Mon, 28 May, 2018
 
logo
 

বন্দরে খাল দখল উৎসবে মেতে উঠেছে ভূমিদস্যু চক্র

বন্দর করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বন্দরে সিএসডি খাল দখল উৎসবে মেতে উঠেছে এলাকার প্রভাবশালী ভূমিদস্যু চক্র। প্রতিদিনেই একটু একটু করে সরকারি খালের বেশী ভাগ অংশই দখল করে তৈরী করছে অবৈধ দোকানপাট। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ দোকানপাট থেকে প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।

সিএসডির কর্মকর্তাদের চোখের সামনেই একের পর এক দখল হয়ে যাচ্ছে সরকারি খালটি। অভিযোগ রেয়েছে এ সকল দোকানপাটে প্রতিনিয়তই চলছে কেরাম বোর্ডের অন্তরালে জুয়ার আসর, মাদক সেবন ও মাদক বেচা কিনার ধুম। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইস্পাহানি ঘাট হতে ইস্পাহানি বাজার পর্যন্ত সিএসডির সরকারি খাল দখল করে ২৫ থেকে ৩০ টি দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। যার মধ্যে বেশির ভাগ দোকান স্থানীয় প্রভাবশালী ও নামধারি আওয়ামীলীগ নেতাদের দখলে।

 

এ ব্যাপারে একাধিক ব্যক্তির সাথে আলাপ করে জানা যায়, ইস্পাহানি এলাকার জসিম উদ্দিন মিয়ার দখলে রয়েছে ৫-৬টি দোকান,মাহীন দেওয়ানের ১টি,নবি আঊয়ালের ২টি, রমজান মিয়ার ২টি, আওয়ামী লীগ নেতা রাহাত মিয়ার ১টি জুয়ার আসর, ১টি অটোরিক্সার গ্যারেজ ও ১টি ফার্নিচারের দোকান, রায়হান মিয়ার একটি অটোরিক্সার গ্যারেজ, সোহেল মিয়ার ১টি অটোরিক্সার গ্যারেজ রয়েছে।

 

এ সকল দোকানের দখলীদের কাছ থেকে সিএসডির কতিপয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী মাসোহারা পাচ্ছেন বলে জানাগেছে। সিএসডির হেড দারোয়ান ফরহাদ হোসেন প্রতি মাসে সকল দোকান থেকে টাকা তুলে এবং নতুন কোন দোকান তোলা হলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন।

 

এ ব্যাপারে সিএসডির ম্যনেজার আক্তার হোসেনের সাথে আলাপ কালে বলেন, সিএসডির খালটি যারা দখল করে রেখেছে তারা স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন। এদের একাধিক বার নোটিশ দেওয়া হলেও দোকান ভেঙ্গে নেওয়ার কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না তারা। তাদের অবৈধ দখলের কারনে বাউন্ডারির কাজ বন্ধ রয়েছে। আমি ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে দ্রুত উচ্ছেদের ব্যবস্থা করবো। আর দোকান থেকে মসজিদের জন্য যে টাকা তোলা হতো তা এক বছর যাবত কোন দোকানদাররা এখন আর দেয়না।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম