Fri, 27 Apr, 2018
 
logo
 

প্রেমিকের স্বজনদের নির্যাতন সইতে না পেরে প্রেমিকার আত্মহত্যা

বন্দর করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারাযণগঞ্জ: প্রেমিকের আত্মীয় স্বজনদের অমানবিক নির্যাতন সইতে না পেরে মনের ক্ষোভে বিসিক গার্মেন্টস কর্মী প্রেমিকা শান্তা আক্তার (১৮) গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

শনিবার ভোরে বন্দর থানার সোনাকান্দা বেপারীপাড়াস্থ আলম মিয়ার ভাড়াটিয়া বাড়ীর রান্না ঘরে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। আত্মহননকারী প্রেমিকা শান্তা আক্তার মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার বাউশিয়া এলাকার মৃত আব্দুল হকের মেয়ে। এলাকাবাসী সংবাদের প্রেক্ষিতে বন্দর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে লাশ উদ্ধার করে র্মগে প্রেরণ করেছে।


এ ব্যাপারে বন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার ২০ নং ওয়ার্ডস্থ সোনাকান্দা বেপারীপাড়া এলাকার আলম মিয়ার বাড়ী ভাড়াটিয়া মৃত আব্দুল হক মিয়ার মেয়ে বিসিক গার্মেন্টস কর্মী শান্তা ইসলামের সাথে একই এলাকার দিন ইসলাম মিয়ার ছেলে নাদিমের সাথে র্দীঘ দিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

 

প্রেমের সূত্র ধরে শুক্রবার রাতে প্রেমিক নাদিম শান্তার সাথে দেখা করতে তাদের ভাড়াটিয়া বাড়ীতে আসে। পরে নাদিম প্রমিকা শান্তার সাথে দেখা করে ওই রাতে চলে যায়। প্রেমিকা শান্তার বাড়ীতে নাদিমের আগমনের সংবাদ পেয়ে ওই রাতে নাদিমের মা রাবেয়া বেগম, মেয়ে সনিয়া আক্তার ও চাচা নয়ন ক্ষিপ্ত হয়ে প্রেমিকা শান্তাকে বেদম পিটিয়ে নিলাফুলা জখম করে। মনের ক্ষোভে সে শনিবার ভোরে ভাড়াটিয়া বাড়ী রান্না ঘরে আড়ার সাথে জর্জেটের সাদা রং এর ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

 

এ ব্যাপারে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক সালাউদ্দিন আত্মহত্যার ঘটনা সত্যতা স্বিকার করে জানান, প্রেম ঘটিত সম্পর্ক কারনে প্রেমিক নাদিমের মা, বোন ও চাচা ক্ষিপ্ত হয়ে গার্মেন্টস কর্মী শান্তা আক্তারকে বেদম পিটিয়ে আহত করে। পরে সে মনের ক্ষোভে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। লাশের গায়ে আঘাতের চিহৃ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে বন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম