Mon, 17 Dec, 2018
 
logo
 

মঙ্গলবার না.গঞ্জের দুই নেতার মৃত্যুবার্ষিকী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের প্রয়াত দুই নেতার মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে দুইজনেরই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন হলেন এ কে এম শামসুজ্জোহা এবং অন্যজন হলেন হাজী জালালউদ্দিন ( জালাল হাজী)।


এ কে এম শামসুজ্জোহা। যিনি ভাষাসংগ্রামী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং প্রাক্তন গণপরিষদ ও সংসদ সদস্য। আজ মঙ্গলবার তার ৩১ তম মৃত্যুবার্ষিকী।

দিনটি উপলক্ষে মরহুমের পরিবার ও নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন দিনভর কর্মসূচী পালন করবে। এদিকে মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে একই সাথে প্রয়াত একেএম সামসুজ্জোহার সহধর্মীনি ও ভাষা সৈনিক রতœগর্ভা মরহুমা নাগিনা জোহার ২য় মৃত্যু বার্ষিকীও পালন করা হবে।

জানা যায়, দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পবিত্র কোরআনখানি, শোক র‌্যালী, কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত, দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভা। এছাড়াও ২০ ফেব্রুয়ারী বেলা ১১টায় মরহুমের মেঝ ছেলে ও বিকেএমই সভাপতি একেএম সেলিম ওসমান এমপি’র নিজ অর্থায়নে নির্মিত বন্দর উপজেলার মুছাপুরস্থ একেএম সামসুজ্জোহা এম বি ইউনিয়ন হাই স্কুলে মিলাদ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

বিকেলে মরহুমের চাষাঢ়াস্থ নিজ বাসভবন হীরা মহল সংলগ্ন জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে ছোট ছেলে আওয়ামীলীগ নেতা একেএম শামীম ওসমান এমপি সকলকে রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়ায় অংশগ্রহণের আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

অন্যদিকে হাজী জালাল উদ্দিন আহমেদেরও ৩১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দিনটি উপলক্ষে নবীগঞ্জ কবরস্থানে পবিত্র কোরআনখানি, বাদ জোহর মসজিদ সমূহে দোয়া মাহফিল ও বিকালে বাদ আছর মরহুমের কদমরসূলস্থ পারিবারিক বাসস্থানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের পুত্রদ্বয় এড. আবুল কালাম (সাবেক এমপি, না’গঞ্জ-৫) ও আলহাজ্ব আবুল হাছান মরহুমের সভান্যুধ্যায়ী সকলকে উক্ত অনুষ্ঠান সমূহে অংশগ্রহনের জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন। এছাড়াও মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছে।

হাজী জালাল উদ্দিন আহমেদ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির একজন অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং নারায়ণগঞ্জ শহর (মহানগর) কমিটির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদের নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে ১৯৭৯ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি দীর্ঘ দিন ঐতিহ্যবাহী তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার (বর্তমান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন) কমিশনার ও ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবে নারায়ণগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, শহরের গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চবিদ্যালয়, কদমরসূলের হাজী সিরাজউদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয় এবং একাধিক মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করে গেছেন এবং বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গঠনে ও উন্নয়নে বিশেষ অবদান রেখে গিয়েছেন। তিনি বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জিয়া হল ও নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট (খানপুর) হাসপাতাল স্থাপনের একজন সংগঠক এবং তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ শহর উন্নয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম