Sat, 20 Oct, 2018
 
logo
 

‘রাস্তা থেকে কিনে সবাই ফিরে যায়, মার্কেটে কেউ উকিও দেয় না’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটাতে চাই নতুন কাপড়। সামর্থ্য কম, তাই নিম্নবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষের কেনাকাটায় ফুটপাতই ভরসা। ঈদকে ঘিরে বিক্রি বাড়ছে নগরের ফুটপাতের দোকানে।


ফুটপাত দখল শেষে সড়ক দখলে নিয়েছে অনেক হকার। অথচ বেচা-কেনার এমন ভরা মৌসুমে নগরীর সিটি মাধবী প্লাজার পাশে হকারদের জন্য বরাদ্দকৃত মার্কেটের বেশির ভাগ দোকানই বন্ধ।

জানা গেছে, বিগত ‘ওয়ান ইলাভেনের’ সময় শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত রাখতে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সিটি করপোরেশন শহরের ফুটপাতে হকারী করছেন এমন ৬৭৫ জনের একটি তালিকা করে।

পরে তাদেরকে শহরের চাষাঢ়ায় খাজা সুপার মার্কেটের পাশে সিটি করপোরেশনের জায়গাতে দোকান তৈরি করে পুনর্বাসন করা হয়। তবে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরেই ধীরে ধীরে আবারও শহরের ফুটপাত হকাররা দখল করতে শুরু করে। তবে হকার ইস্যু নিয়ে দুই মেরুর নেতাদের মাঝে দন্ডের পর থেকে অনেকটা হকারমুক্ত রয়েছে বঙ্গবন্ধু সড়ক।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ৬৭৫টি ছোট আঁকারের দোকান এখন বড় হয়ে ২৬০টিতে পরিণত হয়েছে। তবে ২৬০টি দোকানের মাঝেই ১৪৩ টি দোকানই বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও মার্কেটের সামনের ফুটপাত দখল করে বসেছে ৭৭ টি কাপড়, জুতা, বেল্টের দোকান। পাশাপাশি ৭ টি দর্জি মেশিনসহ ৫ টি অস্থায়ী ফলের দোকান রয়েছে। আর সড়ক দখল ২২ টি কাপড়ের দোকানসহ বসানো হয়েছে ১২ টি জুতার দোকান ও ১টি দর্জি মেশিন।

দোকান মালিক ও সংশ্লিষ্টরা জানান, নগরীর বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছে, এমন হকারদের গুদাম ঘর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে হকার্স মার্কেটের এই বন্ধ দোকানগুলো। আবার কেউ কেউ অন্য দোকানীর কাছে ভাড়া দিয়ে রেখেছে, অনেকে করেছে পজিশন বিক্রিও।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানী জানান, ফুটপাতে ব্যবসা না করে সকলেই যদি দোকানগুলো খুলতো, তাহলে মার্কেটটি প্রাণ ফিরে পেতো। অপরদিকে শহরের ফুটপাতও থাকতো দখলমুক্ত।

এসময় পাশের দোকানী বলেন, ‘এই যে দেখতাসেন এই অবস্থাই সারাদিন। খালি রাত্রে একটু বেচাকেনা হয় তাও অত না । যাদের রাস্তায় দোকান আছে তারা ধুমছে বেচতাছে। আর আমরা বসে রইছি। কেউ ভিতরে উকিও দেয় না।’

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম