Mon, 23 Oct, 2017
 
logo
 

হাস মুরগীর রানিক্ষেত রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করলেন মিজান


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ : বাংলাদেশে পোলট্রি ব্যাবসা একটি জনপ্রিয় এবং লাভজনক ব্যাবসা । এই পোলট্রি ব্যাবসায়ের মাধ্যমে দেশে ডিম ও মাংসের চাহিদা তথা প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মিটিয়ে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আর্জনের একটি পথ ।


 কিন্তু মুরগী এবং পাখি পলন বা ডিম ও মাংস উৎপাদনের বড় অন্তরায় পাখির রোগবালাই বা মরক । এই মরকের মধ্যে অন্যতম হলো রানিক্ষেত । এই রোগ আক্রন্ত হলে পাখি কোন ভাবেই বাচানো সম্ভব হয়না । নামে একটি ভ্যাকসিন আছে এ রোগ আক্রান্ত হওয়ার আগে প্রোয়োগ করলে তিন মাসের জন্য নিরাপদ থাকা যায় । এই রোগ এটির আক্রান্ত হলে ঐ এলাকায় বা খামারে সব পাখি আক্রান্ত হয় এবং আক্রান্ত একটা পাখিকেও বাচানো সম্ভব হয়না । কোনভাবে যদি ভ্যাকসি দেওয়ার আগে বা ভ্যাকসিনের সময় পার হওয়ার পরে এই রোগ আক্রন্ত হয় তাহলে তখন ঐ খামারে সব পাখি মারাযাবে এবং খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ।

বর্তমানে এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য ঢাকার এক লোক এইরোগের চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে । তার নাম : মোঃ মিজানুর রহমান সুমন । তার এই চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কারের মাধ্যমে সাত থেকে দশদিনের মধ্যে মাত্র দশ থেকে বিশ টাকা খরচ করে এই রোগ ভাল বা সম্পুর্ন ভাল করা সম্ভব হবে । তার আর একটি আবিষ্কার পাখির গলনালী ও পঃয়নালী টিউমারের চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার । তার এ দুইটি আবিষ্কার বিশ্বে এই প্রথম ।

তাই এই আবিষ্কারের প্রতি জনমত গড়ে তুলে আবিষ্কারটি সরকারী স্বিকৃতি পেতে সাহায্য করবেন এবং ভবিষ্যতে আবিষ্কারককে আরও কিছু আবিষ্কার করে আপনাদের এবং সারা পৃথিবীকে সেবা করার সুযোগ করে দিবেন । দেশের সুনাম বৃদ্ধি করতে সুযোগ করে দিবেন ।

 এই রোগের লক্ষন পাখির প্রজাতি ভেদে কিছুটা আলদা হতে পারে । কবুতর ও কিছু পাখির বেলায় :-(১) চুনা সমসত্ত ভাবে মিস্রিত পত্ত সবুজ মল ত্যাগ করবে এবং রোগ তিব্র হলে মল কালো ও সমসত্ত ভাবে চুনা মিস্রিত থাকবে । (২) কবুতর বমি করবে এবং কবুতরের পেটের খাবার হজম হবেনা । (৩) খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিবে । (৪) শরীরের পালক উসকো খুসকো হয়ে থাকবে । (৫) কখনও কখনও চক্রাকারে ঘুরতে থাকবে । (৬) অনেক সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নেবে । (৭) ঝিমুতে থাকবে । মুরগী ও কিছু পাখির বেলায় : (১) চুনা সমসত্ত ভাবে মিস্রিত পিত্ত সবুজ মল ত্যাগ করবে এবং তিব্র রোগে মল কালো হয়ে যাবে চুনা সমসত্ত ভাবে মিস্রিত থাকবে । (২) খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিবে । (৩) পেটের খাবার হজম হবেনা । (৪) মুখ দিয়ে শ্বাস নেবে, কখনও কখনও কক কক শব্দ করবে । (৫) মাথা ঝাড়বে, মনে হবে ঠান্ডা লেগেছে । কিন্তু ঠান্ডা লাগলে স্বাস নালী বা নাক দিয়ে লালা বা পানি পড়বে এবং মাথার ফুল পুরো কালো হয়ে যাবে । কিন্তু এ রোগে অল্প কালো হবে । (৬) ডিম ওয়ারা পাখি ডিম দেয়া বন্ধ করে দিবে । (৭) কখনও কখনও চক্রাকারে ঘুরতে থাকবে । (৮) শরীরের পালক উসকো খুসকো হয়ে থাকবে । (৯) কখনও কখনও ঝিমুতে থাকবে ।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম