৈতিক, সামাজিকসহ নানা আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী এই রাজনীতিবিদ খোলামেলা কথা বলেছেন লাইভ নারায়ণগঞ্জকে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন সংগ্রাম করে যেতে চান তিনি। মতামত দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি, সন্ত্রাস, শ্রমিক আন্দোলনসহ নানা বিষয়ে ।

 

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, রাজনৈতিক, সামাজিকসহ নানা আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী এই রাজনীতিবিদ খোলামেলা কথা বলেছেন লাইভ নারায়ণগঞ্জের সাথে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন সংগ্রাম করে যেতে চান তিনি। মতামত দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি, সন্ত্রাস, শ্রমিক আন্দোলনসহ নানা বিষয়ে ।


প্রশ্নঃ আপনার পারিবারিক জীবন সম্পর্কে বলুন?
হাফিজুল ইসলামঃ আড়াইহাজারের দুপ্তারা ইউনিয়নের নতুন বান্টি গ্রামে আমার জন্ম। দুপ্তারা স্কুলেই প্রাথমিক ও হাইস্কুল জীবন কেটেছে। বাবা চিকিৎসক হিসেবে কিছুদিন নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় কাঠের দোতলায় প্র্যাকটিস করেছেন। সেই সুবাদে ছোটবেলা থেকেই নারায়ণগঞ্জ শহরে পদচারনা ছিলো। আমার পিতা আলহাজ্ব ডাক্তার মিজানুর রহমান, মা আলহাজ্বা রওশন আরা বেগম। আমার দাদা আলহাজ্ব এ কে সামছুদ্দিন আহাম্মেদ বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের যোদ্ধা ছিলেন। ১৯৪৬ সালের বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে তার অগ্রনী ভূমিকা ছিলো। বাবা ঢাকা সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন। সেসময় মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শের এ বাংলা এ কে ফজলুল হক ও জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংস্পর্শে এসেছিলেন।  ৫ ভাই ৪ বোনের মধ্যে বড়ভাই মঞ্জুরুল ইসলাম ১৯৮১ সালের ডাকসুর (মাহমুদুর রহমান মান্না-আক্তারুজ্জামান পরিষদ) নির্বাচনে দুদুবার সবোর্চ্চ ভোটে এজিএস নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপুটি কন্ট্রোলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি অধ্যাপনা পেশায় যুক্ত। বড়ভাইয়ের মেয়ে মহসিনা ইসলাম মুন্নী গাজী টেলিভিশনের নিউজ এডিটর হিসেবে কমর্রত আছেন এবং ছোট মেয়ে আফসানা ইসলাম তন্নী ঢাকা ভার্সিটির অধ্যাপক। আমার আরেক ভাই তাজিমুল ইসলাম রোটারী ইন্টারন্যাশনালের ডিষ্ট্রিক্ট লিডার। বাকী ভাই বোনেরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।
প্রশ্নঃ আপনার শিক্ষা জীবন কোথায় কিভাবে কেটেছে?
হাফিজুল ইসলামঃ ১৯৮৩ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করার পর আমি নারায়ণগঞ্জের সরকারী তোলারাম কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন লাভ করি। ব্যবসায়ীক জীবনে আমার নির্মাণ সামগ্রী ও সুতার ব্যাবসা রয়েছে। আমার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের নাম হাফিজ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল। ১৯৯৫ সালের ২১ জুলাই আমি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমার এক ছেলে এক মেয়ে আইডিয়াল স্কুলে পড়াশুনা করে। স্ত্রী গৃহিনী।
প্রশ্নঃ রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন কবে থেকে?


একান্ত সাক্ষাতকারে কমরেড হাফিজ- 'বড় ভাই ছিলেন ডাকসুর এজিএস'হাফিজুল ইসলামঃ আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু ইন্টারমিডিয়েটে পড়ার সময়। তখন ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়ার সময় আমি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হই। ছাত্র ইউনিয়নের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য থাকাকালে সরকারী তোলারাম কলেজে পড়ার সময় ১৯৮৫ সালের ১৩ মে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাবরন করি। জেল থেক মুক্ত হয়ে কমিউনিষ্ট পার্টির সভ্য (সদস্য) পদ লাভ করি। নারায়ণগঞ্জ জেলা যুব ইউনিয়নের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। ১৯৯১ ও ২০০১  সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসন থেকে কমিউনিষ্ট পার্টির মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছি। কমিউনিষ্ট পার্টির পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের কাজ করে যাচ্ছি।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম ২৪