Sat, 18 Nov, 2017
 
logo
 

আগস্ট আসলেই হারানোর আতঙ্ক বিরাজ করে: কায়সার হাসনাত


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: আগস্ট মাস আওয়ামীলীগ পরিবারের জন্য অত্যন্ত শোকাবহ মাস। ১৯৭৫ সালে এই মাসেই সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালে এই মাসেই টার্গেট ছিলেন শেখ হাসিনা। তাই আমার কাছে আগস্ট মানেই স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকের রক্ত-খুনের হলিখেলার মাস মনে হয়। আগস্ট আসলেই হারানোর আতঙ্ক বিরাজ করে।

সোমবার (২১ আগস্ট) বিকালে সোনারগায়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় গ্রেনেড হামলা প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত জনসভা থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সাংসদ আব্দুল্লা আল কায়সার হাসনাত।  

সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগের আয়োজিত মহা সমাবেশ বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সোহেল রানা ও ডিপুটি কমান্ডার ওসমান গনি।
সভায় সাধারন সমর্থক, আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিশদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


কায়সার হাসনাত বলেন, ওই হামলায় প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। তবে প্রাণ দিতে হয় আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মীকে। ওই হামলার ক্ষত এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মী। সেই দিনের সন্ত্রাসী হামলায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ পরিণত হয় মৃত্যুপুরীতে। অথচ, ভয়াবহ ওই গ্রেনেড হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েও নিজের কথা ভাবেননি শেখ হাসিনা। সেই ভয়াবহ মুহূর্তেও পরিচয় দিয়েছেন অকৃত্রিম দেশপ্রেম, জনগণের প্রতি দেখিয়েছেন গভীর মমত্ববোধ, ভেবেছেন দেশ ও গণতন্ত্রের কথা। নিজের চিকিৎসার কথা চিন্তা না করে সারাক্ষণ ব্যস্ত ছিলেন আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা নিয়ে। খোঁজ-খবর নিয়েছেন কে কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। এসময় জনসভা থেকে তিনি ১৩ বছরেও শেষ না হওয়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলার বিচার দাবি করেন।

আরোও উপস্থিত অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোসারফ, মোগরাপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ মাসুদ বাবু সহ আরোও অনেক গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

 

এ সংক্রান্ত আরো নিউজ পড়তে ক্লিক করুন:

হাজারও নেতাকর্মী নিয়ে গ্রেনেড হামলার ১৩ তম বার্ষিকী স্মরণ করছেন কায়সার হাসনাত

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম