Wed, 21 Nov, 2018
 
logo
 

মধ্যম আয়ের মানুষের বেশি পছন্দ ১০ সিএফটির ফ্রিজ


লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম কোরবানির ঈদ। ঈদুল আজহায় কোরবানি দেওয়া পশুর মাংস অনেক দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা হয় ফ্রিজে। যার ঘরে ফ্রিজ আছে, তিনি আরেকটি ডিপ ফ্রিজের চাহিদা অনুভব করেন।

এসব কারণেই গত এক মাসে বেড়েছে ফ্রিজের বেচাকেনা। ফ্রিজের আমদানিকারক, দেশীয় প্রস্তুতকারক এবং বিক্রেতারা জানায়, এবার ফ্রিজের বিক্রি ভালো। বরাবরের মতোই বেশি বিক্রি হচ্ছে ডিপ ফ্রিজ।

সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছে, সারা বছর যে পরিমান ফ্রিজ বিক্রি হয়। এর প্রায় ৩০ শতাংশই বিক্রি হয় কোরবানির ঈদের আগে।

জেলার বঙ্গবন্ধু সড়কসহ বিভিন্ন স্থানের বিক্রয়কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ফ্রিজের কেনাবেচা এখন জমজমাট। বিক্রেতারা বলছে, ঈদের চার-পাঁচ দিন আগে তা আরো জমবে।

ওয়ালটন, মার্সেল, ইকো প্লাস, যমুনা, মাইওয়ান, মিনিস্টারের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডের পাশাপাশি হিটাচি, সিঙ্গার, এলজি, ওয়ার্লপুল, কংকা, অ্যারিস্টন, স্যামসাং, হায়েস, হায়ার, শার্পসহ আমদানি করা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফ্রিজও বেশ বিক্রি হচ্ছে।

দেশে ১০০ লিটার ওজন থেকে ৪০০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন পর্যন্ত ওজনের ফ্রিজ পাওয়া যায়। তবে বিক্রি বেশি হয় আট সিএফটি (১৩০ লিটার ধারণ ক্ষমতা) থেকে ১০ সিএফটি (১৮০ থেকে ১৯০ লিটার ধারণ ক্ষমতা) ফ্রিজ। এই ফ্রিজগুলো মধ্যম আয়ের মানুষের বেশি পছন্দ।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম