Wed, 24 Oct, 2018
 
logo
 

কিছু বলার আগে ভেবে চিন্তে মন্তব্য করবেন : ভিপি বাদল


লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ সাধরাণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল বলেন, ‘সাংবাদিক ভাইদের অনেক শ্রদ্ধা করি। কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতার সাথে এক মত হতে পারবো না।

এমপি সেলিম ওসমান বলেছেন, ‘আগের দিন নাইরে নাতি, খাবলাইয়া খাবলাইয়া খাতি’। তিনি কখনো বলেননি বাদল খাবালাইয়া খাবালইয়া সব খাইয়া ফেলছে। অনেক পাগল-ছাগল আছেন আইভির কাছে আমিসহ বিভিন্ন নেতাদের নামে অপপ্রচার করেন। নেতা হওয়া এতো সহজ কথা না।৭৫ এ ছাত্রলীগ চাষাঢ়া ইউনিয়ন মেম্বার, ৭৭-৭৮ ইউনিয়ন মেম্বার, ৮৩-৮৪ কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কমিটি মেম্বার ও জেলা ছাত্রলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক, ৯২-৯৩ জেলা ছাত্রলীগ কনভেনর, সরকারি তুলারাম কলেজের ৩ বারে ভিপি, যুবলীগের ২ বারের সেক্রেটারীসহ নিজ যোগ্যতায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ধাপ পেড়িয়ে আজকে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধরণ সম্পাদক। একদিনে নেতা হওয়া যায় না। এই নেতৃত্ব দীর্ঘ সময় ও ত্যাগের ফসল। হুট করে কারো নামে কোন মন্তব্য করা উচিৎ না। যারা মন্তব্য করেন কিছু বলার আগে ভেবে চিন্তে মন্তব্য করবেন।’

ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে শহরের ২ নং রেলগেইট সংলগ্ন জেলা আওয়ামীলগ কার্যালয়ে জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম কমান্ডের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাদল।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ কলেজে সভাপতিত্বকালে ১০ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিটসহ কলেজ পরিচালনায় ৩ কোটি টাকা ফান্ডিং এর ব্যবস্থা করেছি। নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে জেলা জুড়ে আওয়ামীলীগের হয়ে নিরলসভাবে কাজ করেছি। বিভ্রান্তি বা উসকানিতে কান দিবেন না। কোন কিছু বলতে হলে প্রমাণ নিয়া আসেন। ৪২ বছরের এই রাজনীতিতে কেউ প্রমাণ করতে পারবে না দল বা সাধরণ মানুষের সাথে বিন্দুমাত্র বেঈমানি করেছি। দলের দুঃসময়ে হাইব্রীডরা পল্টি মারে। প্রকৃত আওয়ামীলগ সেনারা যাকে বুক দেয় তাকে পিঠ দেয় না। নৌকারে বুক দিয়েছি। এই দেহে যতক্ষন নিশ্বাস ততক্ষণ নৌকা নৌকা করেই যাবো। তাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে জেলার ৫ টি আসনেই নৌকা মার্কা চাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘২ নং রেল গেইট সংলগ্ন এই আওয়ামী কার্যালয় কখনোই অবৈধ না। সরকারি লিজের জমিতে হয়তোবা খাজনা বকয়ে থাকতে পারে । কিন্তু জেলা আওয়ালীগ কার্যালয় সম্পূর্ণ বৈধ।’

জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম কমান্ড সভাপতি ডা. মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এসময় প্যানেল চেয়ারম্যান ১ মো. নূর হোসেন সওদাগর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম কমান্ড সাধারণ সম্পদাক মো. আল মামুন, সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাজীব, যুগ্ম সম্পাদক হজরত আলীসহ আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ সাধরাণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল বলেন, ‘ সাংবাদিক ভাইদের অনেক শ্রদ্ধা করি। কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতার সাথে এক মত হতে পারবো না। এমপি সেলিম ওসমান বলেছেন ‘আগের দিন নাইরে নাতি, খাবলাইয়া খাবলাইয়া খাতি’। তিনি কখনো বলেননি বাদল খাবালাইয়া খাবালইয়া সব খাইয়া ফেলছে। অনেক পাগল-ছাগল আছেন আইভির কাছে আমিসহ বিভিন্ন নেতাদের নামে অপপ্রচার করেন। নেতা হওয়া এতো সহজ কথা না। ৭৫ এ ছাত্রলীগ চাষাঢ়া ইউনিয়ন মেম্বার, ৭৭-৭৮ ইউনিয়ন মেম্বার, ৮৩-৮৪ কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কমিটি মেম্বার ও জেলা ছাত্রলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক, ৯২-৯৩ জেলা ছাত্রলীগ কনভেনর, সরকারি তুলারাম কলেজের ৩ বারে ভিপি, যুবলীগের ২ বারের সেক্রেটারীসহ নিজ যোগ্যতায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ধাপ পেড়িয়ে আজকে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধরণ সম্পাদক। একদিনে নেতা হওয়া যায় না। এই নেতৃত্ব দীর্ঘ সময় ও ত্যাগের ফসল। হুট করে কারো নামে কোন মন্তব্য করা উচিৎ না। যারা মন্তব্য করেন কিছু বলার আগে ভেবে চিন্তে মন্তব্য করবেন।’

ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে শহরের ২ নং রেলগেইট সংলগ্ন জেলা আওয়ামীলগ কার্যালয়ে জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম কমান্ডের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাদল।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ কলেজে সভাপতিত্বকালে ১০ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিটসহ কলেজ পরিচালনায় ৩ কোটি টাকা ফান্ডিং এর ব্যবস্থা করেছি। নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে জেলা জুড়ে আওয়ামীলীগের হয়ে নিরলসভাবে কাজ করেছি। বিভ্রান্তি বা উসকানিতে কান দিবেন না। কোন কিছু বলতে হলে প্রমাণ নিয়া আসেন। ৪২ বছরের এই রাজনীতিতে কেউ প্রমাণ করতে পারবে না দল বা সাধরণ মানুষের সাথে বিন্দুমাত্র বেঈমানি করেছি। দলের দুঃসময়ে হাইব্রীডরা পল্টি মারে। প্রকৃত আওয়ামীলগ সেনারা যাকে বুক দেয় তাকে পিঠ দেয় না। নৌকারে বুক দিয়েছি। এই দেহে যতক্ষন নিশ্বাস ততক্ষণ নৌকা নৌকা করেই যাবো। তাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে জেলার ৫ টি আসনেই নৌকা মার্কা চাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘২ নং রেল গেইট সংলগ্ন এই আওয়ামী কার্যালয় কখনোই অবৈধ না। সরকারি লিজের জমিতে হয়তোবা খাজনা বকয়ে থাকতে পারে । কিন্তু জেলা আওয়ালীগ কার্যালয় সম্পূর্ণ বৈধ।’

জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম কমান্ড সভাপতি ডা. মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এসময় প্যানেল চেয়ারম্যান ১ মো. নূর হোসেন সওদাগর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম কমান্ড সাধারণ সম্পদাক মো. আল মামুন, সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাজীব, যুগ্ম সম্পাদক হজরত আলীসহ আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম