Mon, 22 Oct, 2018
 
logo
 

ক'দিন বাদেই হাট: হৃষ্টপুষ্ট গরু নিয়ে প্রস্তুত না.গঞ্জের ৩ হাজার খামারী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লার খাদেম আলী। পরম যত্নে নিজ হাতে খামারের গরু পরিচর্যায় ব্যস্ত সে। কারণ ক'দিন বাদেই কোরবানি। হৃষ্টপুষ্টের পাশাপাশি পশু দেখতে সুন্দর না হলে ক্রেতারা পছন্দ নাও করতে পারেন। তাই বাড়তি যত্ন।
ফতুল্লার মতো জেলার সব গরু খামারেই এখন রাত দিন ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। গরু মোটাতাজা করতে ঘাসের পাশাপাশি শুধু প্রাকৃতিক খাবারই খাওয়ানো হচ্ছে বলে দাবি খামারিদের। খামারের এসব গরু দেশের প্রান্তিক এলাকা থেকে ৬ থেকে ৯ মাস আগে কিনে এনে তা বেশী দামে বিক্রির জন্য মোটাতাজা করছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
 
বক্তাবলীর খামারি হাসান বলেন, 'আমরা বাছুর সরাসরি ভারত থেকে আমদানি করি। আবার কিছু খামার থেকে আনি, কিছু বাজার থেকেও কিনি। এগুলোকে আমরা ন্যাচারাল খাবার খাওয়াই।'
 
এক খামারি বলেন, 'শেষ পর্যন্ত দেখা যায় যে, যে দামে বিক্রির টার্গেট থাকে সেই দামটা পাওয়া যায় না। ভারতীয় গরু চলে আসে।'
 
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জের ২ হাজার ৮ ‘শ ৯৭টি ডেইরি, ১০৬টি ভেড়া ও ১৮৪টি ছাগলের  খামার রয়েছে। এসকল খামার থেকে এবার নারায়ণগঞ্জের মানুষের কোরবানীর গরুর চাহিদা মিটবে।
 
তবে নারায়ণগঞ্জ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বাসনা আক্তার বলেন, আসন্ন কোনবানীকে সামনে রেখে আমরা জেলার বিভিন্ন খামারে গিয়ে গরু দেখছি। যাতে কোন প্রকার ভ্যাকসিন মাধ্যমে মোটা তাজা করা না হয়। 

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম