Wed, 19 Sep, 2018
 
logo
 

না.গঞ্জ নব ই‌তিহাসের প্রা‌ন্তে, ৭'শতা‌ধিক ইমামের ঐক্যম‌তে ঈ‌দের বৃহৎ জামাত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত, তাও আবার অনুষ্ঠিত হবে নারায়ণগঞ্জে। এবার এমনই উদ্যোগ নিয়েছে ৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান। তার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে একমত পোষন করেছেন নারায়ণগঞ্জের ৭ ‘শতাধিক ঈমাম।

রোববার (১২ আগস্ট) দুপুর বা‌রোটায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের দ্বিতীয় তলার অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দ্বায়িত্ব নিয়েছে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমানের আয়োজিত নারায়ণগঞ্জে সর্ববৃহৎ আলোচনা সভায় এসময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া, নারায়ণগঞ্জ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ফজলুল হক, বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।

এসময় ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, বন্দর ও নারায়ণগঞ্জের ৭ শতাধিক ইমামের পক্ষ থেকে নূর মসজিদের ঈমাম জানান, বাংলাদেশের ভিতরে সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত নারায়ণগঞ্জে অনুষ্ঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান সাহেব। আমরা তার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সবাই একমত হয়েছি- ঈদের জামাত দুইটা হবে না, একটাই হবে। তবে ঈদের নামাজের সময় স্টেডিয়াম ও ঈদগাহের সাথে মাঝের সড়কও এক করতে হবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া বলেন, নারায়ণগঞ্জের মতো একটি জেলায় বড় ঈদগাহ্ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা হলো জনসংখ্যার তুলনায় ঈদগাহ্ খুবই ছোট। নারায়ণগঞ্জের মানুষের সেই চাহিদা বুঝতে পেরে সাংসদ শামীম ওসমান যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা সত্যই প্রশংসনীয়। যেহেতু নির্বাচনের বছর, আইন শৃঙ্খলার বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে। তাই ঈদের জামাত সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে উৎযাপনের জন্য জেলা পুলিশ, এনএসআই, ডিজেএফআই ও আনসারসহ সকলের সাথে আলোচনা করে আইন শৃঙ্খলার নিশ্চিত করবো।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান বলেন, ‘আমরা কে ক’দিন বাঁচবো, তা জানিনা। সেই জন্য আপনাদের (ঈমাম, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তা ) সহযোগীতায় ঈদগাহ, পৌর ওসমানী স্টে‌ডিয়াম, সামসুজ্জোহা স্টেডিয়ামে দেশের বড় জামাত করতে চাই।
আজকের এই সভায় সবচেয়ে খারাপ মানুষ আমি। আপনারা সবাই ভালো মানুষ। আপনাদের পাশে থেকে একটু সোয়াব কামাতে চাই। রাস্তাতো বড় আছে, দুইটা স্টেডিয়াম ও ঈদগাহও আছে। দুই থেকে ৫ লাখ মানুষ জামাত পড়া সম্ভব। হয়তো এতগুলো মানুষের মধ্যে একটি হাতের উসিলায় আল্লাহ তায়ালা আমাদের মাফ করে দিতে পারে। আমি হয়তো আগামী কাল বাচবো না। যদি না বেচে থাকি, এটা আপনারা চালিয়ে নিবেন। এটুকু দাবি আপনাদের কাছে করতেই পারি।’

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম