Wed, 19 Sep, 2018
 
logo
 

ঈদের প্রভাব এখনো বাজারে, হচ্ছে না বেচাকেনা

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: কাঁচা বাজারগুলোতে ঈদের ছুটির আমেজ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। বিক্রেতাদের পণ্য সাজিয়ে বসার ধরন স্বাভাবিক দেখালেও ক্রেতার দেখা মিলছে কম। বেচাকেনা কম হওয়ায় এবং পণ্যের চাহিদা কম থাকায় কিছু কিছু দোকান বন্ধ রয়েছে। বাজারের চেনা রূপ পেতে আরও দুইদিন লাগবে। আজ ও কাল ছুটিতে থাকা বেশিরভাগ মানুষ ঢাকায় ফিরবে এবং রোবাবর থেকে বাজার পাবে সেই চিরচেনা রূপ।

সবজি বিক্রেতা শামছুল জানান, বাজার পণ্য আছে, দামও তেমন বাড়েনি, কিন্তু কাস্টমার কম। এখনও সব মানুষ ঢাকায় আসতে পারে নাই। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারায়ণগঞ্জবাসী কাল নাগাদ প্রবেশ করবে। আশা করা যাচ্ছে- রোববার থেকে পুরোদমে সরগরম থাকবে কাঁচাবাজার।


ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় মার্কেটগুলোতে কিছু কিছু মুদি দোকান এখনও বন্ধ রয়েছে। দোকানীরা বলেন, ক্রেতা সংকটে ইতোমধ্যে পাইকারি বাজারে সবজির দাম পড়ে গেছে। তবে দু-এক দিনের মধ্যে বাজার পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শুক্রবার সবজির বাজারে প্রতি কেজি চিচিঙ্গা ৫৫-৬০ টাকা, ধনেপাতা ১৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, বেগুন ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, গাঁজর ৫০-৬০, আলু ২৫ টাকা এবং বরবটি ৬০-৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ ৩৫-৪০ টাকা, জালি কুমড়া ৩০-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা জানান, প্রায় সব সবজির দামই গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় ১০-২০ টাকা করে বেড়েছে।

প্রতিবছর রোজার ঈদের পর মাংসের বাজার অস্থিরতা দেখা গেলেও এবার ঘটেছে ব্যতিক্রম। গরুর মাংস প্রতি কেজি এখনও ঈদের আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। আর বাজারে ক্রেতা কম হলেও অধিকাংশ মাছের দামই নাগালের মধ্যে। প্রতি কেজি বড় সাইজের গলদা চিংড়ি ১ হাজার টাকা, মাঝারি সাইজ ৮০০ টাকা ও ছোট সাইজ ৪৫০-৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বন্যার কারণে শাকের দাম বাড়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত আর কমেনি। দেশি পেঁয়াজের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম