Tue, 13 Nov, 2018
 
logo
 

২৬ অবৈধ দখলদারে ২২ লাখ লোকের সমস্যা!

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ঢাকা-নারায়নগঞ্জ-ডেমরা (সেচ প্রকল্প) ডিএনডি’র চলমান জলাবদ্ধতা নিস্কাশন প্রকল্পের পরিচালক লে.কর্ণেল মাসফিকুল আলম ভূঞা কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বলেছেন, ইতিমধ্যে ডিএনডিতে ২৪ দশমিক ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

২০২০ সালের জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে। তবে আগামী ২০১৯ সালের মধ্যে ডিএনডিতে জলাবদ্ধতা থাকবে না বলা যায়। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। রবিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াপদা এলাকায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের প্রকৌশলী মেজর কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।
ঢাকা-নারায়নগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) সেচ প্রকল্প এলাকায় নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৫৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ডিএনডি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন (ফ্রেজ-২) শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনী।
লে. কর্ণেল মাসফিকুল আলম ভূঞ জানান, ২০১৭ সালের ৫ ডিসেম্বর ডিএনডি প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করা হয়। এর মেয়াদ শেষে হবে আগামী ২০২০ সালে। ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের বেসিক সমস্যা সমাধান করার পর আর পানি জমবে না। আমরা সেই ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এছাড়াও এ কাজের জন্য ৫৫৮ কোটি টাকার যে ব্যয় ধরা হয়েছে সেটাও বাড়বে।
মাসফিকুল আলম ভূঞা জানান, মূলত এখানে ড্যাম্পিং নেই, খালগুলোর নিচ দিয়ে গ্যাস, বিদ্যুৎ, ওয়াসা সহ বিভিন্ন লাইন রয়েছে। যার জন্য পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়াও উচ্চ আদালত থেকে ২৬ জন অবৈধ স্থাপনার মালিক আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞার আদেশ নিয়ে এসেছে। এ ২৬ জনের জন্য ২২ লাখ লোকের সমস্যা হচ্ছে। আমরা এসব কিছুই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে কাজ করছি।
তিনি আরো জানান, ডিএনডি প্রকল্পের অধীনে ৯৪ কিলোমিটার খালের মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাদের ৫৪ কিলোমিটার বুঝিয়ে দিয়েছে। এখনও ৪০ কিলোমিটার বুঝিয়ে দেওয়ার বাকি। এর মধ্যে আমরা ৫০ কিলোমিটার খাল উদ্ধার করে ফেলেছি।
সীমানা নির্ধারনে (ডিমারগেশন) প্রকল্পের কাজের বড় বাধা হিসেবে উল্লে¬খ করে মোহাম্মদ মাসফিকুল আলম ভূঞা বলেন, ডিমারগেশনের জন্য কাজে দেরি হচ্ছে। ডিসি অফিসের সার্ভেয়ার ও কানুনগো এসে জায়গার সীমানা নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু অনেক পুরানো কাগজ হওয়ায় অনেক সময় না পাওয়ার কারণে এতে বিলম্ব হয়। এছাড়াও সরকারী অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে ঠিক ভাবে সহযোগিতাও পাচ্ছি না।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম