Wed, 26 Sep, 2018
 
logo
 

প্রতারণার দায়ে প্রবাসী হাশেমের স্ত্রীসহ ৩ জন আটক

ফতুল্লা করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লার কাশীপুর দেওয়ান বাড়ি এলাকা থেকে মহা প্রতারক প্রবাসী আবুল কাশেমের স্ত্রী, সন্তান ও শ্বশুর, শ্যালক কে পুলিশের হাতে তুলে দেয় দুই শতাধিক গ্রাহকরা। ১৭ মার্চ দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।


আটককৃতরা হলো, প্রতারক আবুল কাশেমের স্ত্রী চায়না বেগম (৪৫), ছেলে নাইম (১৮), শ্বশুর মো.নান্নুমিয়া (৭০), শ্যালক আ.রহিম (৩৫)।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার কাশীপুর দেওয়ানবাড়ি এলাকায় আবুল হাশেম (৫০)। সে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আপেল মার্কা নিয়ে মেম্বার পদে নির্বাচন করে হেরে যায়। সে টানিংপয়েন্ট নমে একটি বহুমুখী সমবায় সমিতি চালায়। এই সমিতিতে প্রায় তিন থেকে চার শতাধিক গ্রাহক রয়েছে। এরা মাসিক বাৎসরিক ও সাপ্তাহিক দৈনিকসহ বিভিন্ন সিষেএম তারা ঠাকা জমা রেখে আসছে টানিং পয়েন্ট সমিতিতে।

 

প্রতারক হাশেম গ্রাহকদের টাকা পয়সা না দিয়ে সে বিদেশ চলে যায়। তার সাইকেল মটরস নামক প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের টাকা না দিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে তার স্ত্রী। গ্রাহকরা টাকা পয়সা চাইতে গেলে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে আবুল হাশেমের স্ত্রী ও শ্যালক রহিম।


১৭ মার্চ প্রায় দুই শতাধিক গ্রাহক ঐক্য হয়ে হাশেমের বাড়ি ঘেরাও করে পাওনা টাকা পয়সার জন্য। এসময় উত্তেজিত জনতার হাত থেকে প্রতারক হাশেমের স্ত্রী, শ্বশুর ও শ্যালক এবং সন্তান কে রক্ষা করতে পুলিশ থানায় নিয়ে আসে। গ্রাহক কাশীপুরের মান্নানের স্ত্রী মনিরা,জয়নালের স্ত্রী আসমা বেগম , নুর হোসেননের ছেলে জুবায়ের, মহাসীনের স্ত্রী আখি, শফিকুলের স্ত্রী সিয়াম জানান, তাদেরসহ অন্যান্য সদস্যদের মোট ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারক হাসেম বিদেশ গিয়ে পালিয়ে আছে। টাকা চাইলে টাকা না দিয়ে নানা তালবাহানা করে আসছে। অত:পর তারা গত শনিবার সকালে তাদের বাড়ি ঘেরাও করে।এরপর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার খোকা উভয় পক্ষের মধ্যে পড়ে পুলিশের সাথে পরামর্শ করে মিমাংসা করেন। তবে এই ঘটনায় রহস্যজনক ভূমিকা ছিলো মেম্বার ও পুলিশের এমনটাই বলেন , পাওনাদার গ্রাহকরা।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম