Mon, 22 Oct, 2018
 
logo
 

২০টি ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ১৩

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণার পর নারায়ণগঞ্জে নাশকতার চেষ্টায় অভিযোগে পুলিশ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপির ও অঙ্গ-সংগঠনের তিন নেতাসহ ১৩জনকে আটক করেছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, নারায়ণগঞ্জ শহর সহ জেলার বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া নগরীতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়াসহ পুলিশের টহল চলছে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর, মোগড়াপাড়া চৌরাস্তাসহ চারটি পয়েন্টে ৮ থেকে ১০ টি ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনায় দুবৃত্তরা। কাচঁপুর বাস স্ট্যান্ডের সামনে তিনটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটায়। এ সময় কাচঁপুর বাসস্ট্যান্ডের সামনে থেকে উপজেলা তাতিঁদলের সভপতি ইসমাইল সিকদারকে ককটেলসহ গ্রেফতার করা হয। মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা আয়ুব প্লাজা মার্কেটের সামনে তিনটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটে। এসময় মার্কেটে আগত ক্রেতা ও রাস্তায় চলাচলকারি পথচারীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। আইয়ুব প্লাজা মার্কেটের তৃতীয় তলায় বর্তমান জাপা সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার রাজনৈতিক কার্যালয় রয়েছে। তবে ওই সময় সাংসদ তার কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।
ওসি আরো জানান, ককটেল বিস্ফোরণের পর পুলিশ সাতটি তাজা ককটেলসহ উপজেলা যুবদলের যুগ্মসম্পাদক এনামুল হক রবিন, পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্মসম্পাদক নুর নবী মাষ্টার, ও উপজেলা তাতিঁ দলের সভাপতি ইসমাইল সিকদারকে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার চেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, দুপুর সাড়ে ১২টায় নগরীরর গলাচিপার এলাকায় চারটি ককটেল বিস্ফোরনর ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কয়েকটি বিস্ফোরিত ককটেলের আলামত জব্দ করে।
একই সময়ে ফতুল্লার ভ্ইুগড় এলাকায় ছাত্রদলেল নেতাকর্মীরা একটি ঝটিকা মিছিল বের করে কয়েকটি ককেটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় পুলিশ খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ধাওয়া দিলে মিছিলকরারি ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঞ্জুর কাদের জানান, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে ভুইগড় এলাকায় একটি মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরনের ঘটানো হয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই মিছিলকারিরা পালিয়ে যায়। এসময় তিন চারটি গাড়ি ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে নাারয়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মনিরুল ইসলাম জানান, রায় ঘোষনা পর পর নারায়ণগঞ্জ সদর, ফতুল্লার ভ্ইুঘর,ও সোনারগাঁয়ের মোগড়াপাড়া ও কাচঁপুর বাস স্যান্ডসহ কয়েকটি স্থানে বেশ কিছু ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নাশকতার চেষ্টায় বা আতংক সৃষ্টি করতে এই বিস্ফোরণ ঘটনানো হয়েছে। সোনারগাঁয়ে তাজা ককটেলসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া নাশকতার চেষ্টাকালে সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে তিনজন, ফতুল্লা থেকে চারজন ও বন্দর উপজেলা থেকে আরো তিনজন বিএনপির কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম