Fri, 17 Aug, 2018
 
logo
 

ফেরির রাস্তা মেরামত হয়েছে ৩ বার, কমেনি দূর্ভোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের নবীগঞ্জ ঘাটে ফেরি উদ্বোনের ১ মাসেই ৩ বার মেরামত করা হয়েছে ফেরিতে যাতায়াতের রাস্তা। তারপরেও সড়কটিতে চলাচলরত ব্যক্তিদের যেন পিছু ছাড়ছে না দূর্ভোগ।


স্থানীয়দের দাবি, সকাল থেকে নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। সন্ধ্যায় হাঁটুর নিচে তলিয়ে যায় রাস্তাটি। তাই বিকাল থেকেই ফেরিতে চলাচলরতদের দূর্ভোগের অন্ত থাকে না এ ঘাটে। ফলে ফেরিতে উঠতে গিয়ে চরম ভোগান্তী পরে যাত্রীরা।


রোববার (১৫ জুলাই) সকাল ১০ টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম ও পূর্ব পাশে ইট ও বালি দিয়ে সলিং করে রাস্তাটি ডুবে গিয়েছে জোয়ারের পানিতে। সেই পানি মারিয়েই চলাচল করছে স্থানিয় ব্যক্তি ও পরিবহন। ভোক্তভোগীর দাবি, অপরিকল্পিত ভাবে রাস্তাটি নির্মাণ করায় এ দূর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।


বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রে তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ জুন নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যার পানির লেবেল ছিল ৪ দশমিক ০৮ সেন্টিমিটারে। ২০১৭ সালে আগস্ট মাসে ৫.৫৪ সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এ নদীর পানি এর আগে সর্বোচ্চ ৬.৯৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত পানি হয়েছিল নদীটিতে।
ফেরি ঘাটের এক সংশ্লিষ্ট র্কমকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ফেরি দুইটির মধ্যে একটি অচল হয়ে পরে আছে। কিছু দিন আগে ২ থেকে ৩ জন ইঞ্জিনিয়ার এসে সারাদিন ধরে নষ্ট ফেরিটি ঠিক করার চেষ্টা করে গেছে। কিন্তু হাজার প্রচেষ্টার পরও ঠিক হয়নি। যাতায়াত কম বলে একটা ফেরি দিয়েই চলছে নদী পাড়াপারের কার্যক্রম।

ফেরির রাস্তা মেরামত হয়েছে ৩ বার, কমেনি দূর্ভোগ
ফেরিতে ওঠা ভ্যান চালক সফিকুল ইসলাম বলেন, ৩ বার কেন, এভাবে বালু ও ইট দিয়ে যত বারই মেরামত করুক না কেন? জোয়ারের পানিতে রাস্তা ডুবেই যাবে। জোয়ারের পানি যাতে করে রাস্তা না ডুবে যায় সে জন্য পরিকল্পিতভাবে ফেরির রাস্তাটি ইট বালু দিয়ে উঁচু করে পিচ ঢালাই করলে যাত্রীরা ভোগান্তীর হাত থেকে রক্ষ্যা পাবে।


ফেরিতে উঠা অটো রিকশা চালক মো. সাফি বলেন, টাকা দিয়ে পার হই। এত কষ্ট করে কে পার হতে চায়! এই ভাবে চলতে থাকলে আর কিছু দিন পরই অচল হয়ে যাবে ফেরি এ ঘাট। যাত্রীরা ফেরি দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দিবে।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম