Thu, 13 Dec, 2018
 
logo
 

টানবাজারে সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিবে দূর্গা পূজা, মন্ডপে বর্ণিল সাজে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: দেবী দূর্গার আগমনকে ঘিরে পূজামণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্থাপত্যকলার আদলে। গোটা টানবাজারকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। তৈরি করা হয়েছে দৃষ্টি নন্দন তোরণ, প্যান্ডেল। করা হয়েছে চোখধাঁধানো আলোকসজ্জাও।

রোববার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে টানবাজারের শ্রী শ্রী বষ্কবিহারী জিউর আখড়া ও হনুমান জিউর মন্দিরে এ দৃশ্য দেখা যায়। ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে আগামী কাল (১৫ অক্টোবর) থেকে মন্ডপটিতে শুরু হচ্ছে ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত।

টানবাজারে সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিবে দূর্গা পূজা, মন্ডপে বর্ণিল সাজে

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শত বছরের পুরোনো টানবাজারের শ্রী শ্রী বষ্কবিহারী জিউর আখড়া ও হনুমান জিউর মন্দিরে এ পূজা চলবে পাঁচ দিন। হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা হলেও সূতা ও রং ব্যবসায়ীদের টানবাজার দূর্গাপূজা কমিটির বিশেষ উদ্যোগে প্রতিবছরই এটি সর্বজনীন প্রাণের উৎসবে রূপ নেয়।

স্থানীয়রা জানান, টানবাজারের এই বর্ণিল পরিবেশের পূজা উৎসবে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার দর্শনার্থী ছুটে আসেন। এরই মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে পূজা দেখতে আত্মীয়স্বজন ভিড় জমিয়েছেন।

টানবাজারে সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিবে দূর্গা পূজা, মন্ডপে বর্ণিল সাজে

১৬ অক্টোবর মহাসপ্তমীতে দূর্গাদেবীর নব পত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন, সপ্তম্যাদি কল্পারম্ভ ও সপ্তমীবিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ অক্টোবর মহাষ্টমী, ১৮ অক্টোবর মহানবমী ও ১৯ অক্টোবর বিজয়া দশমী অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বিজয়া দশমীতে মেয়েদের জন্য আরতি প্রতিযোগীতার আয়োজন করেছে টানবাজার সার্বজনীন দূর্গাপূজা কমিটি।

টানবাজার সার্বজনীন দুর্গাপূজা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিএসআর ট্রেডার্স’র রনজিৎ সাহা জানান, প্রায় এক মাস পরিশ্রম করে এসব প্রতিমা, মণ্ডপ ও পূজার আনুষঙ্গিক সাজসজ্জা করেছেন পটুয়া শিল্পীরা। এবারের পূজায় ১১টি প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে সীতার বস্ত্র হননকে ফুটিয়ে তোলা হবে। এছাড়া নিরাপত্তার জন্য মন্ডপ এলাকা জুড়ে থাকবে সিসি টিভি ক্যামেরা, পুলিশ, আনসার, ছাড়াও ৫০ জন ভলান্টিয়ার।

টানবাজারে সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিবে দূর্গা পূজা, মন্ডপে বর্ণিল সাজে

এবিষয়ে টানবাজার সার্বজনীন দুর্গাপূজা কমিটির সভাপতি লিটন সাহা বলেন, এ দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি যুগ যুগ ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বাক্ষর বহন করছে। ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক থেকে ভিন্নতা থাকলেও এ দেশের হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সুদৃঢ় সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ। তাই প্রতিবারই এই মণ্ডপে সকল ধর্মের মানুষই অংশগ্রহণ করেন। তাই আমরা দুর্গাপুজাকে চেষ্টা করি সার্বজনীন উৎসবে পরিনত করতে। এ বারের পূজায় আমরা ব্যয় ধরেছি ৪০ লাখ টাকা।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম