Fri, 24 Mar, 2017
 
logo
 

না.গঞ্জসহ দেশের ৬ জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবনে চলছে শ্রম পরিদফতরের কার্যক্রম

সংস্কারের অভাবে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলার শ্রম পরিদফতরের অফিসগুলো ঝুঁকির মধ্যে আছে। দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণ, পরিত্যক্ত, ঝুঁকিপূর্ণ ও অত্যন্ত নাজুক ভবনের ভেতরে চলছে শ্রম পরিদফতরের কাজ।

ফলে যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। চট্টগ্রাম, বগুড়া, গাইবান্ধা, বাগেরহাট, রংপুর ও খুলনার অফিসগুলো সরেজমিন পরিদর্শন শেষে পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের ছয়টি জীর্ণ, ক্ষতিগ্রস্থ ও ৩৫ বছরের পুরনো ভবনে শ্রম পরিদফতরের কার্যক্রম চলছে। এগুলো হলো চট্টগ্রামের শিল্প সম্পর্ক শিক্ষায়ন, নারায়ণগঞ্জের বিভাগীয় শ্রম দফতর, গাইবান্ধা শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র, বগুড়ার বিভাগীয় শ্রম দফতর ও শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র, বাগেরহাটের শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র, খুলনার শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র। প্রায় ৫৯ কোটি টাকা লাগবে এ ভবনগুলোকে সংস্কার করতে।
সরেজমিন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের অফিসটি একতলা ভবনের। কবে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে তা কেউই বলতে পারেনি। ভবনের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। সারা ভবনে শেওলা পড়ে আছে। পূর্ণিমা-অমাবশ্যায় জোয়ারের পানি টুকে পড়ে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ভবনটিও নোংরা। আর ষোলশহরের ভবনটির দেয়াল ভেঙে গেছে। ফলে অফিসের ভেতর দিয়েই সাধারণ মানুষ চলাচল করে। কোনো ধরনের নিরাপত্তা নেই। নাসিরাবাদ এলাকার হোস্টেল ভবনে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব ভবনের ছাদগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। আর পিলারের রড বেরিয়ে আছে। পিউব্লিউডি এ ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে।
অন্য দিকে, খুলনার শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের অফিসের ভবনগুলো ধংসাবশেষ বিদ্যমান বর্তমানে। এখন ভাড়া বাসায় কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। বাগেরহাটের কেন্দ্রটির অফিস ভবনটি বিধ্বস্ত ও পরিত্যক্ত। ভবনে প্রবেশের রাস্তাটি ভেঙে পুকুরে পড়ে আছে। কোনোভাবে হেঁটে প্রবেশ করা যায়। ১৬ কাঠার ওপর প্রতিষ্ঠিত ভবনটি এখন পরিত্যক্ত।
চট্টগ্রামের শিল্প সম্পর্ক শিক্ষায়ন ভবনটি সংস্কারে ৭ কোটি ৯০ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, নারায়ণগঞ্জের বিভাগীয় শ্রম দফতর ভবন সংস্কারে ৭ কোটি ৫১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, গাইবান্ধা শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র সংস্কারে ১০ কোটি ৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা, বগুড়ার বিভাগীয় শ্রম দফতর ও শম কল্যাণ কেন্দ্র পুনর্নিরমাণে ৭ কোটি ৭০ লাখ ৫৪ হাজার টাকা, বাগেরহাটের শম কল্যাণ কেন্দ্র ১০ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং খুলনার শম কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন সংস্কারে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ২৩ হাজার টাকার প্রয়োজন। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব ভবনগুলো সংস্কার করা না হলে কাজের আরো ব্যাঘাত ঘটবে জনগণ সেবা থেকে বঞ্চিত হবে বলে আইএমইডি মন্তব্য করেছে।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম ২৪